২২শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৭:২৬ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৯, ২০২৬
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে নিখোঁজের ৫ ঘণ্টা পর ধান খেত থেকে এক শিশুর মরদেহে উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহত ওই শিশুর নাম আব্দুল্লাহ আল মামুন (৭)। সে দোয়ারাবাজার উপজেলার মান্নারগাঁও ইউনিয়নের গোপালপুর-শ্রীনাথপুর গ্রামের দক্ষিণ কোরিয়া প্রবাসী মোস্তাক আহমেদের বড় ছেলে। স্থানীয় আমবাড়ি বাজার এলাকার আল হারামাইন একাডেমির দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল মামুন।
বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলে বাড়ির সামনের বোরো ধান খেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের লোকজন। নিহত শিশু মামুনের মাথার পেছেনে, ঘাড়ে ও পিটে রক্তাক্ত ক্ষত চিহ্ন রয়েছে বলে জানা গেছে।
খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন, ছাতক-দোয়ারাবাজার সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শেখ মো. মুরসালিন ও দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম তালুকদার। নিহত শিশু মামুনের মৃত্যুর কারণ জানতে ময়নাতদেন্তর জন্য তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আব্দুল্লাহ আল মামুন আজ বুধবার দুপুর ১২ দিকে চাচাতো ভাই হাফিজুর রহমানের সাথে গ্রামের পাশে বিলে মাছ ধরতে গিয়েছিল। এরপর হাফিজুরকে বিলে রেখেই মামুন বাড়ির দিকে চলে আসলেও বাড়িতে না ফিরে নিখোঁজ হয়ে যায়। পরিবারের লোকজন প্রতিবেশিদের বাড়িঘর ও পুরো এলাকায় খোঁজাখুঁজি করে সন্ধান পাননি। পরে বিকেল ৫ টার দিকে একই গ্রামের নুর আলম তার জমি দেখতে গিয়ে বোরো ধানের মধ্যে মামুনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে তার পরিবারকে জানান। পরে পরিবারের লোকজন ধান খেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে। এসময় তার মাথার পেছনে, ঘাড়ে ও পিটে রক্তাক্ত ক্ষত চিহ্ন রয়েছে। তার পরিবার ও স্থানীয় লোকজনের ধারণা মামুনকে খুন করে হয়ত লাশ ধান খেতে ফেলে রাখা হয়েছিল।
মান্নারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নং ওয়ার্ডের স্থানীয় ইউপি সদস্য জামাল উদ্দিন বলেন,‘ খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে জেনেছি শিশু মামুন দুপুর আনুমানিক ১২ টার দিকে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ ছিলো। অনেক খোঁজাখোঁজির পর বিকেলে গ্রামের পাশের ধান খেতে মৃত অবস্থায় তাকে পাওয়া গেছে। তার বাবা বিদেশে থাকে, বাড়িতে তার মা, দাদা ও তার ছোট ভাই রয়েছে। পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন কারো সাথে তাদের বড় কোন বিরোধ নেই। শিশু মামুনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ছাতক-দোয়ারাবাজার সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শেখ মো. মুরসালিন বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং শিশু মামুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও সুষ্পষ্টভাবে কিছু জানা যায়নি। তার মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে লাশের ময়নাতদন্ত করা হবে। তবে ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত চলছে।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D