লিটন মাহমুদের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা’ প্রত্যাহরের দাবি গণঅধিকার পরিষদের

প্রকাশিত: ৩:৪৫ অপরাহ্ণ, মার্চ ৪, ২০২৬

লিটন মাহমুদের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা’ প্রত্যাহরের দাবি গণঅধিকার পরিষদের

গণঅধিকার পরিষদ সিলেট জেলা শাখা কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শাখার আহ্বায়ক লিটন মাহমুদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাকে ‘মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক’ দাবি করে গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সিলেট জেলা শাখার আহ্বায়ক রহমতে এলাহি লস্কর নাঈম। তিনি অভিযোগ করেন, গণঅধিকার পরিষদের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা ও গণমুখী আন্দোলনকে বাধাগ্রস্ত করতেই পরিকল্পিতভাবে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টার পর সিলেট নগরের এয়ারপোর্ট রোডের এডভেঞ্চার ওয়ার্ল্ড এলাকায় পুলিশের একটি চেকপোস্টে একটি প্রাইভেটকার তল্লাশি করা হয়। এ সময় গাড়িতে থাকা কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শাখার আহ্বায়ক লিটন মাহমুদ ও চালক জুনায়েদকে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে গাড়ির পেছনের সিট থেকে একটি ওয়াকিটকি এবং ঢালার ভেতর থেকে একটি কুড়াল উদ্ধার করা হয় বলে জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, গাড়ি ও উদ্ধারকৃত ওয়াকিটকির মালিক কোম্পানীগঞ্জ থানার এসআই কামরুল। ঘটনার সময় তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় একটি সংঘর্ষের খবর পেয়ে গাড়ি থেকে নেমে যান এবং চালক গাড়িটি নিয়ে সিলেটের দিকে রওনা দেন। পরবর্তীতে চেকপোস্টে গাড়িটি আটক হয়।

বক্তব্যে আরও দাবি করা হয়, এসআই কামরুল ঘটনাস্থলে এসে গাড়ি ও ওয়াকিটকির মালিকানা স্বীকার করলেও পরে ‘ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আটক’ দেখিয়ে লিটন মাহমুদ ও চালক জুনায়েদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। তবে এসআই কামরুলের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

গণঅধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে অবিলম্বে লিটন মাহমুদ ও জুনায়েদের মুক্তি, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়। অন্যথায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ প্রশাসনের প্রতি রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে আইনানুগ ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।