২২শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২:৪৯ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৮, ২০১৯
নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে ভারতে। এবার বিক্ষোভ ছড়িয়েছে পূর্ব ও পুরনো দিল্লিতে। এতে রাজধানী দিল্লির উত্তর-পূর্ব জেলায় জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা। খবর এনডিটিভি’র।
রোববার থেকেই নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ থেকে চরম অশান্তি ছড়ায়। জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিক্ষোভ চলাকালীন পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
মঙ্গলবারও অশান্তি ছড়ায় দিল্লির সিলামপুর ও ব্রিজ পুরি এলাকায়। ঘটনার তদন্তে নেমে ইতিমধ্যেই ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং কমপক্ষে চারটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।
দিল্লি পুলিশ ইঙ্গিত দেয় যে, এই ধরণের অশান্তি যারা ছড়াচ্ছে তারা আসলে সমাজবিরোধী, বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে এর আগেও তাদের জড়িয়ে পড়ার প্রমাণ মিলেছে।
সংবাদসংস্থা এএনআই জানিয়েছে, পূর্ব দিল্লিতে হিংসাত্মক প্রতিবাদের পরেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে সমস্ত বড় সমাবেশ।
নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে মঙ্গলবার উত্তপ্ত হয় দিল্লির সিলামপুর এলাকা, পুলিশকে লক্ষ্য করে পাঁথর ছোঁড়ার অভিযোগ ওঠে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুলি এবং কাঁদানে গ্যাস ছোঁড়ে পুলিশ। রোবার সন্ধ্যায় জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর আক্রমণের প্রতিবাদেই ওই দিন শুরু হয় প্রতিবাদ-বিক্ষোভ। অন্তত দু’জন পুলিশকর্মী আহত হন বলে জানা গেছে। পাশাপাশি গাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি সামাল দিতে শূন্যে গুলি চালাতে হয় পুলিশকে।
নাগরিকত্ব আইন, জাতীয় নাগরিকপঞ্জি ইস্যুতে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন সিলামপুরের বিক্ষোভকারীরা। তারপরেই বিক্ষোভের আঁচে পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। দিল্লি মেট্রো রেলের তরফ থেকে জানানো হয়, ৬টি মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও প্রস্থানের গেট বন্ধ করে দিতে হয় ওই উত্তপ্ত পরিস্থিতির জেরে।
বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে যে সব অমুসলিম মানুষরা ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন তারা এবার ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এরই বিরুদ্ধে প্রতিবাদে গর্জে ওঠেন দেশটির অসংখ্য মানুষ। নতুন আইনটির মাধ্যমে ধর্মের ভিত্তিতে বিবেচনা করে অবৈধ অভিবাসীদের দেশের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া সংবিধানের মূল কাঠামোর পরিপন্থী। এই আইন নাগরিকদের জীবন ও মৌলিক অধিকার তথা সাম্যের অধিকার লঙ্ঘন করে, দাবি বিক্ষোভকারীদের।
দিল্লিতে জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রোবার প্রতিবাদ মিছিল করার সময় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় সেখানে। পুলিশ ওই পদযাত্রা থামানোর চেষ্টা করলে তাদের লক্ষ্য করে কেউ বা কারা পাথর ছুঁড়ে মারে, পুড়িয়ে দেওয়া হয় বাস এবং দু’চাকার গাড়িও। বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনা অনুমতিতে পুলিশ ঢোকে, এমন অভিযোগেও উত্তাল হয় দেশটির রাজধানী। শতাধিক শিক্ষার্থীকে আটকেও রাখে দিল্লি পুলিশ, পরে যদিও তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু পুলিশি পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সারা দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও আছড়ে পড়ে প্রতিবাদের ঝড়।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D