গোলাপগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধার নামে গেইটের নামকরণ না করায় এলাকায় উত্তেজনা

প্রকাশিত: ১০:২২ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৯, ২০২৫

গোলাপগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধার নামে গেইটের নামকরণ না করায় এলাকায় উত্তেজনা

সিলেটের গোলাপগঞ্জের রানাপিংয়ের কারখানা বাজার সম্মূখভাগে সরকারী রাস্তার ওপর গেইটে ‘মুক্তিযোদ্ধা গেইট’ নামকরণ না করায় এলাকায় দু’পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। বর্তমানে উভয় পক্ষ রয়েছেন মূখেমূখি অবস্থানে। এনিয়ে যেকোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা করছেন এলাকাবাসী। বিষয়টির প্রতিকার চেয়ে এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে গঠন করা হয়েছে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের রানাপিংয়ের কারখানা বাজারের সম্মুখভাগে সড়ক ও জনপদের রাস্তার ওপর গেইট নির্মাণের উদ্যোগ নেয় এলাকার একটি পক্ষ। এর প্রেক্ষিতে এলাকার ওপর আরেকটি পক্ষ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলটন চন্দ্র পালের কাছে ২০২৪ সালের ৪ নভেম্ভর একটি আবেদন করেন। আবেদন পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের কাছে তা প্রেরণ করেন। পরে ইউনিয়নের মাসিক সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয় গেইটের নাম হবে ‘মুক্তিযোদ্ধা গেইট’।

পরে গেইট নির্মাণে ইউনিয়ন পরিষদের মাসিক সভার সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে প্রতিপক্ষ গেইটের নাম দেয় ‘স্বাগতম ছত্রিশ’। এসময় প্রতিপক্ষ লেকজন বাধা দিলে দুইপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।

আবেদনে বলা হয়, কয়েকটি বাড়ী নিয়ে ছত্রিশ গ্রাম গঠিত। অথচ শেরপুরসহ কয়েকটি গ্রামকে উপেক্ষা করা হয়েছে। এই গ্রামগুলোর মধ্যে রয়েছে শেরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কারখানাবাজার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, শেরপুর মহিলা মাদ্রাসা, শেরপুর শাহী ঈদগাহ। এছাড়াও শেরপুর গ্রামে রয়েছে ৩টি জামে মসজিদ।

আবেদনের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন।

এদিকে ইউনিয়ন পরিষদের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে পার্শ্ববর্তী কয়েকটি গ্রাম বাদ দিয়ে একটি গ্রামের নামে গেইট নির্মাণের বাধা দেন এলাকাবাসী। এতে ২৯ জানুয়ারী দুইপক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েলে আহত হন এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি। এনিয়ে বর্তমানে দু’পক্ষের লেকজনদের মধ্যে বিরাজ করছে চরম উত্তেজনা। বর্তমানে উভয় পক্ষ রয়েছেন মুখোমুখি অবস্থানে। ফলে যেকেন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা করছেন এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলটন চন্দ্র পাল বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। আমার কাছে আবেদনের পর ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। উভয় পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করে বিষয়টি সমাধান করা হবে।


 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট