কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় খাসিয়াদের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

প্রকাশিত: ২:৩০ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১০, ২০২৬

কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় খাসিয়াদের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় খাসিয়াদের ছররা বন্দুকের গুলিতে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে ভারতের প্রায় ১ কিলোমিটার অভ্যন্তরে একটি সুপারি বাগানে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত সালেহ আহমেদ জয়ধর (৩০) কোম্পানীগঞ্জের দয়ারবাজার সংলগ্ন কারবালার টুক গ্রামের বাসিন্দা।

আজ শুক্রবার দুপুরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. নাজমুল হক প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে সালেহ আহমেদ তাঁর আরও দুই সহযোগীসহ মাদকের চালান আনার উদ্দেশ্যে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। তাঁরা চংকেটের বাগান ও মারকানের বাগানের মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় ভারতীয় খাসিয়া সম্প্রদায় তাঁদের ‘সুপারি চোর’ সন্দেহে ছররা বন্দুক দিয়ে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এতে সালেহ আহমেদ জয়ধর গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

নিহতের সঙ্গে থাকা নাজিরগাঁও গ্রামের মোঃ সুমন মিয়া (২৫) এবং কারবালারটুক গ্রামের মোঃ মাসুম আহম্মদ (২০) মরদেহ বহন করে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। স্থানীয় সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে বিজিবি জানিয়েছে, ওই তিনজনই এর আগে সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পণ্য আনা-নেওয়ার (চোরাচালান) কাজের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম খান জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এরআগে গত ১ এপ্রিল একই উপজেলার সীমান্তের ওপারে সাদ্দাম হোসেন নামের এক বাংলাদেশি যুবক ভারতীয় খাসিয়াদের গুলিতে নিহত হন। নিহত সাদ্দাম হোসেন উত্তর রণীখাই ইউনিয়নের লামা উত্তমা গ্রামের বাসিন্দা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা কুটু মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১ এপ্রিল সীমান্তের ১২৪৭ নম্বর পিলারের প্রায় ৬০০ গজ ভেতরে ভারতের রাজনটিলা এলাকায় সুপারি চুরি করতে যান সাদ্দাম হোসেনসহ কয়েকজন। এসময় সুপারি বাগানের মালিক খাসিয়ারা গুলি চালালে সাদ্দাম হোসেন নিহত হন ও তার সঙ্গী ফরহাদ মিয়া আহত হন।


 

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট