ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খুনের আসামি সিলেটে স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার

প্রকাশিত: ১০:১২ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৪, ২০২৪

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খুনের আসামি সিলেটে স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সোহেল রানা নামের একজনকে হত্যা করে পালিয়ে সিলেটে এসেও শেষ রক্ষা হয়নি খলিল মিয়ার (৩৬)। শেষ পর্যন্ত র‌্যাবের হাতে স্ত্রী সহ ধরা দিতে হলো তাকে।

শনিবার (২৩ মার্চ) বিকাল সাড়ে চারটার দিকে সিলেটের জৈন্তাপুর থেকে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার প্রধান আসামী খলিল মিয়াকে স্ত্রীসহ গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-৯।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ থানার আড়াইসিধা রঙ্গিলা বাড়ীর খলিল মিয়া (৩৬) ও এই মামলার অপর আসামী তার স্ত্রী আকলিমা বেগম (২৮)।

রোববার (২৪ মার্চ) বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব জানায়, গত ১০ ফেব্রুয়ারি বিকাল আনুমানিক সাড়ে চারটার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ থানা এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভিকটিম সোহেল রানার বাবার সাথে বিবাদী পক্ষের লোকজনের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে বিবাদীরা ভিকটিমের বাবাকে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করলে ভিকটিম তার বাবার চিৎকার শুনে এগিয়ে আসলে বিবাদীরা ভিকটিমকেও এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর জখম করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

পরে পরিবারের লোকজন ভিকটিমকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসারত অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এই ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ২/৩ জনের নামে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ থানায় গত ১৩ ফেব্রুয়ারি একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি মিডিয়ার মাধ্যমে ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ দেশব্যাপী ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। এরই প্রেক্ষিতে আসামীদের আইনের আওতায় আনতে র‌্যাব-৯ চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকান্ডের ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।

এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯, সিপিএসসি এবং সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যৌথ অভিযানে সিলেটের জৈন্তাপুর থেকে চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার প্রধান আসামী খলিল মিয়াকে তার স্ত্রীসহ গ্রেফতার করা হয়।

র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার সহকারী পুলিশ সুপার মশিহুর রহমান সোহেল জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অন্যান্য পলাতক আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‌্যাব-৯ এর চলমান গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।