স্বাস্থ্যের মালেকের অস্ত্র মামলার রায় আজ

প্রকাশিত: ১১:৩১ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১

স্বাস্থ্যের মালেকের অস্ত্র মামলার রায় আজ

অস্ত্র আইনের মামলায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের গাড়িচালক আব্দুল মালেকের (৬৩) মামলার রায় আজ সোমবার জানা যাবে।

ঢাকা মহানগরের ৪ নম্বর বিশেষ ট্রাইবুনালের বিচারক রবিউল আলম বেলা ২টায় এ মামলার রায় ঘোষণা করবেন।

রায়ে মালেকের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন প্রত্যাশা করছে রাষ্ট্রপক্ষ। অন্যদিকে মালেকের আইনজীবীর প্রত্যাশা তিনি খালাস পাবেন।

এ ট্রাইব্যুনালের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর সালাহউদ্দিন হাওলাদার বলেন, ‘আমরা আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। আশা করছি, তার সর্বোচ্চ সাজা হবে।’

অন্যদিকে মালেকের আইনজীবী শাহীনুর ইসলাম অনি বলেন, ‘রাষ্ট্রপক্ষ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি। আশা করছি, তিনি খালাস পাবেন।’

গত ১৩ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের এ তারিখ ধার্য করে দেয়।

তার আগে গত ৯ সেপ্টেম্বরে আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেছিলেন আসামি মালেক।

গত ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার এক নম্বর মহানগর বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। রাষ্ট্রপক্ষে ১৩ জন সাক্ষীর সবাই আদালতে উপস্থিত হয়ে জবানবন্দি দিয়েছেন। এরপর গত ৬ সেপ্টেম্বর মামলার অবশিষ্ট অংশ বিচারের জন্য ৪ নম্বর বিশেষ ট্রাইবুনালে পাঠানো হয়।

অবৈধ অস্ত্র, জাল নোটের কারবার ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে গত বছর ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকার তুরাগ থানার কামারপাড়া এলাকার বাসা থেকে গাড়িচালক মালেককে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

সে সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন, পাঁচ রাউন্ড গুলি, দেড় লাখ বাংলাদেশী টাকার জাল নোট উদ্ধারের কথা জানানো হয়।

সে ঘটনায় র‌্যাব-১ এর পরিদর্শক (শহর ও যান) আলমগীর হোসেন দুটি মামলা করেন। এরপর মালেককে ১৪ দিন হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।

এর মধ্যে অস্ত্র মামলায় গত ১১ জানুয়ারি মালেকের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব-১ এর এসআই মেহেদী হাসান চৌধুরী। আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে আদালত গত ১১ মার্চ এ মামলার বিচার শুরুর নির্দেশ দেয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, স্বাস্থ্য অধিদফতরের গাড়ি চালক আব্দুল মালেক ওরফে বাদল ‘খুবই প্রভাবশালী’। তিনি বাংলাদেশ সরকারি গাড়িচালক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের কর্মচারী সমিতির সভাপতি হিসেবে প্রায় ২০-২৫ বছর ধরে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

কর্মস্থলে সাংগঠনিক পদবি কাজে লাগিয়ে তিনি ‘বদলি ও নিয়োগ বাণিজ্য করে অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ অর্থের’ মালিক হয়েছেন এবং তিনি ‘জাল টাকার কারবারও’ করতেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে মামলায়।

মালেককে গ্রেফতারের পরদিন দুদক জানায়, আগে থেকেই স্বাস্থ্য অধিদফতরের ‘সীমাহীন দুর্নীতি ও অনিয়মের’ সাথে জড়িত অর্ধশতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করছে দুদক। তাদের মধ্যে গাড়িচালক মালেকও রয়েছেন৷

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট