বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক উন্নয়নে চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে: কালচারাল কাউন্সিলর, চায়না দূতাবাস

প্রকাশিত: ৭:৫৪ অপরাহ্ণ, মে ১৬, ২০২৬

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক উন্নয়নে চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে: কালচারাল কাউন্সিলর, চায়না দূতাবাস

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক উন্নয়নে চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকাস্থ চীন দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সিলর লি শাও পিং।

১৬ মে শনিবার সকাল ১০টায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের চাইনিজ কর্নার আয়োজিত “চা ও বিশ্ব:নান্দনিক মিলনমেলা” শীর্ষক সেমিনারে গেস্ট অব অনার হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এ কথা বলেন।

লি শাও পিং বলেন, “চা কেবল একটি পানীয় নয়; এটি বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বন্ধুত্ব, পারস্পরিক সম্মান এবং জনগণের মধ্যে সংযোগের প্রতীক। চীনা সভ্যতায় চা সম্প্রীতি, ধৈর্য, প্রজ্ঞা এবং মানবিক সংযোগের প্রতিনিধিত্ব করে। চা সংস্কৃতির মাধ্যমে প্রজন্মের পর প্রজন্ম শান্তি, সম্মান এবং জীবনের ভারসাম্যের মূল্যবোধ শিখে এসেছে।”

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ এম সরওয়ার উদ্দিন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর ড. সাজেদুল করিম, পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. জায়েদা শারমিন, ইন্টারন্যাশনাল অফিসের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. মনিরুল ইসলাম এবং ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টি টেকনোলজি (এফইটি) বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ইফতেখার আহমদ।

পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের শুরুতে চাইনিজ কর্নারের কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ড. মো. শাহাবুল হকের সঞ্চালনায় অতিথিদের অভ্যর্থনা জানানো হয়। এ সময় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন অধ্যাপক ড. জায়েদা শারমিন। পরবর্তীতে অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেন বিভাগের শিক্ষার্থী মো. আরমান হোসেন ইমন এবং মোছা. ইকরা সুলতানা।


অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. ইয়াং হুই চীনা চা সংস্কৃতির ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন।

সাংস্কৃতিক পর্বে নৃত্য পরিবেশন করেন লিডিং ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী তাইবা তারান্নুম সিনথিয়া এবং গান পরিবেশন করেন পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী মো. নুর হাসনাত ইমন।

অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে দেশের বিভিন্ন শিল্পীর আঁকা ২০টি চিত্রকর্ম নিয়ে একটি বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এসব শিল্পকর্মে চীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতা ও চীনা সংস্কৃতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়া শিক্ষার্থীরা চীনা চা প্রদর্শনী ও চিত্রপ্রদর্শনী উপভোগ করেন। আয়োজকরা জানান, চিত্রপ্রদর্শনীটি দিনব্যাপী সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।


 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট