২২শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১১:২১ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ৭, ২০২০
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে কু প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় স্বামীকে বেঁধে রেখে গৃহবধূকে নিজ ঘরে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে আরো দুই জনকে গ্রেফতার করেছে নোয়াখালী ডিবি পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, একলাশপুরের মো: মুন্সির ছেলে মোয়াজ্জেম হোসেন সোহাগ (২৪) ও মৃত সোলোয়মানের ছেলে রাসেল (২১)। তাদেরকে একলাশপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়।
এজাহারে তাদের নাম না থাকলেও রিমান্ডে থাকা আসামিরা জিজ্ঞাসাবাদে ওই দু’জনের নাম উল্লেখ করায় তাদেরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এঘটনায় গ্রেফতারের সংখ্যা দাঁড়ালো আটজন।
মঙ্গলবার দিবাগত রাতে সোহাগকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনি একলাশপুরের ৯ নম্বর ওর্য়াডের ইউপি সদস্য। অপরদিকে মামলার ৫ নম্বর আসামি লোকমান মিয়ার ছেলে সাজুকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গত রোববার রাত ১১টায় এলাকার মোহর আলী মুন্সি বাড়ির মৃত আ: রহিমের ছেলে মামলার ৯ নং আসামী রহমত উল্লাকে গ্রেফতার করে । এর আগে বিকেলে একলাশপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের খালপাড় এলাকার হারাধন ভুইয়া বাড়ির শেখ আহমদ দুলালের ছেলে মামলার ২ নং আসামী আঃ রহিমকে গ্রেফতার করে পুলিশ। রাতে প্রধান আসামী বাদলকে ঢাকা কামরাঙ্গীর এবং দেলোয়ারকে অস্ত্রসহ নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করে র্যাব।
সোমবার সন্ধ্যায় গ্রেফতার কৃত আবদুর রহিম ও রহমত উল্যাকে বিজ্ঞ আদালত তিন দিন করে একেক জনের ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধান আসামী বাদলের সাত দিন ও ইউপি সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন সোহাগের দুই দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
উল্লেখ্য, গত ২ সেপ্টেম্বর রাতে বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাসপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের খালপাড় এলাকায় বসতঘরে ঢুকে গৃহবধূর উপর নির্যাতন চালাতে তার স্বামীকে পাশের কক্ষে বেঁধে রাখেন স্থানীয় বাদল ও তার সহযোগীরা।
এরপর গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন তারা। এ সময় গৃহবধূ বাধা দিলে তারা বিবস্ত্র করে মারধর করে মোবাইলে ভিডিও করেন। ঘটনার ৩২ দিন পর ৪ অক্টোবর রোববার ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিবস্ত্র নির্যাতনের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল হলে সর্বত্র তোলপাড় সৃষ্টি হয়। টনক নড়ে স্থানীয় প্রশাসনের। নির্যাতনকারীরা সরকারি দলের হওয়ায় ভয়ে কেউ কথা বলতে রাজি হচ্ছে না।
তাই ঘটনার ৩২ দিন অতিবাহিত হলেও ভুক্তভোগী পরিবার এ ঘটনায় থানায় কোন অভিযোগ দায়ের করতে পারেনি। গত রোববার সর্বত্র প্রতিবাদের মুখে পুলিশের সহযোগিতায় নির্যাতিতা বাদী হয়ে রাত ১ টায় ৯ জনকে আসামী করে পৃথক দুইটি মামলা দায়ের করে।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D