মৌলভীবাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যে নকল সিল ব্যবহারের অভিযোগ, জরিমানা

প্রকাশিত: ১০:২৭ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬

মৌলভীবাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যে নকল সিল ব্যবহারের অভিযোগ, জরিমানা

মৌলভীবাজার সদর ও পৌর এলাকার পৃথক স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৫৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) পৃথকভাবে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

মৌলভীবাজারের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (গণমাধ্যম) মো. মাহফুজুল হক অমি অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

সদর উপজেলার টিবি হাসপাতাল রোড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোকশেদ উল্লাহ। এ ছাড়া পৌর এলাকার কুসুমবাগে পৃথক অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহফুজুল হক অমি। অভিযানে দুই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের পাশাপাশি স্যানিটারি ইন্সপেক্টরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর উপজেলার টিবি হাসপাতাল রোড এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি কোম্পানির আটা, ময়দা ও তেলের ডিলারের গুদাম ও পণ্য সরবরাহ কার্যক্রমে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়।

অভিযানে দেখা যায়, মেয়াদোত্তীর্ণ ও মেয়াদ শেষ হওয়ার কাছাকাছি থাকা পণ্যের মূল মেয়াদের সিল ঘষে তুলে ফেলা হয়েছে। পরে নিজেদের তৈরি নকল সিল ব্যবহার করে নতুন মেয়াদ সংযোজন করে এসব পণ্য সরবরাহ করা হচ্ছিল।

এ অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫১ ও ৫৩ ধারায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার অর্থ আদায় করা হয়। এছাড়া অভিযানে ১২৭ প্যাকেট আটা ও ময়দা জব্দ করে ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়। একই সঙ্গে পণ্যের মেয়াদ পরিবর্তনে ব্যবহৃত নকল সিলও জব্দ করা হয়।

অপরদিকে, একই দিনে মৌলভীবাজার পৌর এলাকার কুসুমবাগে পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহফুজুল হক অমির নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে হোটেল ও রেস্তোরাঁ আইন, ২০১৪-এর ১৯ ধারায় একটি মামলায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থও তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।

সব মিলিয়ে দুই অভিযানে পৃথক দুটি মামলায় মোট ৫৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।

সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (গণমাধ্যম) মো. মাহফুজুল হক অমি জানান, ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণ, খাদ্যপণ্যের মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রচলিত আইন বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।


 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট