২২শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৯:০৯ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৮
জাকার্তা: ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ মোকাবেলা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুক্রবারের ভূমিকম্প এবং সুনামিতে দেশটির সুলাওয়েসি দ্বীপে এ পর্যন্ত ৩৮৪ জন মানুষ নিহত হয়েছে।
সরকারি কর্তৃপক্ষ স্বীকার করছেন, মৃতের সংখ্যা আরো অনেক বাড়তে পারে। কারণ, অনেক মানুষ এখনো নিখোঁজ।খবর বিবিসি।
এছাড়া চরম ক্ষতিগ্রস্থ ডঙ্গালা নামে একঠি শহরে উদ্ধারকর্মীরা এখনো যেতে পারেনি। ঐ শহরে প্রায় তির লাখ মানুষ বসবাস করে।
নিহতদের বেশিরভাগই সুলাওয়েসির পালু শহরের বাসিন্দা, যেখানে প্রায় তিন মিটার উঁচু জলোচ্ছ্বাস আঘাত হানে। স্থানীয় বিমানবন্দর অংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয় তবে ইন্দোনেশিয়ার কিছু সামরিক বিমান সেখানে অবতরণ করতে পেরেছে।
সুলাওয়েসি দ্বীপ থেকে অল্প দূরে সাগরের প্রায় দশ কিলোমিটার গভীরে শুক্রবার এই ভূমিকম্প হয়েছিল। ভূমিকম্পের পরপরই সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়।
সুনামি যখন আঘাত হানে, তখন লোকজন কিভাবে প্রাণভয়ে পালিয়ে যাচ্ছিল, তার অনেক ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হয়েছে। ভূমিকম্পের পর অনেক শক্তিশালী আফটার-শক পালু শহরকে কাঁপিয়ে দিচ্ছিল।
শত শত ঘরবাড়ী ভেঙ্গে পড়েছে। অনেক হাসপাতাল, হোটেল এবং শপিং সেন্টারও ধসে গেছে। উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে, কিন্তু বিদ্যুৎ না থাকায় অভিযান ঠিকমত চালানো যাচ্ছে না। ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ মোকাবেলা সংস্থা বলছে, বহু লোক এই ভূমিকম্পে নিহত এবং আহত হয়েছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
সংস্থার মুখপাত্র সুতপো পারো নাগরোহো শনিবার জানান , সর্বশেষ যে তথ্য তাদের কাছে আছে, সে অনুযায়ী ৩৮৪ জন নিহত হয়েছে, নিখোঁজ আছে আরও ২৯ জন। এরা সবাই পালু শহরের একটি এলাকার মানুষ। এছাড়া আরও ৫৪০ জন আহত হয়েছে।
তিনি আরও জানাচ্ছেন, সাগর তীর বরাবর নিহতদের অনেকের লাশ খুঁজে পাওয়া যায়। যখন সুনামি আঘাত হানে, তখন সাগরতীরেই অনেকে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। অনেকে প্রায় ছয় মিটার উঁচু পর্যন্ত গাছে আশ্রয় নিয়ে জীবন বাঁচিয়েছে।
ভূমিকম্প এবং সুনামিতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পালু এবং ডংগালা শহরে প্রায় ছয় লাখ মানুষ থাকে। ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইডোডো বলেছেন, উদ্ধার অভিযানে সাহায্য করার জন্য সেনাবাহিনী পাঠানো হচ্ছে।
২০০৪ সালে এশিয়ায় যে ভয়ংকর সুনামি হয়েছিল, তখন ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপেই নিহত হয়েছিল এক লাখ ২০ হাজার মানুষ।
ইন্দোনেশিয়া খুবই ভূমিকম্প প্রবণ দেশ, পুরো প্রশান্ত মহাসাগর ঘিরে ভূমিকম্প প্রবণ যে বৃত্ত বা যেটি রিং অব ফায়ার নামে পরিচিত, তার উপরই দেশটি। বিশ্বের সক্রিয় আগ্নেয়গিরিগুলোর অর্ধেকই সেখানে।
মাত্র গত মাসেই ইন্দোনেশিয়ার লম্বক দ্বীপে আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে, সেখানে নিহত হয় ৪৬০ জন।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D