প্রকৌশলীদের স্ট্রাকচারাল এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড দিবে লাফার্জহোলসিম

প্রকাশিত: ৮:৩৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬

প্রকৌশলীদের স্ট্রাকচারাল এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড দিবে লাফার্জহোলসিম

দেশের নেতৃস্থানীয় নির্মাণ সামগ্রী উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ পিএলসি ‘হোলসিম স্ট্রাকচারাল এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ এর উদ্বোধন করেছে আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর)।

বিশিষ্ট সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষাবিদ এবং নির্মাণ বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতিতে অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রামের উদ্বোধন করেন লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইকবাল চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতার পুরো রূপরেখা তুলে ধরা হয়, যার সমাপ্তি ঘটবে ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে বিজয়ীদের সম্মান জানানোর মাধ্যমে। ব্যতিক্রমী প্রকৌশলগত সাফল্য এবং বাংলাদেশের অবকাঠামো খাত উন্নয়নে যুগান্তকারী অবদানকে সম্মান জানানোর পাশাপাশি কাঠামোগত উদ্ভাবন, টেকসই ডিজাইন এবং দূরদর্শী প্রকৌশলীদের স্বীকৃতি প্রদানের একটি অন্যতম প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে এই অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রাম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইকবাল চৌধুরী বলেন, “আমাদের দেশের দ্রুত আধুনিকায়ন এবং টেকসই অবকাঠামো নির্মাণের মূল কারিগর হলেন প্রকৌশলীরা। বাংলাদেশ যখন স্মার্ট, জলবায়ু সহনশীল এবং টেকসই নগরায়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন আমাদের দেশের প্রকৌশলীদের নিষ্ঠাকে স্বীকৃতি দেওয়া অত্যন্ত জরুরী। এই অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রামের মাধ্যমে লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ উদ্ভাবন, পরিবেশবান্ধব নির্মাণ এবং অভিজ্ঞ ও উদীয়মান প্রকৌশলীদের উৎসাহিত করতে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এই অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রামের মাধ্যমে আমরা আমাদের বৈশ্বিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে দেশের প্রতিভাবান প্রকৌশলীদের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সাথে যুক্ত করতে চাই। ”

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, চারটি ক্যাটাগরিতে দেয়া হবে পুরষ্কার – হাই পারফর্মিং কংক্রিট স্ট্রাকচার, অ্যাডভান্সড কংক্রিট টেকনোলজি অ্যান্ড সার্কুলারিটি, লেজেন্ডারি স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার অ্যাওয়ার্ড এবং নেক্সট জেনারেশন / ভিশনারি ডিজাইন। এর মধ্যে নেক্সট জেনারেশন / ভিশনারি ডিজাইন ক্যাটাগরিতে ১০ (দশ) জন উদীয়মান প্রকৌশলী এবং বাকী তিন ক্যাটাগরিতে প্রতিটিতে একজন করে বিজয়ীকে পুরস্কৃত করা হবে। এর পাশাপাশি একজন বিজয়ীকে দেয়া হবে গ্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড।

সেরা প্রজেক্টগুলোকে বাছাই করতে পাঁচটি ধাপে পরিচালিত হবে পুরো প্রতিযোগিতাটি। এরই প্রথম ধাপ হিসেবে আজ প্রতিযোগিতাটির উদ্বোধন করা হলো। দ্বিতীয় ধাপে আগ্রহী প্রকৌশলীরা অনলাইনে তাদের প্রজেক্ট ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট জমা দিবেন। তৃতীয় ধাপে সেরা প্রজেক্টগুলোকে জুরি বোর্ডের সামনে উপস্থাপনের জন্য বাছাই করা হবে। চতুর্থ ধাপে সম্মানিত জুরি বোর্ডের সদস্যবৃন্দ বিস্তারিত মূল্যায়ন শেষে বিজয়ীদের নির্বাচিত করবেন এবং শেষ ধাপে বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেয়া হবে।

আগ্রহী প্রকৌশলীরা www.structuralexcellenceawardbd.com অথবা www.lafargeholcim.com.bd ওয়েবাসইটে প্রবেশ করে প্রতিযোগিতার বিস্তারিত জনতে পারবেন এবং তাদের প্রজেক্ট জমা দিতে পারবেন।

পুরকৌশল খাতের বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত জুরি বোর্ডে সদস্য হিসেবে রয়েছেন ড. রাকিব আহসান, অধ্যাপক, পুরকৌশল বিভাগ, বুয়েট; মেজর জেনারেল (অব.) নিজাম আহমেদ, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর, অনন্ত গ্রুপ; প্রকৌশলী আবদুল্লাহ আল হোসেন চৌধুরী (রিজভী), ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও লিড ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার, ইন্টার স্পেস লিমিটেড; প্রকৌশলী এ. কে. এম. সাইফুল বারী (পি.ইং, বুয়েট), ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এসবি কনসালটেন্ট লি.; এবং লেফট্যানেন্ট কর্নেল ড. খন্দকার শাকিল আহমেদ, পি.ইং, সি.ইং, সহযোগী অধ্যাপক, পুরকৌশল বিভাগ, এমআইএসটি।

লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশের কমার্শিয়াল ও লজিস্টিকস ডিরেক্টর মোহাম্মদ মাহফুজুল হকের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি শেষ হয়। প্রকৌশলীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আমাদের এই মাইলফলক যাত্রায় সংগী হওয়ার জন্য আমরা উপস্থিত প্রকৌশলীবৃন্দ, শিক্ষাবিদ এবং সাংবাদিকদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ সবসময়ই উচ্চমানসম্পন্ন ও টেকসই নির্মাণ সামগ্রী সরবরাহ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। এই অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রামের মাধ্যমে আমরা সেরা প্রকৌশলীদের প্রতিভাকে যেমন সম্মানিত করার উদ্যোগ নিয়েছি তেমনি আগামী প্রজন্মের জন্য একটি পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার করছি।”

উদ্বোধন অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশের হেড অব মার্কেটিং আবিদ মাহমুদ। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি


 

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট