১১ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৮শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৩:৪৭ অপরাহ্ণ, জুন ২০, ২০২৫
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার ওপারে ভারতের মেঘালয় সীমান্তে গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশি যুবক জাকারিয়া আহমদের (২৫) মরদেহ হস্তান্তর করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
শুক্রবার (২০ জুন) দুপুর ১২টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার উৎমা সীমান্ত দিয়ে মরদেহটি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এরপর বিজিবি মরদেহটি আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ভারতের মেঘালয়ের পিনারসালা থানা পুলিশের মাধ্যমে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত জাকারিয়া আহমদ কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার উত্তর রণিখাই ইউনিয়নের লামা গ্রামের আলাউদ্দিনের দ্বিতীয় ছেলে। পেশায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন তিনি এবং ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্য। মাত্র চার দিন আগে তাঁর বিয়ে হয়েছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে সীমান্তঘেঁষা লামা গ্রামসংলগ্ন ভারতের অভ্যন্তরে একটি গাছে ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান এলাকাবাসী। ঘটনাস্থলটি জাকারিয়ার বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে, সীমান্তের ১২৫৭ নম্বর মেইন পিলারের কাছাকাছি।
স্থানীয়রা বিষয়টি বিজিবি ও পুলিশকে জানালে পরবর্তীতে বিএসএফ এবং পিনারসালা থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধারে ব্যবস্থা নেয়।
ঘটনার পর নিহতের চাচা গিয়াস উদ্দিন কোম্পানীগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
বিজিবির সিলেট ৪৮ ব্যাটালিয়নের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে- পারিবারিক কারণে মানসিক চাপে পড়ে জাকারিয়া আত্মহত্যা করেছেন।
ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হক বলেন, ‘ঘটনাস্থল ভারতের অভ্যন্তরে হওয়ায় বাংলাদেশ পুলিশের সেখানে যাওয়া সম্ভব হয়নি। বৈরী আবহাওয়ার কারণে ভারতীয় পুলিশও ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে কিছুটা সময় নিয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে বিএসএফ মরদেহটি হস্তান্তর করেছে।’
নিহতের বাবা আলাউদ্দিন জানান, ‘গত সোমবার ছেলের বিয়ে হয়েছিল। আমাদের মধ্যে কোনো পারিবারিক বিরোধ ছিল না। বুধবার রাতে আমরা একসঙ্গে খাবার খেয়ে ঘুমিয়েছিলাম। বৃহস্পতিবার সকালে উঠে দেখি ছেলে ঘরে নেই। পরে শুনি সীমান্তের ওপারে একটি গাছে ঝুলছে তার মরদেহ।’
ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়দের অনেকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D