বিয়ানীবাজারে প্রবাসীর স্ত্রীকে মারধর করার অভিযোগে এক আসামী আটক

প্রকাশিত: ১:২৮ পূর্বাহ্ণ, মে ৮, ২০১৭

বিয়ানীবাজারে প্রবাসীর স্ত্রীকে মারধর করার অভিযোগে এক আসামী আটক

সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার চারখাই ইউনিয়নের কাকুড়া গ্রামের পূর্ব বিরোধের জের ধরে প্রবাসীর স্ত্রীকে মারধর করায় অভিযোগ পাওয়া গেছে। কাকুড়া গ্রামের রফিকুল হকের ছেলে প্রবাসী শামীমুল হক তার স্ত্রী জামিলা বেগমকে মারধর করার অভিযোগ এনে বাদী হয়ে একই গ্রামের শফিকুল হকের ছেলে হোসেন আহমদ, আলবাব হোসেন, মেয়ে নুরুন নাহার রনী ও শফিকুল হকের স্ত্রী ফুল নাহারকে আসামী করে আরো ২/৩ জনকে অজ্ঞাত দেখিয়ে বিয়ানীবাজার থানায় মামলা দায়ের করেছেন। যার নং- ১১, তাং- ২৬/০৪/২০১৭ইং।
গতকাল ৭ মে রোববার বিকেল ৪টা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চারখাই পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী মামলার ১নং আসামী হোসেন আহমদকে গ্রেফতার করে বিয়ানীবাজার থানা নিয়ে যায়। এসআই সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী জানান বাকী আসামীগণ পলাতক রয়েছেন। তাদেরকে গ্রেফতার করতে পুলিশ অভিযোগ অব্যাহত রয়েছে।
বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ চন্দন কুমার চক্রবর্তী জানান, প্রবাসীরকে স্ত্রী যারা নির্যাতন করেছে তাদের কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। সকল আসামীকেই গ্রেফতার করা হবে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, আসামীগণ বাদীর প্রতিবেশী চাচাতো ভাই-বোন ও চাচী। সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের কারণে বাদী শামীমুল হক প্রবাস থেকে দেশে আসার স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সিলেট নগরীর শাহপরান থানাধীন সোনালী-১৮, মজুমদারপাড়া, শিবগঞ্জে বসবাস করছেন। ঘটনার আগের দিন অর্থাৎ ৫ এপ্রিল জরুরী কাজে বাড়ীতে যান। গত ৬ এপ্রিল বৃহস্পতিবার দুপুরে খাওয়া-দাওয়া শেষে বাদী আত্মীয়-স্বজনদের খোঁজ-খবর নিতে বাড়ীর বাইরে গেলে বিকেল সাড়ে ৪টার সময় সমূহ বিবাদীগণ বেআইনী জনতায় সংঘবদ্ধ হয়ে বাদীর বসত ঘরে প্রবেশ করে জামিলা বেগমের উপর হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট শুরু করে। আসামীদের আঘাতে জামিলা বেগমের বাম হাতে সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম হয়। এছাড়া বাদীর স্ত্রীর পড়নের কাপড়-চোপড় ছিড়ে শ্লীলতাহানী ঘটায়। এছাড়াও আলমীরার ড্রয়ার থেকে ১০ হাজার টাকা চুরি করে নিয়ে যায়। জামিলা বেগমের চিৎকার শোনে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে আসামীগণ খুন করার হুমকী দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। সংবাদ পেয়ে বাদী শামীমুল হক ঘটাস্থলে পৌছে তার স্ত্রী জামিলা বেগমকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করার জন্য রেফার্ড করেন। চিকিৎসা শেষে এখানো তিনি ওসমানী হাসপাতালের ডাক্তারের চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাসায় রয়েছেন। -বিজ্ঞপ্তি

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট