৪৫ কানাডাগামী যাত্রীকে বিমান থেকে নামিয়ে দেওয়ায় আইনি নোটিশ

প্রকাশিত: ১২:২১ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৫, ২০২৩

৪৫ কানাডাগামী যাত্রীকে বিমান থেকে নামিয়ে দেওয়ায় আইনি নোটিশ

কানাডার টরন্টোগামী একটি ফ্লাইট থেকে ৪৫ যাত্রীকে নামিয়ে দেওয়ার ঘটনায় রাষ্ট্রীয় বিমান পরিবহন সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসকে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সিলেটের কাজী মোশাররফ রাশেদ নামের একজন আইনজীবী বিমান সংস্থাটির চেয়ারম্যানকে এই নোটিশ পাঠান। এতে বিমানের বিরুদ্ধে কর্তব্যে অবহেলা এবং অন্যায়ভাবে, বেআইনি ও বিনা অধিকারে যাত্রীদের হয়রানির অভিযোগ তুলে ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়।

আইনজীবী কাজী মোশাররফ রাশেদ বলেন, ৪৫ যাত্রীকে ঢাকা বিমানবন্দর থেকে সিলেটে ফেরত পাঠানোর ঘটনায় তাঁদের পক্ষে ও জনস্বার্থে এ লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছেন তিনি। এখন নোটিশের জবাবের অপেক্ষায় আছেন। তা না পেলে যাত্রীদের ব্যক্তিগত হয়রানি, মানহানি এবং অপূরণীয় আর্থিক ক্ষতির কারণে দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত, এমনকি উচ্চ আদালতে যাবেন তিনি। নোটিশের জবাব দেওয়ার জন্য সাত দিনের সময় দেওয়া হয়েছে।

যদিও ফ্লাইট থেকে ৪৫ যাত্রীকে নামিয়ে দেওয়ার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। বিমানের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) তাহেরা খন্দকার গতকাল গণমাধ্যমে এক বিবৃতিতে এ ব্যাখ্যা পাঠিয়েছেন।

বিমানের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, ৬ নভেম্বর রাত ৮টা ২৫ মিনিটে বিমানের ফ্লাইট বিজি ৬০৬-এ সিলেট থেকে ৭৪ যাত্রী ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেন। তাঁদের মধ্যে একটি বড়সংখ্যক যাত্রী বিমানের টরন্টো ফ্লাইটের (বিজি ৩০৫/৭ নভেম্বর ২০২৩)। বিমানের সিলেট স্টেশনের কর্মকর্তারা যাত্রীদের ভ্রমণসংক্রান্ত তথ্য পর্যালোচনা করে দেখতে পান, ৪৫ যাত্রী একই ব্যক্তির আমন্ত্রণপত্রের মাধ্যমে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কানাডা যাচ্ছেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁদের নথিপত্র পর্যালোচনা করে সন্দেহ হওয়ায় সিলেট স্টেশন থেকে যাত্রীদের নথিপত্র ঢাকায় পাসপোর্ট কন্ট্রোল ইউনিটে (পিসিইউ) পাঠানো হয়।

পিসিইউ তখন এসব নথিপত্র যাচাই-বাছাইয়ের জন্য দিল্লিতে কানাডা বর্ডার সার্ভিস এজেন্সির (সিবিএসএ) কাছে পাঠায়। সেখান থেকে প্রথমে জানানো হয়, সিবিএসএর সিস্টেমে যাত্রীর তালিকায় এই যাত্রীদের তথ্য সঠিক রয়েছে। ফলে সিলেট থেকে যাত্রীদের বোর্ডিং কার্ড ইস্যু করা হয় এবং তাঁরা ঢাকায় পৌঁছান। এর মধ্যে কানাডা বর্ডার সার্ভিস এজেন্সি থেকে আবার জানানো হয়, যাত্রীদের আমন্ত্রণপত্রের তথ্যের সঙ্গে তাঁদের থাকার (আবাসন) বিষয়ে সিস্টেমে গরমিল রয়েছে। যাত্রীদের আমন্ত্রণপত্রে হোটেলে থাকার কথা থাকলেও যাত্রীদের কাছে রেন্টেড হাউসের ডকুমেন্ট পাওয়া যায়।