১১ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৮শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৭:৪২ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৩০, ২০২২

সরকার আগুন সন্ত্রাসের কথা বলে নতুন করে ফাঁদ পাতছে উল্লেখ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, এবার এই ফাঁদে বিএনপি আর পা দেবে না।
১০ ডিসেম্বর নয়াপল্টনে সমাবেশের অনুমতি না পাওয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপি কোথায় জনসমাবেশ করবে এটা বিএনপির সিদ্ধান্ত; এতে কারো অনুমতির প্রয়োজন নেই। কোনো বাঁধা বা অবরোধ দিয়ে সমাবেশ ঠেকানো যাবে না।
বুধবার (৩০ নভেম্বর) বিকেলে সিলেট নগরের রেজিস্ট্রারী মাঠে মহানগর বিএনপি আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। ‘পুলিশের মিথ্যা মামলা, গায়েবী হামলা, পুলিশি নির্যাতন ও গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে’ এই সমাবেশের আয়োজন করে বিএনপি।
সিলেট মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকীর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মিফতাহ সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় এতে আমির খসরু অভিযোগ করে বলেন, সরকার সারাদেশে অসংখ্য গায়েবি মামলা দায়ের করছে, এসব মামলার কোনো ভিত্তি নেই; বিএনপি নেতাকর্মীদের হয়রানি করতেই এসব মিথ্যা মামলা করা হচ্ছ। বিএনপির সমাবেশ প্রতিহত করতেই সরকার পুলিশ প্রশাসনকে ব্যবহার করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তবে এবার কোনো বাঁধাই কাজে আসবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপির পক্ষে গণ-জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। গন-জোয়ারের ভয়ে সরকার ভীত হয়ে পড়েছে।
তিনি বলেন, বিএনপি কেন সহিংসতয় জড়াবে। দেশের জনতাই আমাদের প্রধান অস্ত্র। লক্ষ্য জনতা মাঠে নেমে জানান দিয়েছে তারা আর শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না। আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে হটাবে।
সকল বাঁধা বিপত্তি উপেক্ষা করে রাজশাহী ও ঢাকার সমাবেশে লক্ষ লক্ষ মানুষের ঢল নামবে বলে মন্তব্য করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য।
চলমান আন্দোলনে আমাদের ১১’জন দলীয় নেতা-কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। সরকার আগুন সন্ত্রাসের হুমকি দিচ্ছে, যাতে কিনা আওয়ামী লীগ অভ্যস্ত। আমরা বলতে চাই বিএনপি’র নেতৃত্বে জনগণ আজ মাঠে নেমে এসেছে, এই আওয়ামী সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে জনগণই আমাদের অস্ত্র।
সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্ঠা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, ড. এনামুল হক চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাদিয়া চৌধুরী মুন্নী, জেলা বিএনপি-র সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরী।
এ সময় বক্তব্য রাখেন- মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি নাসিম হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক হুমায়ুন কবির শাহীন, ফরহাদ চৌধুরী শামীম, রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, জিয়াউল গণি আরেফিন জিল্লুর, এড. হাবিবুর রহমান হাবিব, সৈয়দ মিসবাহ উদ্দিন, এমদাদ হোসেন চৌধুরী, নজিবুর রহমান নজীব,সৈয়দ মঈন উদ্দিন সোহেল, সালেহ আহমদ খসরু, রোকসানা বেগম শাহনাজ, আহবায়ক কমিটির সদস্য আমির হোসেন, বাবু নেহার রঞ্জন দে, এড. আতিকুর রহমান সাবু, মাহবুব কাদির শাহী, মুর্শেদ আহমদ মুকুল, হুমায়ুন আহমদ মাসুক, আকতার রশীদ চৌধুরী, নুরুল আলম সিদ্দিকী খালেদ, সৈয়দ সাফেক মাহবুব, আফজাল উদ্দিন, ডা. নাজমুল ইসলাম।
অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- সিলেট জেলা যুবদলের সভাপতি এড.মোমিনুল ইসলামী মোমিন, সাধারণ সম্পাদক মকসুদ আহমদ, মহানগর যুবদলের সভাপতি শাহনেওয়াজ বক্ত চৌধুরী তারেক, সাধারণ সম্পাদক মির্জা সম্রাট হোসেন, সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আবদুল আহাদ খান জামাল, সদস্য সচিব শাকিল মোর্শেদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মাহবুবুল হক চৌধুরী, সদস্য সচিব আফসর খাঁন, মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা জামান রোজি, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আলতাফ হোসেন সুমন, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দিনার, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি সুদীপ জ্যোতি এষ, সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বি আহসান, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মোতাকাব্বির চৌধুরী সাকি, রুবেল ইসলাম, জেলা শ্রমিকদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাসুক এলাহি, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, মহানগর শ্রমিকদলের আহবায়ক আব্দুল আহাদ, সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম জীবন , মহানগর তাঁতীদলের সভাপতি আব্দুল গাফফার, সাধারণ সম্পাদক ফয়েজুল কয়েস।
সমাবেশের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মহানগর বিএনপি-র আহবায়ক কমিটির সদস্য আফজল উদ্দিন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- ১নং ওয়ার্ড এর সভাপতি রায়হান উদ্দিন মুন্না, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রাজন ও নজির আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সাব্বিহ্, ২নং ওয়ার্ড এর সভাপতি নিহার রঞ্জন দে, সাধারণ সম্পাদক মামুন ইবনে রাজ্জাক রাসেল, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল ইসলাম লিমন, ৩’নং ওয়ার্ড এর সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান মিঠু, সাধারণ সম্পাদক রাজিব দে রাজু সাংগঠনিক সম্পাদক দুলাল আহমদ, ৫নং ওয়ার্ড এর সভাপতি সাদিকুর রহমান সাদিক, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ শফি সাহেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহেদ আহমদ ৬নং ওয়ার্ড এর সভাপতি লুৎফুর রহমান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সুলতান আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শাহীদ হোসেন সাবু, ৭নং ওয়ার্ড এর সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ মিলন, সাধারণ সম্পাদক এ এস এম সায়েম, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল হক রাজু ৮নং ওয়ার্ড এর সভাপতি আব্দুস সবুর, সাধারণ সম্পাদক মিনহাজ পাঠান, সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল আহমদ, ৯নং ওয়ার্ড এর সভাপতি আমির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক রুবেল বক্স, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল আলম, ১০নং ওয়ার্ডের আব্দুল হাকিম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ ছাব্বির আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন রব, ১১নং ওয়ার্ডের সভাপতি শেখ মোঃ কবির আহমদ, সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ মোঃ তায়েফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মিনহাজুর রহমান রাসেল, ১২নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান আরাফাত চৌধুরী জাকি, সাংগঠনিক সম্পাদক আদনান ইসলাম তানিম, ১৭নং ওয়ার্ডের সভাপতি আহমদ মন্জুরুল হাসান মন্জু সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফয়েজ উদ্দিন মুরাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ গিয়াস মিয়া, ১৮নং ওয়ার্ডের সভাপতি তারেক আহমদ খান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজ লাকি, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মুমিন, ১৯নং ওয়ার্ডের সভাপতি নাদির খান, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান সুমন, ২১নং ওয়ার্ডের সভাপতি খায়রুল ইসলাম খায়ের, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালিক সেকু, সাংগঠনিক সম্পাদক সালেক আহমদ ২৩নং ওয়ার্ডের সভাপতি রাসেল আহমদ,সাধারণ সম্পাদক জম জম বাদশা, সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন আহমদ, ২৪নং ওয়ার্ডের সভাপতি আবদুর রহিম মল্লিক,সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রহিম আলী রাসু, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ফরহাদ আহমদ, ২৬নং ওয়ার্ডের সভাপতি আক্তার রশীদ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এম,এ,মান্নান, সাংগঠনিক সম্পাদক-ফাহিম বক্ত সিপু,২৭’নং ওয়ার্ডের সভাপতি মোঃ নাজিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মঈন খান, ২৫নং ওয়ার্ডের আহ্বায়ক রেজাউল ইসলাম রুজন, ২০নং ওয়ার্ডের আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান প্রমুখ।
পরে একটি বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। মিছিলটি নগরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কোর্ট পয়েন্টে এসে শেষ হয়।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D