|
প্রকাশিত: ৬:২০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২২, ২০২৬
সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ওসমানীনগরে তেলবাহী ট্যাংক লরি ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে একই পরিবারের ৩জনসহ চারজন নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন। তারা ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার মোহাম্মদপুর দরকা গ্রামের ফরিদ মিয়ার ছেলে অটোরিকশা চালক লালন মিয়া (২৫), বাকি ৩ জন একই পরিবারের সদস্য; তারা হলেন নিয়ামত আলী (৩৫), তার স্ত্রী অযুফা বেগম (৩০) এবং তাদের মেয়ে মারিয়া (৮)। তাদের বাড়ি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার শ্রীরমসী গ্রামে।
দুর্ঘটনায় শিশুসহ আরও তিনজন ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। হতাহতরা সবাই অটোরিকশার যাত্রী বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সিলেট থেকে ছেড়ে যাওয়া পদ্মা ওয়েল কোম্পানির একটি ট্যাংক লরি (ঢাকা মেট্রো ঢ ৪৪-০৬৫৪) ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অটোরিকশাকে (মৌলভীবাজার থ ১১-৮৩৫৩) চাপা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে মুচড়ে গিয়ে শিশু, চালকসহ সাত নারী-পুরুষ গুরুতর আহত হন। তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। পরে গুরুতর অবস্থায় আহতদের উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চারজন মারা যান।
নিহত নিয়ামত আলীর মামা আব্দুল আওয়াল গণমাধ্যমকে বলেন, আমার ভাগনা মারা গেছে। ভাগনার বউ ও ভাগনার মেয়েসহ তিনজন মারা গেছে। একই পরিবারের পাঁচজন গাড়িতে ছিল। তাঁদের মধ্যে তিনজন মারা গেছে। জীবিত আছে ভাগনার ঘরের নাতি-নাতনি একজনের বয়স চার-পাঁচ বছর।
তিনি জানান, নিহতদের অভিভাবকরা, মা-বাবা ও ভাইসহ স্বজনরা ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা ও ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্প থেকে চারজন নিহত এবং তিনজন আহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে। আহতরা সেখানে চিকিৎসাধীন। তবে এখনো কারো নাম পাওয়া যায়নি।
ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আহতদের মধ্যে প্রথমে একজন নারীকে মৃত ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়। এতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪ জনে দাঁড়িয়েছে। বাকি আহতদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
উল্লেখ্য, গত ৭ আগস্ট সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ওসমানীনগরে ইউনিক ও বেঙ্গল পরিবহন বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১১ জনের প্রাণহানি ঘটে। দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলে সাতজন নিহত হন।
১৬ জনকে উদ্ধার করে ওইদিন হাসপাতালে নেওয়া হলে ফাইজা আক্তার নামে এক শিশুকে মৃত পাওয়া যায় এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় সপ্তম রায় প্রীতম আরও একজন মারা যান। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়। সর্বমোট ওই দুর্ঘটনায় ১১ জন নিহত হন।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D