২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৯:৪০ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
বাংলাদেশের সঙ্গে সড়কপথে থাইল্যান্ডকে যুক্ত করার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন।
তিনি বলেন, ‘সিলেটের তামাবিল থেকে ভারত-মিয়ানমার হয়ে থাইল্যান্ডে যাবে সড়ক যোগাযোগ। এতে ভারত সম্মত হয়েছে। অন্য দেশের সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।’
উদ্যোগটি বাস্তবায়ন হলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এটি হাব হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।
বুধবার সিলেট নগরের রেজিস্ট্রারি মাঠে সিলেট সিটি করপোরেশনের আয়োজনে তাকে দেয়া নাগরিক সংবর্ধনায় বিকেলে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন এমপি’র উদ্দ্যেশে মানপত্র পাঠ করেন সিসিকের প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা ইয়াসমীন নাহার রুমা। পরে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী মানপত্র, সম্মাননা ক্রেষ্ট ও সংবর্ধনা স্মারক স্বর্ণের ‘নগর চাবি’ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন এমপি’র হাতে তুলে দেন। এর আগে সিসিক মেয়র, কাউন্সিলররা সংবর্ধিত অথিতিকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
এতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার কাজ করছে। মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে বিশ্ব নেতাদের বানীতে যার স্বীকৃতি পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, আমি তার সরকারের একটি দায়িত্ব পালন করছি মাত্র। সিলেট সিটি কর্পোরেশনের দেয়া এই নাগরিক সংবর্ধনা সরকারের উন্নয়ন যাত্রার প্রতি সম্মান দেখানো বলেই আমি মনে করি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সিসিকের উন্নয়ন কাজের জন্য সরকার টাকা দিলে সেটা খরচ হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সরকার শর্ত সাপেক্ষে ১২শ ২৮ কোটি টাকা দিয়েছেন। কিন্তু এই বরাদ্ধ পেতে সিসিককে ৩০০ কোটি টাকা নিজস্ব ফান্ড থেকে দিতে হবে, যা তারা এর চেষ্টা করছেন।
‘আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের জন্য গৌরব বয়ে আনা ও সিলেটবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ঢাকা-সিলেট ছয় লেন মহাসড়ক এবং নগরীর বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে বিশেষ অবদানের’ জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেনকে এ সংবর্ধনা দেয় সিটি করপোরেশন।
তবে সিটি মেয়র ও বিএনপি নেতা আরিফুল হক চৌধুরীর বিভিন্ন সময় আওয়ামীবিরোধী বক্তব্য রাখার অভিযোগে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ‘বর্জন’ করেন সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারা। মঙ্গলবার রাতে জরুরি সভা করে এ সিদ্ধান্ত নেন তারা।
এ প্রসঙ্গে আবদুল মোমেন বলেন, ‘আমাকে কেউ কেউ বলেছেন, আজকের আয়োজন আরিফ করেছেন। আমি বলেছি, আরিফ সাহেব করে নাই, করেছে সিটি করপোরেশন। বরং আপনাদের লজ্জা লাগা উচিত এই কারণে যে প্রধানমন্ত্রী এত ভালো কাজ করছেন, অন্য দলের লোক সেটি স্বীকার করছেন। সেটা গ্রহণ করছেন।
‘আপনাদের তো ভালো লাগার কথা। আমি তো হলাম উসিলা মাত্র। তারা আমাকে নয়, সম্মান দিচ্ছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে। যিনি আমাদের প্রতি সদয় হয়ে এতকিছু করছেন। সুতরাং সিলেটের উন্নয়নে সবাই মিলেমিশে কাজ করতে হবে।’
সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংবর্ধনার জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এই সিলেট নগরী আপনার-আমার সবার। কে কোন মতের, দলের সেটা দেখার বিষয় নয়। আমরা সবাই সিলেটের- এটাই মূল বিষয়।
‘এখানের ছেলে আমি, আমাদের সবার হৃদয়ে সিলেট। আমার কাছে কেউ কেউ বলেন যে মেয়র অন্য দলের। সুতরাং আপনি ওনার অনেক প্রস্তাব গ্রহণ করবেন না। আমি বলি- সিলেট তো আমারও। মেয়র সাহেবরও। সুতরাং বৃহত্তর সিলেটের মঙ্গলের জন্য সব করতে হবে।’
জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারা বর্জন করলেও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল এই অনুষ্ঠানে অতিথির বক্তৃতা দেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রাস্ট্রির সভাপতি তাহমিন আহমেদ, সিলেট জেলা আইনজীবি সমিতির সভাপতি এ টি এম ফয়েজ এ্যাডভোকেট, সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকবাল সিদ্দিকী, সিলেট জেলা প্রসেক্লাবের সভাপতি আল আজাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল হক ও সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি মুহিত চৌধুরী।
নাগরিক সংবর্ধনায় সিসিকের কাউন্সিলরবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D