|
প্রকাশিত: ৯:৩৭ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ২২, ২০২৬
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বিজিবি-পুলিশের যৌথ অভিযানে আটক ১৪টি ভারতীয় মহিষের মধ্যে ৯টি উধাও হয়ে গেছে। মালিকানা দাবির কাগজপত্র যাচাই-বাছাই চলাকালে স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মহিষগুলোর জিম্মাদার হন। তবে মহিষগুলো রাখা হয়েছিল দাবিদার লুৎফুর রহমানের বাড়িতেই।
পরে শুক্রবার (২১ আগস্ট) মহিষ উদ্ধারে গিয়ে পাঁচটি মহিষ উদ্ধার করেছে বিজিবি-পুলিশ। বাকি নয়টি মহিষের এখনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার গৌড়নগর এলাকায় চোরাইপথে ভারত থেকে আনা ১৪টি মহিষ লুৎফুর রহমানের বাড়িতে রাখা হয়েছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৫ আগস্ট বিজিবি ও পুলিশ যৌথ অভিযান চালায়। অভিযানে ১৪টি মহিষ আটক করা হয়।
এ সময় লুৎফুর রহমান মহিষগুলোর মালিকানা দাবি করে দুটি রশিদ উপস্থাপন করেন। প্রাথমিক যাচাইয়ে রশিদ দুটি সন্দেহজনক মনে হলে বিজিবি এগুলো যাচাই-বাছাই শুরু করে। কাগজপত্রের বিস্তারিত যাচাইয়ের জন্য সময় প্রয়োজন হওয়ায় এবং মহিষ উদ্ধারে লুৎফুর রহমান ও তাঁর ভাই হিফজুর রহমান বাধা দেওয়ায় স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক দুলাল আহমদ মহিষগুলোর জিম্মাদার হন।
তবে জিম্মাদার হওয়ার পরও মহিষগুলো লুৎফুর রহমানের বাড়িতেই রাখা হয়। পরবর্তীতে বিজিবির অধিকতর যাচাই ও গোয়েন্দা তদন্তে লুৎফুর রহমানের দেখানো মালিকানার কাগজপত্র ভুয়া বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।
এরপর শুক্রবার বিকেলে জিম্মাদার দুই বিএনপি নেতাকে সঙ্গে নিয়ে মহিষ উদ্ধারে অভিযান চালায় বিজিবি-পুলিশ। বিজিবি-৫২ ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক মেজর মাহফুজুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে লুৎফুর রহমানের বাড়িতে গিয়ে কোনো মহিষ পাওয়া যায়নি।
পরে বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে পাঁচটি মহিষ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা মহিষগুলো থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে বাকি নয়টি মহিষের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
আটক মহিষগুলোর মধ্যে নয়টি কীভাবে ও কোথায় চলে গেল, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। একই সঙ্গে বাকি মহিষগুলো উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বিজিবি-৫২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আতাউর রহমান বলেন, ‘গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ১৪টি ভারতীয় মহিষ উদ্ধার করা হয়েছিল। মালিকানা দাবির কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সেগুলো ভুয়া প্রমাণিত হয়। পরে মহিষগুলো উদ্ধারে গিয়ে পাঁচটি পাওয়া গেছে। বাকি নয়টি উদ্ধারে অভিযান চলছে।’
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। সীমান্ত দিয়ে মহিষসহ সব ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D