২৩শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১০:০৪ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৪, ২০২৪
চা-শ্রমিকদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ফাল্গুন মাসের মাসের দোল পুর্ণিমার সময় ফাগুয়া (লাল পূজা) উৎসবের সময় প্রাপ্য উৎসব বোনাস সকল চা-বাগানে প্রদান করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছে চা-শ্রমিক সংঘ।
চা-শ্রমিক সংঘ মৌলভীবাজার জেলা কমিটির আহবায়ক রাজদেও কৈরী এবং যুগ্ম-আহাবয়ক শ্যামল অলমিক এক যুক্ত বিবৃতিতে অভিযোগ করেন চা-বাগান মালিকদের সাথে সম্পাদিত চুক্তি এবং চা-শিল্পে সরকার ঘোষিত নিন্মতম মজুরির গেজেট (এস আর ও নং ২৪৬-আইন/২০২৩) অনুযায়ী ফাগুয়ায় সকল চা ও রাবার-শ্রমিক উৎসব বোনাস পাওয়ার অধিকারী। কিন্তু এবছর ফাগুয়া উৎসবে এখনো অধিকাংশ বাগানের চা-শ্রমিকরা উৎসব বোনাস পাননি, এমন কি কোন কোন চা-বাগানের শ্রমিকদের সাপ্তাহিক মজুরিও ঠিক মতো পরিশোধ করা হয়নি। ডানকান ব্রাদার্স লিমিটেডের আলীনগর, সুনছড়া, চাতলাপুর, শমসেরনগর; দেউন্দি টি কোম্পানির মৃত্তিঙ্গা, লালচান, দেউন্দি নয়াপাড়া, এনটিসির দেওরাছড়াসহ বিভিন্ন বাগানের শ্রমিকদের অদ্যাবধি ফাগুয়া উৎসব বোনাস প্রদান করা হয়নি। আবার কোন কোন বাগানে ফাগুয়ায় উৎসব বোনাস প্রদান করা হলেও পূর্ণ বোনাস না দিয়ে আংশিক বোনাস দেওয়া হচ্ছে।
বিভিন্ন বাগানের চা-শ্রমিকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন দৈনিক মাত্র ১৭০ টাকা মজুরিতে বর্তমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্দ্ধগতির বাজারে এমনিতেই চা-শ্রমিকদের অনাহার-অর্ধাহারে দিন কাটাতে হয়। তার উপর শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার হতে বঞ্চিত করা হলে শ্রমিকরা কোথায় যাবে? অথচ চা-শ্রমিকদের হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রমে ২০২৩ সালে লক্ষ্য মাত্রা অতিক্রম করে রেকর্ড পরিমান চা-উৎপাদন হয়। ২৪ মার্চ থেকে ফাগুয়া উৎসব শুরু হয়ে গেলেও এখনো অধিকাংশ চা-শ্রমিকদের উৎসব বোনাস প্রদান করা হয়নি।
চা বাগান মালিকদের সাথে সম্পাদিত সর্বশেষ মজুরি চুক্তি (২৩ ডিসেম্বর ২০২৩) অনুযায়ী প্রতি বছর একজন চা-শ্রমিক ৫২ দিনের মজুরির সমপরিমান উৎসব বোনাস প্রাপ্য হবেন, যার ৬০ শতাংশ দুর্গা পূজায় এবং অবশিষ্ট ৪০ শতাংশ ফাগুয়ায় পাবেন। সেই হিসেবে ফাগুয়ায় একজন শ্রমিক ৩,৫৩৬ টাকা উৎসব বোনাস পাবেন।
চা-শ্রমিক সংঘের নেতারা অবিলম্বে সকল চা ও রাবার শ্রমিকদের পূর্ণ বোনাস হিসেবে ৩,৫৩৬ টাকা প্রদান এবং যে সকল চা-বাগানে এরিয়ারা টাকা বকেয়া রয়েছে ও মজুরি বকেয়া আছে তা অবিলম্বে পরিশোধ করা দাবি জানান। অন্যথায় চা-শ্রমিকরা বেঁচে থাকার তাগিয়ে ২০২২ সালের আগষ্ট মাসের আন্দোলনের শিক্ষা থেকে নতুন করে আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়তে বাধ্য হবে।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D