জৈন্তাপুরে দিন রাত পাথর উত্তোলন, পরিবেশ বিপর্যয়ের শংঙ্কা

প্রকাশিত: ১০:১৫ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ১৭, ২০২৩

জৈন্তাপুরে দিন রাত পাথর উত্তোলন, পরিবেশ বিপর্যয়ের শংঙ্কা

সিলেটের জৈন্তাপুরে পথর খেকু চক্রের সদস্যরা দিন রাত উপজেলার নিজপাট ইউনিয়নের গোয়াবাড়ীর আশ্রায়ন প্রকল্প সহ আশপাশের পাহাড় ও টিলা কর্তন করে নান অযুহাতে পাথর উত্তোলন অব্যাহত রেখেছে। অপরদিকে উপজেলা প্রশাসন নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করলেও চক্রটি তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। ফলে পরিবেশ বিপর্যয়ের আশংঙ্কা রয়েছে।

সরেজমিনে জৈন্তাপুর উপজেলা গোয়াবাড়ী ঘুরে দেখা যায়, নতুন মুজিব বর্ষের ঘর এলাকা, পুরাতন আশ্রায়ন প্রকল্প এবং গোয়াবাড়ীর বিভিন্ন ছোট বড় টিলা কর্তন করে পাথর খেকু চক্রের সদস্যরা দিন রাত পাথর উত্তোলন অব্যাহত রেখেছে। অব্যাহত পাথর উত্তোলনের ফলে গোয়াবাড়ী এলাকায় মারাত্বক পরিবেশ বিপর্যয়ের আশংঙ্কা রয়েছে।

রুবেল আহমদ, সেলিম আহমদ, বদর মিয়া, কামাল মিয়া সহ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই জানান, মানুষের কাজ কর্ম না থাকার কারনে গোয়াবাড়ী হতে পাথর উত্তোলন করে জিবিকা নির্বাহের চেষ্টা করছে। মানুষকে আগে বাঁচার সুযোগ করে দিন। তারপর পরিবেশ নিয়ে কথা বলুন।

তারা বলেন শ্রীপুর কোয়ারী কাগজে কলমে বন্ধ থাকলেও সেখানে পাথর উঠছে। কিন্তু আপনারা সেখানে গিয়ে যত পারেন লেখালেখি করেন। আমরা জানি সেখানে বড় বড় ব্যক্তিরা পাথর উত্তোলন করছে, শ্রীপুর নিয়ে আপনারা লিখবেন না। তাই গোয়াবাড়ী নিয়ে অযথা মানুষদের হয়রানি করবেন না। গোয়াবাড়ী এলাকার কোন প্রকার ছবি ভিডিও না করতে প্রতিবেদককে নিষেধ করেন।

নাজমুল ইসলাম, হাসান মোহাম্মদ বদরুল, আমিনুর রহমান, সাব্বির আহমদ বলেন, অপরিকল্পিত ভাবে গোয়াবাড়ী হতে যে ভাবে পাথর উত্তোলন করা হচ্ছে সে ক্ষেত্রে উপজেলা বড় বিপর্যয়ের আশংঙ্কা রয়েছে। এখনই সময় পাথর উত্তোলন সঠিক ভাবে বন্ধ করা, না হয় সে ক্ষেত্রে পরিবেশের বড় বিপর্যয় নেমে আসবে। আগত বিপর্যয়ের জন্য সকলকে প্রস্তুত থাকতে হবে।

সহকারি কমিশনার (এসিল্যান্ড) রিপামনী দেবী বলেন, আমি দুদিন আগেও অভিযান পরিচালনা করে উত্তোলিত পাথর নিলামে বিক্রয় করেছি। পাথর উত্তোলন নিয়ে উপজেলা প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতিতে রয়েছে। পুনরায় অভিযান পরিচালনা করা হবে।

জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল-বশিরুল ইসলাম বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে দিনরাত অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা করা হচ্ছে। তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


 

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট