৯ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৬শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৪:৩৩ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৩, ২০২২
রমজানের প্রথম দিনেই আরেক দফা এলপি গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে। ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৪৮ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৪৩৯ টাকা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রোববার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬ টা থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে নার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
এর আগে গত মাসের ৩ তারিখে এলপি গ্যাসের ১২ কেজির দাম ১২৪০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৯১ টাকা করা হয়েছে।
ঘোষণা অনুযায়ী, মোটরগাড়ির জন্য অটোগ্যাসের দামও বর্তমানে মূসকসহ প্রতি লিটার ৬৪ দশমিক ৭৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬৭ দশমিক ০২ টাকা করা হয়েছে।
একইভাবে গত ৩ ফেব্রুয়ারি এলপি গ্যাসের ১২ কেজির সিলিন্ডারে ৬২ টাকা বৃদ্ধি করে ১২৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এ ছাড়া জানুয়ারিতে ছিল ১১৭৮ টাকা।
গত বছরের ১২ এপ্রিল দেশে প্রথমবারের মতো এলপিজির দাম নির্ধারণ করেছিল এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এর পর থেকে প্রতি মাসে একবার দাম সমন্বয় করা হচ্ছে।
জানা গেছে, এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এলপিজির এ দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত। এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি।
সৌদি সিপি অনুসারে এপ্রিলে প্রোপেন ও বিউটেনের দাম যথাক্রমে টনপ্রতি ৯৪০ এবং ৯৬০ ডলার, মিশ্রণ অনুপাত ৩৫:৬৫ বিবেচনায় এপ্রিলের জন্য এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রতি কেজি এলপিজির সর্বোচ্চ মূল্য ১১৯ টাকা ৯৪ পয়সা ধরে এপ্রিলে সাড়ে ৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৬৬০ টাকা, ১২ কেজির দাম ১৪৩৯ টাকা, সাড়ে ১২ কেজির দাম ১৪৯৯ টাকা, ১৫ কেজির দাম ১৭৯৯ টাকা, ১৬ কেজির দাম ১৯১৯ টাকা, ১৮ কেজির দাম ২১৫৯ টাকা, ২০ কেজির দাম ২৩৯৯ টাকা, ২২ কেজির দাম ২৬৩৯ টাকা, ২৫ কেজির দাম ২৯৯৮ টাকা, ৩০ কেজির দাম ৩৫৯৮ টাকা, ৩৩ কেজির দাম ৩৯৫৮ টাকা, ৩৫ কেজির দাম ৪১৯৭ টাকা এবং ৪৫ কেজির দাম পাঁচ হাজার ৩৯৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তবে উৎপাদন পর্যায়ে ব্যয়ের পরিবর্তন না হওয়ায় রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানির উৎপাদিত এলপিজির দাম পরিবর্তন করা হয়নি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এলপিজির দাম সমন্বয় করা হলেও সরকারের বেঁধে দেওয়া দাম মানেন না ব্যবসায়ীরা। খুচরা পর্যায়ে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে দেড়শ থেকে ২০০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হয় এলপিজির সিলিন্ডার। ফলে এলপিজি ব্যবহারে বাড়তি অর্থ গুনতে হচ্ছে সাধারণ ভোক্তাদের। মুনাফা লুটছে কোম্পানি, ডিলার আর খুচরা ব্যবসায়ীরা।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D