ওসমানী হাসপাতাল থেকে যুবকের মরদেহ উদাও, উদ্ধার করলো পুলিশ

প্রকাশিত: ৫:০২ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৭, ২০২৬

ওসমানী হাসপাতাল থেকে যুবকের মরদেহ উদাও, উদ্ধার করলো পুলিশ

সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আতিক আহমদ (১৮) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে স্বজনরা তার মরদেহ বাড়িতে নিয়ে গেলে পরে পুলিশ তা উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

জানা যায়, আতিক আহমদ সিলেট সদর উপজেলার জালালাবাদ থানার বাদেআলী গ্রামের আব্দুল খালিকের ছেলে। সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে তিনি জালালাবাদ থানাধীন উত্তর পীরপুর গ্রামে একটি নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করতে যান। তিনি ঠিকাদার দিলোয়ার মিয়ার অধীনে শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ঠিকাদার দিলোয়ার আতিকের চাচাতো ভাই আব্দুল মালিককে ফোন করে দুর্ঘটনার খবর জানান। পরে আতিকের বাবা যোগাযোগ করলে ঠিকাদার জানান, কাজ করার সময় মাথা ঘুরে পাঁচতলা থেকে নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন আতিক। তাকে দ্রুত সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।

স্বজনরা অভিযোগ করেন, এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়; বরং পরিকল্পিতভাবে আতিককে হত্যা করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কিছু জানায়নি পুলিশ।

এদিকে, হাসপাতাল থেকে কাউকে না জানিয়ে মরদেহ বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পুলিশ বিষয়টি জানতে পেরে সোমবার রাতে অভিযান চালায়। পরে জালালাবাদ থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল হাবিব বলেন, “হাসপাতাল থেকে আতিকের মরদেহ স্বজনরা গোপনে বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিল। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।”

পুলিশ জানায়, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।