|
প্রকাশিত: ৯:৪৩ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ৭, ২০২৬
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবন ও হলরুম নির্মাণকাজে অনিয়ম এবং নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটি। সরেজমিন পরিদর্শনে ভবন নির্মাণকাজে গুরুতর ২২ থেকে ২৩টি ত্রুটি ও অসংগতি শনাক্ত করেছেন কমিটির সদস্যরা। এসব ত্রুটি সংশোধন না করা পর্যন্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিল পরিশোধ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ত্রুটি সংশোধনের পর তদন্ত কমিটির পুনঃপরিদর্শনে কাজের মান সন্তোষজনক পাওয়া গেলেই বিল পরিশোধের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রকল্পের নথি অনুযায়ী -এর আওতায় সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবন ও হলরুম নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়। নির্মাণকাজেরদায়িত্ব পায় মেরিনা কনস্ট্রাকশন অ্যাসোসিয়েটস লিমিটেড। প্রকল্পটির চুক্তিমূল্য ৭ কোটি ৮ লাখ ১২ হাজার ২০৯ টাকা। তবে নির্ধারিত সময়ে নির্মাণকাজ শেষ না হওয়া এবং দীর্ঘদিন কাজ বন্ধ থাকায় প্রকল্পের অগ্রগতি ও নির্মাণের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এর মধ্যে ভবন ও হলরুম নির্মাণে অনিয়ম এবং নিুমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগে সম্প্রতি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। বিষয়টি আমলে নিয়ে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। পরে তদন্ত কমিটির সদস্যরা সরেজমিনে নির্মাণাধীন প্রশাসনিক ভবন ও হলরুম পরিদর্শন করেন। এ সময় নির্মাণকাজের বিভিন্ন পর্যায়ে ২২ থেকে ২৩টি ত্রুটি ও অসংগতি শনাক্ত করেন তাঁরা। এসব ত্রুটি সংশোধন এবং নিম্নমানের কাজ পুনরায় করার জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
পরিদর্শনকালে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক অসীম চন্দ্র বণিক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন, সদর উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা মো. মাইনুল হক, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট এলজিইডি কর্মকর্তা মো. মাইনুল হক জানিয়েছেন, তদন্তে পাওয়া ত্রুটিগুলো সংশোধনের কাজ চলমান রয়েছে। চৌকাঠের যেসব স্থানে সমস্যা ছিল, সেগুলো পরিবর্তন করা হয়েছে। পাশাপাশি বারান্দায় নকশাবহির্ভূতভাবে স্থাপন করা টাইলস খুলে নতুন করে নকশা অনুযায়ী টাইলস বসানো হয়েছে।
চলতি নভেম্বর মাসের মধ্যে কাজ হস্তান্তরের আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, তদন্ত কমিটি পুনরায় পরিদর্শন করে কাজের মান নিশ্চিত করার পরই বিল পরিশোধের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তদন্ত কমিটির প্রধান ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক অসীম চন্দ্র বনিক জানান, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটি সরেজমিন পরিদর্শনে ২২ থেকে ২৩টি ত্রুটি শনাক্ত করেছে। এসব ত্রুটি সংশোধনের জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বলা হয়েছে। সংশোধনকাজ শেষ হলে কমিটি আবারও পরিদর্শন করবে। কাজের মান সন্তোষজনক পাওয়া গেলে ইতিবাচক তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া হবে। এর আগে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কোনো বিল পরিশোধ করা হবে না।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D