‘ঐক্যফ্রন্টের সাত দফায় আমরা একমত, ড. কামালের সাথে পথ চলতে চাই’

প্রকাশিত: ১:০২ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২৬, ২০১৮

‘ঐক্যফ্রন্টের সাত দফায় আমরা একমত, ড. কামালের সাথে পথ চলতে চাই’

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দেওয়া সাত দফা দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী।

বৃহস্পতিবার রাতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেনের বাসায় বৈঠক শেষে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

বৈঠক শেষে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফা দাবির সাথে আমরা একমত। আমি ড. কামাল হোসেনের সাথে একসাথে পথ চলতে চাই।

রাত ৮টার দিকে ড. কামাল হোসেনের বেইলি রোডের বাসায় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে কাদের সিদ্দিকীর সঙ্গে ছিলেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বীরপ্রতীক ও সাংগঠনিক সম্পাদক সফিকুল ইসলাম দেলোয়ার।

অন্যদিকে ড. কামালের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু, নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য জগলুল হায়দার আফ্রিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ অ ম শফিক উল্লাহ।

বৈঠকের আগে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বীরপ্রতীক বলেন, ‘ড. কামাল হোসেনের আমন্ত্রণে দলের সভাপতিসহ আমরা তার বাসায় এসেছি।’

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হওয়ার পর বুধবার সিলেটে প্রথম সমাবেশ করেন দলটির নেতারা। সেখানে ড. কামাল হোসেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ জোটের শীর্ষনেতারা সাত দফা দাবিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

প্রসঙ্গত, বিএনপি, গণফোরাম, জেএসডি, নাগরিক ঐক্য ও দেশের কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে নিয়ে গত ১৩ অক্টোবর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আত্মপ্রকাশ ঘটে। সেদিনই জোটের পক্ষ থেকে সাত দফা দাবি ও ১১ দফা লক্ষ্য ঘোষণা করা হয়।

সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- সংসদ বাতিল করে সব দলের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার গঠন, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ সব রাজবন্দির মুক্তি, নির্বাচনে সেনা মোতায়েন, গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন ও ইভিএম ব্যবহার না করা, রাজনৈতিক মামলা স্থগিত করা, ডিজিটাল নিরাপত্তাসহ সব কালো আইন বাতিল করা। আর প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও প্রতিহিংসার রাজনীতির বলে ইতিবাচক রাজনীতির প্রতিশ্রুতিসহ ঘোষণা করা হয় ১১টি লক্ষ্য।