বঙ্গবন্ধু টানেল প্রকল্পেও করোনার থাবা

প্রকাশিত: ১২:১২ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ১৪, ২০২০

বঙ্গবন্ধু টানেল প্রকল্পেও করোনার থাবা

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের থাবা পড়েছে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল’ প্রকল্পেও। এ প্রকল্প ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণসামগ্রী চীন থেকে আনা যাচ্ছে না, তাই এ প্রকল্পেও সংশয় দেখা দিয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রকল্পটির আওতায় ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ১৪৬ কোটি ৪৩ লাখ টাকা খরচ করা যাচ্ছে না। ফলে প্রকল্পের নির্মাণ কাজ ব্যাহত হচ্ছে। এতে প্রকল্পটি আবারও সংশোধন হতে পারে।

সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে সংশোধিত এডিপিতে ৯৫০ কোটি টাকা প্রকল্প সাহায্য ছিল। এর মধ্যে ৮৭৮ কোটি ৫৬ লাখ টাকা খরচ হবে। এ হিসাবে ৭১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা খরচ করা বাকি থাকবে। একই সময়ে সরকারি খাতে ৬৭০ কোটি ৫২ লাখ টাকা বরাদ্দ ছিল। এর মধ্যে ৫৯৫ কোটি ৫২ লাখ টাকা খরচ হচ্ছে। ফলে এখান থেকেও খরচ হচ্ছে না ৭৫ কোটি টাকা। এতেও প্রকল্পের সময় বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

চায়না কমিউনিকেশন্স কনস্ট্রাকশন কোম্পানি (সিসিসিসি) ৯ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে দেশে প্রথমবার কর্ণফুলী নদীর তলদেশে এ টানেল নির্মাণের কাজটি বাস্তবায়ন করছে।

প্রাণঘাতী এ ভাইরাসের কারণে কোম্পানিটির সংশ্লিষ্টদের অনেকে চীনে যাতায়াত করতে পারছেন না। এমনকি অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইক্যুইপমেন্ট ও নির্মাণসামগ্রী চীন থেকে আনা সম্ভব হচ্ছে না। এসব কারণেই সংশোধিত এডিপির টাকা খরচ হচ্ছে না।

পরিকল্পনা কমিশনের জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রধান সাইফুল ইসলাম মণ্ডল বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নির্মাণ করছে চায়না কমিউনিকেশন্স কনস্ট্রাকশন কোম্পানি। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে অনেক যন্ত্রপাতি ও নির্মাণসামগ্রী চীন থেকে আনা হচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে করোনা ভাইরাসের কারণে তা স্থবির হয়ে আছে।

তিনি বলেন, এডিপিতে এ প্রকল্পের আওতায় জিওবি ও প্রকল্প সাহায্য মিলে ১ হাজার ৬২০ কোটি ৫১ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে করোনার কারণে ১৪৬ কোটি ৪৩ লাখ টাকা খরচ করা যাচ্ছে না। এ বরাদ্দ পরের অর্থবছরে আবারও সমন্বয় করতে হবে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট