২৩শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২:১৪ পূর্বাহ্ণ, মে ১১, ২০২০
দাবানলের মতো বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাসের পরিস্থিতি সম্পর্কে জনগণকে সর্তক করতে ইংল্যান্ডে ‘অ্যালার্ট’ পদ্ধতি চালু হচ্ছে। রবিবার (১০ মে) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের এই পদ্ধতিটি চালুর ঘোষণা দেওয়ার কথা রয়েছে। একই দিনে দেশটির লকডাউন পরিস্থিতির সর্বশেষ অবস্থা টেলিভিশনে প্রচারিত প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের মাধ্যমে তুলে ধরার কথা রয়েছে।
এ দিকে, রবিবার বিবিসি অনলাইনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনা ভাইরাস–সংক্রান্ত উপাত্তের ভিত্তিতে নতুন অ্যালার্ট বা সতর্কতা পদ্ধতিতে ১ থেকে ৫ পর্যন্ত মাত্রা নির্ধারণ করা থাকবে। আর এখানে ঝুঁকি কোন পর্যায়ে আছে, তা জনগণকে জানানো হবে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের ভাষণ থেকে করোনা ভাইরাস সতর্কতায় নতুন স্লোগান ‘স্টে অ্যালার্ট, কন্ট্রোল দ্য ভাইরাস, সেভস লাইভস’ (সতর্ক থাকুন, ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে রাখুন, জীবন বাঁচান) আসতে পারে।
যুক্তরাজ্যে গত ২৩ মার্চ থেকে লকডাউন কার্যকর হয়। তবে আজ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে লকডাউন শিথিলের ব্যাপারে কোনো ঘোষণা আসবে না বলে জানা গেছে। খবরে বলা হয়েছে, নতুন সতর্কপদ্ধতি বা অ্যালার্ট সিস্টেম শুধু ইংল্যান্ডে চালু হবে। নতুন পদ্ধতি অনুসারে, সতর্কসংকেতটি অবস্থাভেদে ধাপ–১ থেকে ধাপ–৫ পর্যন্ত যাবে। ধাপ–১ থাকবে সবুজ রঙের। ধাপ–৫ থাকবে লাল রঙের। রঙের পার্থক্য অনুসারে জনগণকে ঝুঁকির মাত্রা সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হবে। এটা সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকির ক্ষেত্রে জনগণকে সতর্ক বার্তা দেওয়ার যে পদ্ধতি রয়েছে, সেটির মতোই একটি প্রক্রিয়া।
জানা গেছে, বরিস জনসন তাঁর ভাষণে জানাতে পারেন যে ইংল্যান্ড এখন ধাপ–৪ এ আছে এবং ধাপ–৩ এর দিকে যাচ্ছে। এই সতর্কতা পদ্ধতিটি রোগ নিয়ন্ত্রণ পদক্ষেপের নতুন অবকাঠামো ‘যৌথ বায়োনিরাপত্তা কেন্দ্র’–এর মাধ্যমে পরিচালিত হবে। দেশের বিভিন্ন স্থানের ভাইরাস ঝুঁকি এতে তুলে ধরা হবে। কারণ, একটি শহর থেকে অন্য শহরের ভাইরাস পরিস্থিতির অনেক হেরফের থাকতে পারে। সেটিই জানানো হবে বাসিন্দাদের। ইংল্যান্ডে চলমান বিধিনিষেধ পরিস্থিতি সম্পর্কেও এটি জনগণকে জানাবে।
বরিস জনসনের ভাষণের আগে সরকারের মন্ত্রিপরিষদ কমিটি কোবরা (কেবিনেট অফিস ব্রিফিং রুম) জরুরি কমিটির বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ, উন্নয়ন সংস্থা এবং মেয়র অব লন্ডনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। কাল সোমবার পালার্মেন্ট তোলার জন্য অ্যালার্ট পদ্ধতিসহ বেশ কিছু পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হবে।
সানডে পত্রিকায় প্রকাশিত খবরকে উদ্ধৃত করে বিবিসি জানিয়েছে, ভাষণে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে সতর্ক করবেন এই বলে যে যুক্তরাজ্য করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বিপজ্জনক ধাপে প্রবেশ করছে। প্রধানমন্ত্রী সানডেকে বলেছেন, ‘আমরা এখন শীর্ষ অবস্থা (করোনাভাইরাস পরিস্থিতি) অতিক্রম করছি। প্রতিটি সঠিক পদক্ষেপ পেতে আমাদের আরও কঠিন শ্রম দিতে হবে। পবর্তারোহীরা সব সময় বলেন, চূড়া থেকে নামতে থাকার সময়টা সবচেয়ে বিপজ্জনক। কারণ, ওই সময়টায় আপনি অতিমাত্রায় আত্মবিশ্বাসী হয়ে ভুল করতে পারেন। আরোহণের সময় হাতে তেমন কোনো বিকল্প থাকে না, কিন্তু নামার সময় আপনাকে নিশ্চিত হবে যেন দ্রুত না দৌড়ান, নিযন্ত্রণ না হারান এবং হোঁচট না খান।’
এ দিকে, গতকাল শনিবার (৯ মে) ব্রিটিশ যোগাযোগমন্ত্রী গ্র্যান্ট শাপস সতর্ক করেন যে, ব্যাপক সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পরই সরকার লকডাউন তুলে নেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রসর হবে। গতকাল দেশটিতে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩৪৬ জন। মোট মৃত্যু হয়েছে ৩১ হাজার ৫৮৭ জনের।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D