১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৩:০৩ অপরাহ্ণ, মে ২৯, ২০১৭
চট্টগ্রাম: ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ উপকূলের দিকে ধেয়ে আসায় চট্টগ্রাম বন্দর ও বহির্নোঙ্গরে পণ্য ওঠা-নামা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সেই সাথে চট্টগ্রাম জেলার চিকিৎসক ও নার্সসহ সব স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব ওমর ফারুক জানিয়েছেন, আবহাওয়া অধিদপ্তর চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলার পর এই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেয়া হয়।
সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে জেটি ও বহির্নোঙ্গরে জাহাজে পণ্য ওঠানো ও জাহাজ থেকে পণ্য খালাসের কাজ বন্ধ রয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি জানান, তবে জাহাজ থেকে যেসব পণ্য আগে জেটিতে নামানো হয়েছিল সেগুলো ডেলিভারি দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম বন্দরের নিজস্ব সর্তকর্তা সংকেত ‘অ্যালার্ট-৩’ জারি করা হয়েছে।বন্দর সচিব ওমর ফারুক আরো বলেন, ‘বন্দরের সব ভারি যন্ত্রপাতি এবং নিজস্ব জাহাজকে নিরাপদে রাখার কাজ শুরু হয়েছে। আর লাইটারগুলোকে (পণ্যবাহী ছোট জাহাজ) উজানের দিকে অবস্থান নিতে বলা হয়েছে।’
এদিকে চট্টগ্রাম জেলার সব চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ছুটি বাতিল করা হয়েছে বলে সিভিল সার্জন ড. আজিজুর রহমান সিদ্দিকী জানিয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নির্দেশে এ ছুটি বাতিল করা হয় বলে জানান তিনি।
আজিজুর রহমান সিদ্দিকী বলেন, সম্ভাব্য জরুরি স্বাস্থ্য পরিস্থিতি মোকাবেলায় চট্টগ্রামে ২৪০টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে, খোলা হয়েছে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ।
চট্টগ্রামকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেয়া হলেও শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানা যায়।
এ বিষয়ে সোমবার দুপুর ১টার দিকে বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক উইং কমান্ডার রিয়াজুল কবির বলেন, বিমান চলাচল স্বাভাবিক আছে। সকাল থেকে শিডিউল মেনেই বিমান ওঠা-নামা করছে। অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ করার মতো পরিস্থিতি এখনো হয়নি। তবে ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় সব রকম সর্তকতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
এরআগে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং পুনর্বাসন বিষয়ে করণীয় ঠিক করতে বেলা সাড়ে ১১টায় জরুরি সভা করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।
চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসকের স্টাফ অফিসার ইশতিয়াক আহমদ জানান, সভা শেষে গৃহীত সিদ্ধান্ত এবং করণীয় স্থানীয় প্রশাসনকে জানিয়ে দেয়া হবে।
কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো এই সংকেতের আওতায় থাকবে। এছাড়া পায়রা ও মংলা বন্দরকে ৫ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সকাল ৯টায় দিনের প্রথম জোয়ার শুরু হয়েছে। দ্বিতীয় জোয়ার শুরু হবে রাত ১০.৯ মিনিটে।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D