টেলিটক সিমের মেয়াদহীন প্যাকেজ চালুর দাবীতে স্মারকলিপি প্রদান

প্রকাশিত: ৫:৩৬ অপরাহ্ণ, জুলাই ২০, ২০২৬

টেলিটক সিমের মেয়াদহীন প্যাকেজ চালুর দাবীতে স্মারকলিপি প্রদান

বৃহত্তর সিলেটের অরাজনৈতিক কল্যাণমূলক স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন সিলেট কল্যাণ সংস্থা (সিকস), সিলেট বিভাগ যুব কল্যাণ সংস্থা (সিবিযুকস) ও সিলেট প্রবাসী কল্যাণ সংস্থা (সিপ্রকস)-এর যৌথ আয়োজনে টেলিটক সিমের সকল প্যাকেজের মেয়াদহীন অবস্থা চালু ও বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা দূরীকরণের দাবীতে প্রচন্ড বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে ২০ জুলাই সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় সিলেটের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

সংস্থাগুলোর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সিলেট কল্যাণ সংস্থার কার্যকরী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ এহছানুল হক তাহেরের নেতৃত্বে স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সভাপতি মোঃ আজিজুর রহমান আজিজ, সিনিয়র সহ-সভাপতি হাজী মোঃ আশরাফ উদ্দিন, দ্বীপক রঞ্জন রায় তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মুসলেহ উদ্দিন চৌধুরী মিলাদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কবি কামাল আহমদ, সহ-অর্থ সম্পাদক মোঃ ইকবাল হোসেন, সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ সাহেদ আহমদ শান্ত, সহ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ ফরিদ আলী, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ আল-আমিন আহমদ, সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক মোঃ সেলিম খান, যোগাযোগ ও সমন্বয় সম্পাদক শংকর বিশ্বাস, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক কবি মকসুদ আহমদ লাল, সিলেট মহানগর কমিটির সভাপতি জাকারিয়া মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন সাকের ও সহ-সাধারণ সম্পাদক দিপক কুমার মোদক বিলু।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় মোবাইল অপারেটর। যা ২০০৫ খ্রীষ্টাব্দে থেকে সেবা দিয়ে আসছে। সেই টেলিটক সিম কোম্পানীকে সাশ্রয়ী কল রেট এবং সুলভ মূল্যে মেয়াদহীন ইন্টারনেট, মিনিট, এসএমএস সহ বিভিন্ন প্যাকেজের সর্বপ্রকার সুবিধা বৃদ্ধি করা সময়ের দাবী। ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সাশ্রয়ী যোগাযোগ সেবা প্রদান এবং “স্মার্ট বাংলাদেশ” বিনির্মাণে টেলিটকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বর্তমানে সীমিত নেটওয়ার্ক, দুর্বল প্রচারণা ও বিনিয়োগের অভাবে প্রতিষ্ঠানটি তার পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারছে না। দেশের বিভাগীয় শহর সহ জেলা শহর, বিশেষ করে গ্রাম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে টেলিটকের নেটওয়ার্ক এখনো খুবই দুর্বল। কল ড্রপ, ইন্টারনেটের গতি কম এবং টাওয়ার কাভারেজ অপর্যাপ্ত হওয়ায় গ্রাহকরা প্রত্যাশিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বেসরকারি অপারেটরদের মতো টেলিটকের নিয়মিত ও আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন না থাকায় তরুণ প্রজন্মের কাছে কোম্পানীর ব্র্যান্ড ভ্যালু ও নতুন অফার সম্পর্কে ধারণা তৈরি হচ্ছে না। এছাড়া নতুন স্পেকট্রাম কেনা, সময়োপযোগী প্রযুক্তি চালু ও টাওয়ার স্থাপনের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধার অভাব রয়েছে। প্রতিনিয়ত প্রতিক্ষণ কার্যকর কাস্টমার সাপোর্ট এবং শিক্ষার্থী ও স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য আকর্ষণীয় প্যাকেজেরও ঘাটতি রয়েছে। তাছাড়া সকল সরকারি দপ্তরে টেলিটক ব্যবহার বাধ্যতামূলক না হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি একটি বড় বাজার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এই সীমাবদ্ধতা দূর করে টেলিটককে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে বিশেষ বরাদ্দের মাধ্যমে গ্রামে দ্রুত নতুন টাওয়ার স্থাপন করে ৪জি ও ৫জি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। বিটিআরসি-এর তত্ত্বাবধানে অন্য অপারেটরের সাথে টাওয়ার ও ফাইবার শেয়ারিং চুক্তির মাধ্যমে খরচ কমিয়ে সেবার মান বাড়ানো সম্ভব। ২০০৫ খ্রীষ্টাব্দে আপনাদের সরকারের সময়ে টেলিটক কোম্পানীটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে আপনারা আবারও ক্ষমতায় আসীন। তাই আপনাদের প্রতিষ্ঠিত কোম্পানীর প্রতি আপনারাই সুদূরপ্রসারী কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন আমরা ১২ কোটি সিম ব্যবহারকারী দৃঢ়ভাবে আশাবাদী।


 

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট