২২শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১০:৩৪ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ২১, ২০২০
মৌসুমের প্রথম শৈত্যপ্রবাহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অব্যাহত আছে। উত্তর জনপদের পাশাপাশি গোটা দক্ষিণ এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়া ওইসব এলাকায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শীতে দারুণ কষ্টে আছে বস্ত্রহীন মানুষ।
দেখা দিয়েছে ডায়রিয়া, সর্দি-কাশিসহ শীতজনিত নানা রোগ। বেশি সমস্যায় বয়স্ক ও শিশুরা। হাসপাতালগুলোয় এসব রোগীর সংখ্যাই বেশি।
আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, রংপুর বিভাগ এবং গোপালগঞ্জ, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড, ফেনী, পাবনা, নওগাঁর বদলগাছি, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল, যশোর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ভোলা ও বরিশালে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
সাধারণত ব্যারোমিটারের পারদ ৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়, ৬-৮ ডিগ্রির মধ্যে নেমে এলে মাঝারি ও ৪-৬ ডিগ্রির মধ্যে থাকলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়।
রোববার রাতে সংস্থার সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, সর্বনিম্ন ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে কুড়িগ্রামের রাজারহাট ও পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। শনিবার রাজারহাটে ছিল ৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর তেঁতুলিয়ায় ছিল ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিন শ্রীমঙ্গলেও তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রিতে নেমে যায়। ঢাকায় এদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আগের দিন ছিল ১৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, ময়মনসিংহ অঞ্চলের অধিকাংশ জায়গায় তাপমাত্রা ১১ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে বিরাজ করছে। এসব এলাকায় সর্বনিম্ন এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রার পার্থক্যও কম।
সাধারণত উভয় পর্যায়ের তাপমাত্রার পার্থক্য যত কম থাকে শীতের অনুভূতি তত বেশি থাকে। কেননা, এ ধরনের পরিস্থিতিতে দিনের বেলায় সূর্য ততটা উত্তপ্ত করতে পারে না সংশ্লিষ্ট এলাকা। মেঘের উপস্থিতিতে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়।
তখন সেখানে শীতের প্রকোপ বেড়ে যায়। তবে মেঘ কেটে গেলে সূর্যকিরণ পৌঁছে ভূপৃষ্ঠে। তখন কমে শীতের তীব্রতা। বিরাজমান শীত পরিস্থিতি আরও দু’দিন অব্যাহত থাকতে পারে।
এবার শুক্রবার শুরু হয়েছে শৈত্যপ্রবাহ। ওইদিন তেঁতুলিয়ার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
হবিগঞ্জের বাসিন্দা আলমগীর হোসেন জানান, শীতের প্রকোপ তাদের এলাকায়ও কম নয়। শ্রীমঙ্গলে আবহাওয়া অধিদফতরের তাপ পরিমাপক স্টেশন আছে। যে কারণে সেখানকার শীতের তথ্য জানা যাচ্ছে।
আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, শীতকালে তাপমাত্রা নেমে যাবে এবং শীত অনুভূত হবে-সেটাই স্বাভাবিক।
তাছাড়া এখন পৌষ মাস চলছে। বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার সময় এটা। তিনি বলেন, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকার পশ্চিমাংশে অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।
পরিস্থিতির উন্নতি হলে শীতও কমে যেতে পারে। তবে মধ্যমৌসুমে ফের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D