১৫ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১লা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১১:৫৫ অপরাহ্ণ, মার্চ ৬, ২০২০
বাংলাদেশ দল নিজেদের সবশেষ ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কার মাটিতে স্বাগতিকদের কাছে ৩-০তে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল। এবার ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়েকে ৩-০তে হোয়াইটওয়াশ করল টাইগাররা। প্রথম দুই ম্যাচ জিতে আগেই সিরিজ নিশ্চিত করেছিল স্বাগতিকরা। তবে আজকের ম্যাচটি বাড়তি গুরুত্ব দিয়ে মাঠে নেমেছিল টাইগাররা। লড়াইয়ে নামার আগে তাদের পণ ছিল আজ জিতেই মাঠ ছাড়বে। কারণ আজ যে তাদের প্রিয় অধিনায়ককে জয় উপহার দিতে হবে।
সত্যি তাই হলো। তামিম-লিটনের পর সাইফউদ্দিন-তাইজুলরা ১২৩ রানের বড় এক জয় উপহার দিয়েছে মাশরাফি বিন মর্তুজাকে। প্রথমে ব্যাট করে ৪৩ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৩২২ রান করে বাংলাদেশ। কিন্তু বৃষ্টি আইনে সফরকারীদের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩৪২ রানের। জবাবে খেলতে নেমে ৩৭.৩ ওভারে গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। এতে ১২৩ রানের জয় পায় বাংলাদেশ।
জয় দিয়েই নিজের অধিনায়কত্বের শেষ করলেন মাশরাফি। সে সঙ্গে বিশ্বের ২৫তম অধিনায়ক হিসেবে ৫০তম জয় পেয়েছেন মাশরাফি। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ দল ৮৮টি ম্যাচ খেলে। যেখানে টাইগারদের জয় ৫০টি ম্যাচে।
চরম বিপাকে জিম্বাবুয়ে, জয়ের সুবাতাস পাচ্ছে বাংলাদেশ
লক্ষ্যটা ৩৪২ রানের। কিন্তু ১৭৩ রানেই ৭ উইকেট হারিয়ে চরম বিপাকে জিম্বাবুয়ে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ৩০ ওভারে ১৭৩। হাতে আছে ৩ উইকেট। সিকান্দার রাজা ৩৬ ও ডোনাল্ড তিরিপানো শূন্য রানে ব্যাট করছেন।
জিম্বাবুয়ের সপ্তম উইকেটটি শিকার করেন মুস্তাফিজুর রহমান। ৩০তম ওভারের তৃতীয় বলে মুতোমবোদজিকে (৭) ফেরান তিনি। এর আগে সাইফউদ্দিনের দ্বিতীয় শিকার হন মাধভেরে। লীয় ১৫০ রানের মাথায় পয়েন্টে মেহেদী হাসান মিরাজের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। সাইফউদ্দিনের বলে আউট হওয়ার আগে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৪২ রান করে যান মাধভেরে।
ভয়ংকর চাকাভাকে ফেরালেন তাইজুল
দলকে এক প্রান্ত থেকে টানছিলেন ওপেনার রেজিস চাকাভা। অপর প্রান্তে নিয়মিত ঝরছে উইকেট। অন্যদের আসা-যাওয়ার মাঝে শেষ পর্যন্ত নিজেকে ধরে রাখতে পারলেন না চাকাভা। তাইজুল ইসলামের করা ইনিংসের ২২তম ওভারের প্রথম বলেই সরাসরি বোল্ড হন এই ওপেনার। সাজঘরে ফেরার পূর্বে ৪৫ বলে ১ চারে ৩৪ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ২৪ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৩৪ রান। মাঠে আছেন ওয়েসলে মাধেভের ৩৩ ও সিকান্দার রাজা ১৪।
জিম্বাবুয়ে কাপ্তানকে ফেরালেন অভিষিক্ত আফিফ
মাত্র ২৮ রানে দুই উইকেট হারিয়ে অনেকটা চাপে পড়েছিল জিম্বাবুয়ে। কিন্তু ওপেনার রেজিস চাকাভা ও অধিনায়ক শন উইলিয়ামস তৃতীয় উইকেট জুটিতে সে চাপ সামলে দলকে টানছিলেন। তবে স্কোর বোর্ডে ৪৬ রানের বেশি যোগ করতে পারেননি তারা। দলীয় ৭৪ রানের মাথায় এই জুটি ভাঙেন অভিষিক্ত আফিফ হোসেন ধ্রুব। তিনি সরাসরি বোল্ড করে দেন উইলিয়ামসকে। ৫ চারে ৩০ রান করে যান জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ২১ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১১৩ রান। মাঠে আছেন চাকাভা ৩২ ও মাধেভের ২৩।
এবার সাইফউদ্দিনের আঘাত, দিশেহারা জিম্বাবুয়ে
৩৪২ রানের বিশাল লক্ষ্য। এরইমধ্যে দলীয় ৫ রানে হারিয়েছে প্রথম উইকেট। এতে কিছুটা চাপে পড়ে জিম্বাবুয়ে। তবে চতুর্থ ওভারে দলীয় ২৮ রানে অভিজ্ঞ ব্রেন্ডন টেইলরকে হারিয়ে এবার চরম চাপে পড়েছে আফ্রিকার দেশটি। জিম্বাবুয়ে শিবিরে দ্বিতীয় আঘাত করেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে চতুর্থ বলে শর্ট মিডউইকেটে মোহাম্মদ মিঠুনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন টেইলর। ১৫ বলে ৩ চারে ১৪ রান করে যান তিনি।
ওপেনার রেজিস চাকাভা রানে ৯ ও অধিনায়ক শন উইলিয়ামস ১৫ রানে ব্যাট করছেন।
শুরুতেই জিম্বাবুয়ে শিবিরে মাশরাফির আঘাত
‘মরার উপর খরার ঘা’ বহুল প্রচলিত বাংলা প্রবাদটি মিলে গেল জিম্বাবুয়ের সঙ্গে। একেত বাংলাদেশ দলের দেওয়া রানপাহাড় সামনে তার ওপর আবার যুক্ত হলো বৃষ্টি আইনে ১৯ রান। প্রথমে ব্যাট করে ৪৩ ওভারে তামিম-লিটনের ঝড়ো সেঞ্চুরিতে ৩২২ রান তুলে স্বাগতিকরা। এতে একই ওভারের জিম্বাবুয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩৪২ রানের।
পাহাড় সমান সে লক্ষ্য তাড়া করতে নামেন দুই ওপেনার তিনাশি কামুনহুকামুই ও রেজিস চাকাভা। বল হাতে প্রথম ওভার করতে আসেন বিদায়ী অধিনায়ক মাশরাফি। ইনিংসের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলেই উইকেট তুলে নেন মাশরাফি। দলীয় ৫ রানের মাথায় আগের ম্যাচে অর্ধশতক করা কামুনহুকামুই (৪) ক্যাচ তুলে দেন লিটনের হাতে।
তামিম-লিটনের সেঞ্চুরিতে জিম্বাবুয়ের সামনে রানপাহাড়
আগেই সিরিজ নিশ্চিত করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। তাই বলে কি আজকের ম্যাচে ছাড় দিবে টাইগাররা? মোটেও না! কারণ এই ম্যাচটি যে টাইগারদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূণ। আজকের ম্যাচ দিয়েই সমাপ্তি ঘটছে বাংলাদেশ দলের সবচেয়ে সফল অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার অধিনায়কত্বের অধ্যায়। প্রিয় কাপ্তানকে জয় উপহার দিবে বলে যেন প্রতিজ্ঞা করে মাঠে নেমেছেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও লিটন কুমার দাস। তাই তো দুইজনই তুলে নিয়েছেন ঝড়ো সেঞ্চুরি।
লিটন খেলেছেন দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস। আর তামিম ইকবাল তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের ১৩তম ও সিরিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। দুই জনের ব্যাটে জড়ে ৪৩ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৩২২ রান তুলে টাইগাররা। তবে বৃষ্টি আইনে জিম্বাবুয়ের লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ৩৪২ রান। ৪৩ ওভারে এই রান করতে হবে সফরকারীদের।
১৪৩ বলে ১৬ চার ও ৮ ছক্কায় ১৭৬ করে লিটন আউট হলেও ১০৯ বলে ৭ চার ও ৬ ছক্কায় ১২৮ রানে অপরাজিত ছিলেন দেশ সেরা ওপেনার তামিম ইকবাল। ৩ রান আসে মাহমুদউল্লাহর ব্যাট থেকে আর আফিফ করেন ৭ রান। বল হাতে চার্ল মুম্বা বাংলাদেশের তিনটি উইকেট নেন।
রেকর্ড গড়ে ফিরলেন লিটন
দুই দিন আগেই নিজের ১১ বছর আগের রেকর্ড ভেঙে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস খেলার রেকর্ড গড়েছিলেন দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ১৫৮ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তামিম। তামিমকে সঙ্গে নিয়ে আজ সেই রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন লিটন কুমার দাস। ১৪৩ বল খেলে ১৬টি চার ও ৮ ছক্কায় ১৭৬ রান করে যান। এরপর কার্ল মুম্বার বলে লং অনে সিকান্দার রাজার হাতে ধরা পড়েন। আউট না হলে হয়ত আজ প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ওয়ানডেতে ডাবল সেঞ্চুরিও করে ফেলতে পারতেন লিটন।
লিটন-তামিমে দিশেহারা জিম্বাবুয়ে
লিটন কুমার দাস ও তামিম ইকবালকে রোখার মন্ত্র জানা নেই। ইতোমধ্যে ২৮০ রানের জুটি গড়েছে তারা। তামিম তুলে নিয়েছে ক্যারিয়ারের ১৩তম সেঞ্চুরি। লিটন দ্বিতীয় সেঞ্চুরির পাশাপাশি তামিমকে টপকে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ইনিংস খেলেছেন। তামিম ১১০ রানে অপরাজিত, লিটন রানে ১৭০।
তামিমের টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি, কাঁপছে জিম্বাবুয়ে
দীর্ঘদিন ধরে অফ ফর্ম নিয়ে ভুগছিলেন দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল খান। নিজেকে ফিরে পেতে চেষ্টার কমতি রাখেননি। তবে কোনো কিছুতেই ফল মিলছিল না। সবশেষ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে নিজেকে যখন ফিরে পেলেন তখন ভাঙলেন একের পর এক রেকর্ড। প্রায় দীর্ঘ পৌনে দুই বছর পর মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি করেন তামিম ইকবাল। খেলেছেন ক্যারিয়ার সেরা ১৫৮ রানের ইনিংস। দুই দিনের মাথায় আবারও সেঞ্চুরির দেখা পেলেন তিনি। যা তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১৩তম সেঞ্চুরি।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে ম্যাচের ৩৮তম ওভারের দ্বিতীয় বলে সিঙ্গেল নিয়ে সেঞ্চুরি করেন তামিম। ৯৮ বলে ৬ চার ও ৪ ছক্কায় সেঞ্চুরি তুলেন নেন দেশ সেরা এই ওপেনার। এর আগে সেঞ্চুরি করেন লিটনও। দুই জনে গড়েছেন দেশের ইতিহাসে সেরা জুটি।
প্রথমবার উইকেট না হারিয়ে বাংলাদেশের ২০০
বাংলাদেশের হয়ে এতেদিন ওপেনিংয়ে সর্বোচ্চ রানের জুটি ১৭০ রান। ২১ বছর আগে মেহরাব হোসেন অপি ও শাহরিয়ার হোসেন বিদ্যুৎ গড়েছিলেন সেটি। আজ সে রেকর্ড ভাঙলেন তামিম ইকবাল ও লিটন দাস। সে সঙ্গে প্রথমবার বিনা উইকেটে বাংলাদেশের ওপেনিং জুটিতে ২০০ রান এসেছে। ৩৪তম ওভারের শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে এই রেকর্ড গড়েন লিটন। ১২১ রানে অপরাজিত এই ওপেনার। তার সঙ্গে ৯৩ রানে ব্যাট করছেন তামিম ইকবাল।
বৃষ্টিতে ওভার কমে খেলা শুরু
বৃষ্টি বন্ধ হওয়ার পর সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে মাঠ পরিদর্শন করেছেন আম্পায়াররা। পরিদর্শন শেষে সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে ম্যাচ শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। ১০ ওভার ব্যাটিং করতে বাংলাদেশ আবার মাঠে নামবে। কারণ উভয় দল ৪৩ ওভার করে ব্যাট করার সুযোগ পাবে।
বৃষ্টি বন্ধ, খেলা শুরুর অপেক্ষা
তামিম ইকবাল ও লিটন দাসের দুর্দান্ত ব্যাটিং প্রদর্শনীতে বিশাল সংগ্রহের পথে এগোচ্ছিল বাংলাদেশ দল। কিন্তু হঠাৎই বাধ সেধেছে বৃষ্টি। আশার খবর, থেমেছে বৃষ্টি। মাঠ থেকে কভারও সরানো হয়েছে। এখন শুধু ম্যাচ শুরুর অপেক্ষায় প্রহর গুণছেন দর্শকরা। টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে শুরু থেকেই দারুণ খেলতে থাকেন দুই ওপেনার। উদ্বোধনী জুটিতে ৩৩.২ ওভারে ১৮২ রান তুলে অবিচ্ছিন্ন রয়েছেন দুইজন। এরপরই নামে বৃষ্টি। ১১৬ বলে ১০২ রানে ব্যাট করছেন লিটন, অপরপ্রান্তে তামিমের সংগ্রহ ৭৯ রান।
বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ
তামিম-লিটনের দেশসেরা ওপেনিং জুটিতে বড় স্কোরের পথে এগোচ্ছে বাংলাদেশ। ইতোমধ্যে সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছে লিটন কুমার দাস। সেঞ্চুরি থেকে ২১ রান পিছিয়ে তামিম ইকবাল। কিন্তু এরমধ্যে বেরসিক বৃষ্টি এসে হানা দিয়েছে। ৩৩.২ ওভারের মাথায় বৃষ্টি আসার কারণে খেলা আপাতত বন্ধ রয়েছে। বৃষ্টির আগ পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ১৮২ রান।
লিটনের সেঞ্চুরিতে বড় স্কোরের পথে বাংলাদেশ
প্রথম ম্যাচে খেলেছিলেন অপরাজিত ১২৬ রানের ইনিংস। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে দুর্ভাগ্যজনকভাবে রান আউট হয়েছিলেন লিটন কুমার দাস। আর সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে তুলে নিয়েছেন নিজ ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি। সে সঙ্গে ওয়ানডেতে এক হাজার রানের ক্লাবেও প্রবেশ করেছেন লিটন। ৩৩তম ওভারের পঞ্চম বলে শন উইলিয়ামসকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৯৬ থেকে ১০০ তে পৌঁছান লিটন। ১১৪ বল খেলে ১৩টি চারের সাহায্যে তিন অঙ্কের ম্যাজিক্যাল ফিগারে পৌঁছান তিনি। প্রথমটি করেছিলেন ২০১৮ এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে।
২১ বছর আগের রেকর্ড ভাঙলেন তামিম-লিটন
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুর্দান্ত ব্যাটিং করছেন তামিম ইকবাল ও লিটন কুমার দাস। ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালিয়ে এ দুইজন গড়ে তুলেছেন ওয়ানডে ইতিহাসে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ওপেনিং জুটি।
লিটন ও তামিম এ রেকর্ড গড়তে ভেঙেছেন ২১ বছরের পুরনো জুটি। এর আগে ১৯৯৯ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মিরপুরে ১৭০ রানের ওপেনিং জুটি গড়েছিলেন শাহরিয়ার হোসেন ও মেহরাব হোসেন। সে ম্যাচে শাহরিয়ার হোসেন করেছিলেন ৬৮ ও মেহরাব হোসেন করেছিলেন ১০১ রান।
তামিম ও লিটন এ ম্যাচে এখন পর্যন্ত ৩৩.২ ওভারে তুলেছেন ১৮২ রান। যেকোনো উইকেটেই এটি বাংলাদেশের পঞ্চম সর্বোচ্চ জুটি। চতুর্থ স্থানে থাকা সাকিব ও লিটনের ১৮৯ রানের জুটিকেও চোখ রাঙাচ্ছেন এ দুইজন। এছাড়া বাংলাদেশের যেকোনো উইকেটে সর্বোচ্চ জুটি সাকিব ও মাহমুদউল্লাহর। এ দুইজন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পঞ্চম উইকেটে গড়েছিলে ২২৪ রানের জুটি। সে জুটি ভেঙে সর্বোচ্চ জুটির রেকর্ড গড়ার হাতছানি তামিম ও লিটনের সামনে।
দেড়শ রানের ওপেনিং জুটি গড়ে তুললেন তামিম-লিটন
মাশরাফির বিদায়ী ম্যাচকে স্মরণীয় করে রাখতে যেন সর্বোচ্চ চেষ্টাই করছেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও লিটন। ওপেনিং জুটিতেই তারা এখন পর্যন্ত ১৬৩ রান তুলেছেন। দুইজনই এগোচ্ছেন সেঞ্চুরির দিকে। এছাড়া ১৯৯৯ সালে গড়া শাহরিয়ার হোসেন ও মেহরাব হোসেনের ওপেনিং জুটিতে রেকর্ড ১৭০ রানের পার্টনারশিপ ভাঙার দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন তারা।
লিটনের পর তামিমের হাফসেঞ্চুরি
শুরুতে ধীরগতিতে ব্যাট করলেও দ্রুত মারমুখী ব্যাটিং শুরু করেন তামিম ইকবাল। ৩টি চার ও ছক্কায় ক্যারিয়ারের ৪৮তম হাফসেঞ্চুরি তুলে দেন দেশসেরা ওপেনার। লিটনকে নিয়ে সিরিজে প্রথমবারের মতো তামিম যোগ করেন শতরানের জুটি।
লিটনের হাফসেঞ্চুরি
ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকে জিম্বাবুয়ে বোলারদের পেটাতে থাকেন লিটন দাস। অপরপ্রান্তে শুরুতে ধীরগতিতে ব্যাট করছেন তামিম। আট ওভার চার বলে দুজনে গড়েন ৫০ রানের জুটি। আর প্রথম পাওয়ার প্লে অর্থাৎ ১০ ওভার শেষে স্কোরবোর্ডে তোলে বিনা উইকেটে ৫৩ রান। ইনিংসের ১৬তম ওভারে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন লিটন দাস। ৭টি চারের সাহায্যে এটি তার ক্যারিয়ারের চতুর্থ হাফসেঞ্চুরি।
দারুণ শুরু বাংলাদেশের
গত দুই ম্যাচে দারুণ ব্যাট করেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও লিটন দাস। দুজনই এ সিরিজে ক্যারিয়ার সেরা স্কোরের দেখা পেয়েছেন। প্রথম ম্যাচে লিটন ১২৬ ও পরের ম্যাচে তামিম করেন ১৫৮ রান। তৃতীয় ওয়ানডেতেও দুজনের চাওয়া কেউ একজন দলের হাল ধরুক। তাইতো বেশ আস্থার সঙ্গে ব্যাট করছেন তারা।
নাঈম-আফিফের অভিষেক, চার পরিবর্তন বাংলাদেশের
চারটি পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। অভিষেক হয়েছে নাঈম শেখ ও আফিফ হোসেনের। চোটের কারণে এ ম্যাচে নেই নাজমুল হোসেন শান্ত। তার বদলে জায়গা পেলেন নাঈম শেখ। আর বিসিবির চাওয়া অনুযায়ী পাকিস্তানের বিপক্ষে দল সাজাতে এ ম্যাচে মুশফিককে একাদশের বাইরে রাখা হয়েছে। কারণ পাকিস্তান সফরে যাবেন না এ অভিজ্ঞ ডানহাতি ব্যাটসম্যান। তার জায়গায় খেলছেন আফিফ হোসেন ধ্রুব।
এছাড়া বোলিং ইউনিটে গত ম্যাচের একাদশ থেকে বাদ পড়েছেন আল-আমিন ও শফিউল ইসলাম। তাদের বদলে একাদশে ফিরেছেন সাইফউদ্দিন ও মুস্তাফিজুর রহমান। এ দিকে, জিম্বাবুয়ে আগের একাদশ নিয়ে মাঠে নেমেছে।
বাংলাদেশ একাদশ : তামিম ইকবাল, লিটন কুমার দাস (উইকেটরক্ষক), নাঈম শেখ, মোহাম্মদ মিঠুন, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, আফিফ হোসেন, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মেহেদী হাসান মিরাজ, মাশরাফি বিন মর্তুজা, তাইজুল ইসলাম ও মুস্তাফিজুর রহমান।
জিম্বাবুয়ে একাদশ : তিনাশি কামুনহুকামুই, রেজিস চাকাভা, ব্রেন্ডন টেইলর, শন উইলিয়ামস (অধিনায়ক), রিচমন্ড মুতুম্বামি (উইকেটরক্ষক), ওয়েসলে মাধেভের, সিকান্দার রাজা, চার্লটন টিশুমা, টিনোটেন্ডা মুতোমবোদজি, ডোনাল্ড তিরিপানো ও চার্ল মুম্বা।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D