সাবেক স্পিকার হুমায়ূন রশীদ চৌধুরীর পরিবারের ৫ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশিত: ৮:০৫ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬

সাবেক স্পিকার হুমায়ূন রশীদ চৌধুরীর পরিবারের ৫ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

কানাডায় পাঠানোর নামে প্রতারণা, ভুয়া ভিসা-পাসপোর্ট তৈরি, অর্থ আত্মসাৎ ও বিদেশে মানবপাচারের অভিযোগে সাবেক স্পিকার সিলেটের মরহুম হুমায়ূন রশীদ চৌধুরীর পরিবারের ৫ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বিজ্ঞ মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে (মোহাম্মদপুর আমলী আদালত) মামলাটি দায়ের করেন ডেমরা থানার হাজীনগর এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ মমিনুল হক।

মামলার আসামিরা হলেন- হুমায়ূন রশীদ চৌধুরীর স্ত্রী মেহজাবিন রশীদ চৌধুরী, ছেলে নোমান রশীদ চৌধুরী, তার স্ত্রী সাদিয়া বিলকিস চৌধুরী এবং ছেলে মাসুন নোমান রশীদ চৌধুরী ও মিনাল নোমান রশীদ চৌধুরী।

তারা সবাই বর্তমানে রাজধানীর ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার বাসিন্দা।

মামলার অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়- ১৯৯৮ সালে নোমান রশীদ চৌধুরী তার তৎকালীন রাজনৈতিক ক্ষমতা ও প্রভাবের কথা জানিয়ে বাদীর ছোট ভাই মো. মাসুদুল হককে অল্প খরচে কানাডায় পাঠানোর আশ্বাস দেন। পরবর্তীতে পাসপোর্ট, ভিসা ও অন্যান্য খরচ বাবদ আসামিরা কয়েক দফায় বাদীর কাছ থেকে মোট ৪ লাখ টাকা নগদ গ্রহণ করেন এবং মানি রসিদ প্রদান করেন।

পরবর্তীতে অনিয়ম ও প্রতারণার মাধ্যমে জাল মালয়েশিয়ান পাসপোর্টের সাহায্যে বাদীকে না জানিয়ে তার ছোট ভাইকে হংকং হয়ে কানাডায় পাঠানোর চেষ্টা করেন অভিযুক্তরা। ফলে হংকং ইমিগ্রেশন কর্তৃক মাসুদুল হক আটক হন এবং সেখানে তিনি দীর্ঘ ৪ মাস কারাদণ্ড ভোগ করেন। পরে বাংলাদেশ হংকং কনস্যুলেট অফিসের মাধ্যমে বাদী নিজ খরচে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনেন।

অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়- ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা ও পরবর্তী ক্ষতিপূরণসহ অর্থ ফেরত চাওয়ায় বাদীকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি, প্রাণনাশের হুমকি ও শারীরিক-মানসিক নির্যাতন চালান অভিযুক্তরা। তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী ব্যক্তি হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে তখন আইনি ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি বলে বাদী জানান।

বাদী অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন বিদেশে থাকার পর দেশে ফিরে চলতি বছরের ২৯ জুলাই টাকা ফেরত চাইতে গেলে আসামিরা পুনরায় একযোগে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেন। ফলে সর্বশেষ এ বিষয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন মোহাম্মদ মমিনুল হক।

মামলার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডাভোকেট মো. আবুল কালাম খান।


 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট