|
প্রকাশিত: ১২:৩৬ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৪, ২০২৬
হক মোঃ ইমদাদুল : প্রগতির প্রকৃত মূল্য কোথায়?
সভ্যতার ইতিহাস মূলত মানুষের প্রয়োজন পূরণের ইতিহাস। সেই প্রয়োজন থেকেই মানুষ আগুনকে কাজে লাগিয়েছে, কৃষির সূচনা করেছে, নদীর গতিপথ নিয়ন্ত্রণ করেছে, নগর গড়েছে, শিল্প প্রতিষ্ঠা করেছে এবং প্রযুক্তিকে জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত করেছে। মানুষের এই অগ্রযাত্রা থেমে থাকার নয়। কিন্তু প্রয়োজনের সঙ্গে দায়িত্বের সম্পর্ক ছিন্ন হলে প্রগতিই একসময় মানুষের অস্তিত্বকে প্রশ্নের মুখে ফেলে। আজ প্রকৃতি, প্রয়োজন ও প্রজন্মকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই। মানুষের প্রতিটি বড় প্রয়োজনের পেছনে প্রকৃতির কোনো না কোনো সম্পদ রয়েছে, আর আজকের সিদ্ধান্তগুলোই নির্ধারণ করছে আগামী প্রজন্ম কেমন পৃথিবীতে বসবাস করবে।
উন্নয়ন ছাড়া কোনো সমাজ এগোতে পারে না। খাদ্য, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা, যোগাযোগ ও কর্মসংস্থানের জন্য অবকাঠামো, শিল্প ও প্রযুক্তির প্রয়োজন অনস্বীকার্য। কিন্তু উন্নয়নের নামে প্রকৃতি থেকে কতটা গ্রহণ করছি, তার বিনিময়ে কতটা ফিরিয়ে দিচ্ছি এবং ভবিষ্যতের জন্য কী রেখে যাচ্ছি—সেই হিসাবও সমান গুরুত্বপূর্ণ। একটি সড়ক, সেতু কিংবা শিল্পকারখানা অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে; কিন্তু তার নির্মাণ ও পরিচালনা যদি নদী, জলাভূমি, বন কিংবা কৃষিজমির স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট করে, তবে সেই উন্নয়নের সুফল ও মূল্যায়ন—দুটিই নতুন করে বিবেচনা করা প্রয়োজন। কারণ প্রকৃতির ক্ষতির পরিণতি অনেক সময় তাৎক্ষণিকভাবে দৃশ্যমান হয় না; তা ধীরে ধীরে অর্থনীতি, জনজীবন ও পরিবেশের ওপর প্রভাব ফেলে।
প্রয়োজনের সঙ্গে ভোগের পার্থক্য
মানুষের প্রয়োজনের কোনো বিকল্প নেই, কিন্তু প্রয়োজন আর অতিরিক্ত ভোগ এক বিষয় নয়। এই পার্থক্য বুঝতে না পারলে উন্নয়নের গতি শেষ পর্যন্ত নিজের ভিত্তিকেই দুর্বল করে। খাদ্য উৎপাদনের জন্য কৃষিজমি অপরিহার্য; অথচ মাটির দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতা উপেক্ষা করে উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা খাদ্যনিরাপত্তাকেই ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে। শিল্পের জন্য পানি প্রয়োজন, কিন্তু অপরিশোধিত বর্জ্য নদীতে মিশলে তা মানুষের স্বাস্থ্য ও জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি হয়ে ওঠে। নগরায়ণের জন্য জমি দরকার, কিন্তু জলাধার ও জলাভূমি সংকুচিত করে অপরিকল্পিত নগর গড়ে তুললে সামান্য বৃষ্টিও নাগরিক জীবনে বড় দুর্ভোগের কারণ হতে পারে।
কোনো প্রকল্পের অর্থনৈতিক মূল্যায়নে সাধারণত প্রত্যক্ষ আয়, ব্যয় ও কর্মসংস্থানের হিসাব গুরুত্ব পায়। অথচ পরিবেশের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব অনেক ক্ষেত্রেই সেই হিসাবের বাইরে থেকে যায়। প্রকল্পের কারণে নদী দূষিত হলে, কৃষিজমি নষ্ট হলে কিংবা মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়লে তার আর্থিক ও সামাজিক বোঝা শেষ পর্যন্ত সমাজকেই বহন করতে হয়। তাই প্রকল্পের লাভ নির্ধারণে শুধু তাৎক্ষণিক আয় নয়, পরিবেশ ও জনজীবনের ওপর সৃষ্ট পরোক্ষ ব্যয়ও বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।
প্রকৃতি কোনো সীমাহীন ভাণ্ডার নয়
দীর্ঘদিন ধরে মানুষের অর্থনৈতিক চিন্তায় প্রকৃতিকে প্রায় সীমাহীন সম্পদের উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। বন আছে, তাই কাঠ পাওয়া যাবে; নদী আছে, তাই পানি পাওয়া যাবে; মাটি আছে, তাই উৎপাদন চলবে; সমুদ্র আছে, তাই মাছ পাওয়া যাবে। কিন্তু প্রকৃতির নিজস্ব পুনরুৎপাদনক্ষমতা ও সহনশীলতার সীমা রয়েছে। সেই সীমা অতিক্রম করলে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হয়, আর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবেশকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন পড়ে।
ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যাওয়া, মাটির উর্বরতা হ্রাস, বনভূমি সংকুচিত হওয়া কিংবা জীববৈচিত্র্য হারিয়ে যাওয়া—এসব বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের ভারসাম্যহীনতারই লক্ষণ। বাংলাদেশের নদী ও জলাভূমির দিকে তাকালেও বিষয়টি স্পষ্ট হয়। নদী কেবল পানির প্রবাহ নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে কৃষি, মৎস্য, জীবিকা, যোগাযোগ এবং একটি অঞ্চলের স্বাভাবিক পরিবেশ। জলাভূমিও অনাবাদি জমি নয়; বৃষ্টির পানি ধারণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণে এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এসব প্রাকৃতিক সম্পদের গুরুত্ব কেবল জমির বাজারদর দিয়ে নির্ধারণ করা যায় না।
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অধিকার
আমরা যে পৃথিবীতে বাস করছি, তা কোনো এক প্রজন্মের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। আগের প্রজন্মের কাছ থেকে আমরা প্রকৃতিকে উত্তরাধিকার হিসেবে পেয়েছি; আমাদের পরবর্তী প্রজন্মও এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকার সমান অধিকার নিয়ে জন্মাবে। তাদের জন্য শুধু উন্নত প্রযুক্তি, বড় শহর কিংবা অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি রেখে গেলেই আমাদের দায়িত্ব শেষ হবে না। বিশুদ্ধ পানি, নিরাপদ খাদ্য, নির্মল বাতাস এবং বসবাসযোগ্য পরিবেশও তাদের ন্যায্য প্রাপ্য।
বর্তমানের সুবিধার জন্য ভবিষ্যতের সম্পদ নিঃশেষ করে ফেলা একধরনের অসম বণ্টন। আজকের মানুষ যদি প্রকৃতির ক্ষতি করে, তবে সেই ক্ষতির পুরো মূল্য বর্তমান প্রজন্মকে দিতে হয় না। অনেক সময় তার ভার এসে পড়ে এমন মানুষের ওপর, যারা এসব সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় পৃথিবীতেই আসেনি। তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে কেবল আমাদের উত্তরাধিকারী হিসেবে দেখলে চলবে না; তাদের অধিকারও বর্তমানের সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় বিবেচনায় রাখতে হবে।
জ্ঞান থেকে দায়িত্বশীল চর্চা
আজকের তরুণ প্রজন্ম তথ্য ও প্রযুক্তির এমন এক সময়ে বেড়ে উঠছে, যখন পরিবেশগত সংকট সম্পর্কে জানার সুযোগ আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি। জলবায়ু পরিবর্তন, দূষণ, বন উজাড় কিংবা জীববৈচিত্র্য নিয়ে গবেষণা ও তথ্য সহজেই পাওয়া যায়। কিন্তু তথ্য জানা আর দায়িত্ব পালন করা এক বিষয় নয়। পরিবেশের প্রতি সচেতনতা তখনই অর্থবহ হয়ে ওঠে, যখন তা ব্যক্তিগত অভ্যাস, সামাজিক আচরণ ও নীতিনির্ধারণে প্রতিফলিত হয়।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিবেশবিষয়ক পাঠ শুধু পরীক্ষার বিষয় হয়ে থাকলে তার উদ্দেশ্য পূরণ হয় না। শিক্ষার্থীদের স্থানীয় নদী, জলাশয় কিংবা সবুজ এলাকার অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে দেওয়া, বর্জ্য পৃথকীকরণ শেখানো এবং বিদ্যালয়ে পানি ও বিদ্যুতের ব্যবহার পর্যালোচনার সুযোগ তৈরি করা যেতে পারে। এতে পরিবেশ শিক্ষা বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তব অভিজ্ঞতার অংশ হয়ে উঠবে। পরিবার ও গণমাধ্যমও দৈনন্দিন জীবনে অপচয় কমানো, পুনর্ব্যবহার এবং দায়িত্বশীল ভোগের অভ্যাস গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে পরিবেশ রক্ষার সব দায় ব্যক্তির ওপর চাপিয়ে দিলে চলবে না। নাগরিক সচেতনতার পাশাপাশি রাষ্ট্রের কার্যকর নীতি, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জবাবদিহি এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ অপরিহার্য। পরিবেশগত প্রভাব যাচাই, দূষণসংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ এবং আইন প্রয়োগে স্বচ্ছতা ও সমতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বশীলতা গড়ে তোলা সম্ভব। নাগরিকের সচেতন উদ্যোগ ও রাষ্ট্রীয় জবাবদিহি পরস্পরের পরিপূরক; একটির অভাবে অন্যটির কার্যকারিতা সীমিত হয়ে পড়ে।
উন্নয়ন ও প্রকৃতি পরস্পরের প্রতিপক্ষ নয়
পরিবেশ রক্ষার আলোচনা অনেক সময় এমনভাবে উপস্থাপিত হয়, যেন প্রকৃতি বাঁচাতে হলে উন্নয়ন থামিয়ে দিতে হবে। বাস্তবে বিষয়টি এত সরল নয়। উন্নয়ন প্রয়োজন, কিন্তু সেই উন্নয়ন কতটা দূরদর্শী এবং তার সুফল ও ব্যয় কীভাবে বণ্টিত হচ্ছে, সেটিই মূল বিবেচনা। পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, শক্তিসাশ্রয়ী প্রযুক্তি, আধুনিক গণপরিবহন, পানির পুনর্ব্যবহার, বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর, টেকসই কৃষি এবং পরিবেশবান্ধব নির্মাণ—এসব উদ্যোগ দেখায় যে প্রযুক্তি ও প্রগতি প্রকৃতির প্রতিপক্ষ হতে বাধ্য নয়। সঠিক পরিকল্পনা ও বিনিয়োগের মাধ্যমে উন্নয়নই পরিবেশ সুরক্ষার কার্যকর হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে।
তবে এ জন্য শুধু সদিচ্ছা যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন সুস্পষ্ট পরিকল্পনা ও তার কার্যকর বাস্তবায়ন। শহরে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমানো সম্ভব। নতুন আবাসন বা শিল্প প্রকল্প অনুমোদনের আগে জলাধার, প্রাকৃতিক পানিপ্রবাহ ও সবুজ এলাকার ওপর সম্ভাব্য প্রভাব যাচাই করতে হবে। শিল্পকারখানার বর্জ্য শোধনাগার কাগজে-কলমে থাকলেই চলবে না; সেগুলো নিয়মিত সচল রাখা এবং নির্গত বর্জ্যের মান পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। দূষণের প্রমাণ পাওয়া গেলে দায়ী প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। পরিবেশবিষয়ক আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের আকার, প্রভাব কিংবা আর্থিক সামর্থ্য যেন বৈষম্যের কারণ না হয়, সেটিও নিশ্চিত করা জরুরি।
কৃষি ও নগর পরিকল্পনায় পরিবেশের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি। ফসলের আবর্তন, জৈব উপাদানের ব্যবহার ও পানি সাশ্রয়ী সেচপদ্ধতি মাটির উর্বরতা ধরে রাখতে সহায়তা করতে পারে। অন্যদিকে, শহরে জলাধার ও খোলা জায়গা সংরক্ষণ, গাছ লাগানো, হাঁটার উপযোগী পথ এবং নির্ভরযোগ্য গণপরিবহন সম্প্রসারণ নাগরিক জীবনকে আরও বাসযোগ্য করে তুলতে পারে। বর্জ্য পৃথকীকরণ, পুনর্ব্যবহার এবং জৈব বর্জ্য থেকে কম্পোস্ট তৈরির মতো ব্যবস্থাও সম্পদের অপচয় কমিয়ে পরিবেশের ওপর চাপ হ্রাস করতে পারে।
তবে এসব পরিবর্তন কেবল বিচ্ছিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে সম্ভব নয়। পরিবার, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রকে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে। ব্যক্তিগত পর্যায়ে পানি ও বিদ্যুতের অপচয় কমানো এবং একবার ব্যবহারযোগ্য পণ্যের ব্যবহার সীমিত করার পাশাপাশি শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে উৎপাদনপ্রক্রিয়ায় সম্পদের সাশ্রয় ও পরিবেশগত প্রভাবের বিষয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। আর এসব প্রচেষ্টাকে স্থায়ী রূপ দিতে রাষ্ট্রীয় নীতি, নিয়মিত তদারকি ও আইনের ধারাবাহিক প্রয়োগ অপরিহার্য।
উন্নয়নের পরিকল্পনার শুরুতেই পরিবেশগত প্রভাব বিবেচনায় নিলে পরবর্তী সময়ে ক্ষতি সামাল দেওয়ার ব্যয় ও দুর্ভোগ কমানো সম্ভব। একটি প্রকল্পের সাফল্য তাই শুধু কত দ্রুত নির্মাণ শেষ হলো বা কত আয় হলো, তা দিয়ে বিচার করা উচিত নয়; তার সামাজিক ও পরিবেশগত পরিণতিও মূল্যায়নের অংশ হওয়া প্রয়োজন। যে উন্নয়ন মানুষের বর্তমান প্রয়োজন মেটাতে গিয়ে ভবিষ্যতের জীবনধারণের ভিত্তি দুর্বল করে, তাকে পূর্ণাঙ্গ উন্নয়ন বলা যায় না।
প্রগতির অর্থ নতুন করে ভাবার সময়
প্রকৃতি মানুষের প্রয়োজন পূরণ করে, কিন্তু তারও নিজস্ব ভারসাম্য ও পুনর্গঠনের সময় রয়েছে। এই সত্য অস্বীকার করে কোনো সভ্যতা দীর্ঘদিন এগিয়ে যেতে পারে না। আমাদের সামনে এখন প্রশ্নটি শুধু কত দ্রুত উন্নয়ন করা সম্ভব, তা নয়; বরং সেই উন্নয়ন কতটা স্থায়ী, কতটা ন্যায়সংগত এবং আগামী দিনের জন্য কতটা নিরাপদ।
আমরা কি শুধু বর্তমানের প্রয়োজন মেটাব, নাকি সেই প্রয়োজনের সঙ্গে দায়িত্বও পালন করব? প্রগতির সুফল ভোগ করার পাশাপাশি তার পরিণতিও কি বিবেচনায় রাখব? ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সম্পদ রেখে যাব, নাকি রেখে যাব শুধু সম্পদের স্মৃতি?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তরই আগামী দিনের সভ্যতার চরিত্র নির্ধারণ করবে। কারণ সভ্যতার শ্রেষ্ঠত্ব প্রকৃতিকে কত দ্রুত জয় করা গেছে, তার মধ্যে নয়; বরং প্রকৃতির সঙ্গে সহাবস্থান করে কত দূর এগোনো সম্ভব হয়েছে, তার মধ্যেই নিহিত। প্রকৃতিকে পরাজিত করে কোনো প্রজন্ম দীর্ঘদিন বিজয়ী থাকতে পারে না। প্রকৃতিকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যাওয়াই মানুষের প্রকৃত প্রগতি।
লেখক : সংগ্রাহক ও গবেষক, জাপান

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D