১১ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৮শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৫:২৮ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৫, ২০১৯
ভারতীয় হাই কমিশনার শ্রীমতি রীভা গাঙ্গুলী দাস বলেছেন, ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় কয়েকটি রাজ্যের সাথে সিলেটের ব্যবসা বাণিজ্যের সু-সম্পর্ক রয়েছে। এ ব্যবসা বাণিজ্য আরও তরান্বিত করতে বাংলাদেশ-ভারত দুই দেশ একযোগে কাজ করছে। প্রয়োজনীয় স্থানে সীমান্ত হাট হচ্ছে। সিলেট বিভাগ ছাড়াও বাংলাদেশের যে কোন স্থানে সার্বিক উন্নয়নে ভারত সহায়তা দিচ্ছে এবং ভবিষ্যতে আরও দিয়ে যাবে। এভাবেই দুই দেশ আরও কাছাকাছি আসতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের এখন সোনালী অধ্যায় চলছে। বাংলাদেশের মাঝে সিলেট বিভাগ একটি গরুত্বপূর্ণ স্থান। এই সিলেটের সাথে ভারতের আসাম, মেঘালয় ও ত্রিপুরার সীমান্ত রয়েছে। এই তিন রাজ্যের সাথে সিলেটের ভাষা, সংস্কৃতি ও সামাজিকতায় সুনিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। ফলে প্রয়োজনীতা উপলব্ধি করেই সিলেটে একটি ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র চাল করা হয়েছে।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের তিলকপুরে সরকারী সার্বজনিন পূজামন্ডপের নবনির্মিত দ্বিতল ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার শ্রীমতি রীভা গাঙ্গুলী দাস উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
তিলকপুর সরকারী সার্বজনিন পূজা মন্ডপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মণিপুরী সমাজ কল্যাণ সংস্থার প্রাক্তন সভাপতি সালিয়া সিংহের সভাপতিত্বে ও মনা সিনহার পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার রিভা গাঙ্গুলী দাস।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- সিলেটে নিযুক্ত ভারতীয় ডেপুটি হাই কমিশনার ডি.কে. কৃষ্ণমূর্তি, মণিপুরী সমাজ কল্যাণ সংস্থার সভাপতি আনন্দ মোহন সিংহ, আলীনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফজলুল হক, কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা ও সিলেটস্থ ভারতীয় হাই কমিশনের কর্মকর্তাবৃন্দ। ভারতীয় হাই কমিশনের সহায়তায় ২ কোটি ৫৩ লাখ টাকা ব্যয়ে তিলকপুরে সরকারী সার্বজনিন পূজামন্ডপের নবনির্মিত দ্বিতল ভবনের উদ্বোধন করা হয়।
এর আগে ভারতীয় হাই কমিশনার তিলকপুর সরকারী সার্বজনিন পূজা মন্ডপ প্রাঙ্গনে আসলে ফুল দিয়ে তাকে বরণ করেন মণিপুরী মহিলারা। এরপর তিনি ভারতীয় হাই কমিশনার ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে ভবনের উদ্বোধন করেন।
পবিত্র গীতা পাঠের পর স্বাগত বক্তব্য রাখেন, তিলকপুর সরকারি চাকুরীজীবি সার্বজনিন পূজা মন্ডপ কমিটির সভাপতি স্বপন কুমার সিংহ।
ভারতীয় হাই কমিশনার আরও বলেন, দুই দেশ আরও কাছাকাছি এসে দুই দেশের সামাজিকতা, সংস্কৃতি ও ব্যবসা বাণিজ্যে আরও উন্নয়ন সম্ভব। সিলেট বিভাগে বহু ভাষাভাষী মানুষজনের বসবাস। তাদের রয়েছে নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি। এ সংস্কৃতির সুষ্ঠু বিকাশে ভারত সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে আসছে। তার ফলশ্রুতিতে ভারতীয় হাই কমিশন কমলগঞ্জে কয়েকটি কমপ্লেক্স নির্মাণ করে দিয়েছে।
এর আগে সকাল ১১টায় আদমপুর ইউনিয়নের ঘোড়ামারা গ্রামে ৫৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ভারতীয় সহায়তায় মণিপুরী থিয়েটারের নির্মাণাধীন স্টোডিও নটমন্ডপ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শণ করেন ভারতীয় হাই কমিশনার শ্রীমতি রিভা গাঙ্গুলী দাস।
সবশেষে মণিপুরী ঐতিহ্যবাহী মৃদঙ্গ বাজন, হলি কীর্তন লীলা, রাধা কৃষ্ণের লীলা রাখাল নৃত্য পরিবেশ করা হয়।
ভারতীয় হাই কমিশনার শ্রীমতি রিভা গাঙ্গুলী দাস বলেন তিনি ও তার সফল সঙ্গীরা এই পরিবেশনা দেখে মুগ্ধ।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D