মৌলভীবাজারে করোনায় আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু

প্রকাশিত: ১:১৪ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ১৫, ২০২০

মৌলভীবাজারে করোনায় আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু

মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও মৌলভীবাজার মিনিবাস মালিক সমিতির চেয়ারম্যান, সমাজসেবী ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সৈয়দ মফচ্ছিল আলীর মৃত্যুর পর পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ পাওয়া যায়।

সোমবার ১৩ এপ্রিল বিকেলে তিনি জ্বর ও সর্দি-কাশি নিয়ে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর তার শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (আইইডিসিআর) পাঠানো হয়। মঙ্গলবার দূপুরে তার শরিরে করোনা পজিটিভ পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে জানা গেছে।

মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল দূপুরে জেলা পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মিনিবাস মালিক সমিতি চেয়ারম্যান সৈয়দ মফচ্ছিল আলী মারা গেছেন। ২ এপ্রিল ত্রাণ বিতরণের জন্য মৌলভীবাজারে এসেছিলেন। তারপর আর কথা হয়নি। লাশ মৌলভীবাজারে আনার চেষ্ঠা করা হয়েছে। আইইডিসিআর এর আপত্তি থাকায় ঢাকায় দাফন মঙ্গলবার রাত ৯টায় সম্পন্ন হয়।

মৌলভীবাজারের সিভিল সার্জন ডা. তাউহীদ আহমদ বলেন, তিনি বেশিরভাগ সময় ঢাকায় থাকতেন। সেখানেই জ্বর ও সর্দি-কাশি নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। সেখানে করোনায় আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা গেছেন। তার নমুনা সংগ্রহ করেছে আইইডিসিআর। তার রিপোর্টে করোনা পজিটিভ আসার কথা আজ মঙ্গলবার আনঅফিসিয়ালি তারা আমাকে জানিয়েছে। তবে সরকার বাদ বাকি করণীয় নির্ধারণ করবেন।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলেসহ ভাই-বোন ও অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন। একমাত্র ছেলে ব্যারিস্টার সৈয়দ নাসিফ আলী হাইকোর্টে আইনপেশায় যুক্ত। তার গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার শহরতলীর নাজিরাবাদ ইউনিয়নের ঢেউপাশা গ্রামে। তিনি মৌলভীবাজার পৌর এলাকার ৮নং ওয়ার্ডের পশ্চিম ধরকাপন এলাকায় বাসায় থাকতেন।

পাশাপাশি রাজধানীর গুলশান এলাকায় তিনি বসবাস করতেন। তিনি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক, মৌলভীবাজার জেলা শ্রমিক লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ও জেলা যুবলীগের সাবেক প্রচার সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেছেন। তাছাড়া তিনি জেলা ও জেলার বাইরে শ্রমিক সংগঠনসহ প্রায় ৮০টি সংগঠনের উপদেষ্টা, সভাপতি এবং সম্পাদক পদসহ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে পালন করেন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট