৩০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১:২৯ পূর্বাহ্ণ, জুন ৩০, ২০২৬
বিরতির পর মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। দ্বিতীয়ার্ধে গোললাইন থেকে বল ফিরিয়ে জাপান যখন এগিয়ে থেকে দৃঢ়তা দেখাচ্ছিলো, পরের মুহূর্তেই কাসেমিরোর হেডে সমতায় ফেরে ব্রাজিল। এরপর ম্যাচটা যখন রোমাঞ্চকর অতিরিক্ত সময়ের দিকে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো, তখনই দেখা মিললো সাম্বার ছন্দ। হিউস্টনে শেষ দিকে মার্তিনেল্লির স্কোরে জাপানকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল।
অথচ শেষ ৩২ এর ম্যাচে প্রায় পুরোট সময়টাতেই ব্রাজিলকে হতাশ করে চলছিলেন জাপান গোলকিপার সুজুকি। নকআউট লড়াই যেমন রোমাঞ্চভরপুর থাকে তার সবটুকুই ছিল এই ম্যাচে। প্রথমার্ধে বল দখলে দীর্ঘ সময় আধিপত্য ছিল ব্রাজিলের। তবে জাপানের গোছানো ও দৃঢ় রক্ষণের সামনে তেমন কোনো পরিষ্কার গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারছিলো না তারা। বিরতির পর সমতা ফিরিয়ে শেষ পর্যন্ত সাম্বার ছন্দ তুলে শেষ দিকে কাঙ্ক্ষিত গোল তুলে নেয় ব্রাজিল।
শুরুতে ব্রাজিলের আধিপত্যের বিপরীতে সুযোগ পেলেই পাল্টা আক্রমণে যাওয়ার কৌশল ছিল জাপানের। সেই পরিকল্পনাতেই তারা সফল হয় ২৯ মিনিটে। দানিলোর ভুল পাস থেকে বল কেড়ে নিয়ে সানো বক্সের বাইরে থেকে নিখুঁত শটে আলিসনকে পরাস্ত করে জাপানকে এগিয়ে দেন।
তার পর ভীষণ চাপে পড়ে যাওয়া ব্রাজিলকে আর ব্রাজিল মনে হচ্ছিলো না। কিন্তু বিরতির পরই ধার বাড়ায় পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দল। তারই ধারাবাহিকতায় ৫৫ মিনিটে সুবর্ণ সুযোগটি পেয়েছিল ব্রাজিল। ভেসে আসা এক ক্রসকে হেড করে গোলমুখে ফিরিয়ে দেন এক ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড়। সেখান থেকে মাত্র কয়েক গজ দূরে ডাইভিং হেড করেন কাসেমিরো। তবে গোললাইনেই বল গায়ে লেগে যায় তোমিয়াসুর। কী ঘটেছে, তা বুঝে ওঠার আগেই তার শরীরে লেগে বল ফিরে আসে। এবং শেষ পর্যন্ত বিপদমুক্ত হয় জাপান।
৫৬ মিনিটে অবশেষে আসে মান্দ্রেক্ষণ। জাপানের প্রথম গোলের সময় কিছুটা দায় ছিল কাসেমিরোর। সহজ একটি সুযোগও নষ্ট করেছিলেন তিনি। তবে এবার আর ভুল করেননি ব্রাজিলের অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার। শক্তিশালী হেডে বল জালে জড়িয়ে সমতায় ফেরান দলকে। মুহূর্তেই গ্যালারি জুড়ে দেখা মেলে হলুদ উৎসবের।
৬০ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ ছিল। কিন্তু অল্পের জন্য বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা গোলটির দেখা মেলেনি! ভিনিসিয়ুস জুনিয়র দুর্দান্ত দক্ষতায় বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে তোমিয়াসুকে নাটমেগ করেন। এরপর বল পায়ে দ্রুত এগিয়ে গিয়ে জোরালো শট নেন তিনি। তবে জাপানের গোলরক্ষক সুজুকির আঙুলের ডগা ছুঁয়ে বল পোস্টে লাগলে হতাশ হতে হয় ব্রাজিলকে।
তার পর থেকে ব্রাজিলকেই আক্রমণাত্মক দেখা গেছে বেশি। ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ের দিকেই এগোচ্ছিল, তখনই আসে নাটকীয় মুহূর্ত। যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে ব্রুনো গুইমারেসের বাড়ানো বল থেকে বাঁকানো শটে জালের দেখা পান বদলি হিসেবে নামা মার্তিনেল্লি। শেষ দিকে অতিরিক্ত রক্ষণাত্মক হয়ে যাওয়ার মূল্যই দিতে হয়েছে জাপানকে। শেষ ষোলোতে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ হবে আইভরি কোস্ট অথবা নরওয়ে।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D