ইরানে যৌথ হামলা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল

প্রকাশিত: ৫:৩১ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬

ইরানে যৌথ হামলা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের দিকে ধেয়ে আসছে বলে শনাক্ত করা হয়েছে। এর ফলে দেশের বেশ কয়েকটি এলাকায় সাইরেন বেজে উঠছে।

সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, জনসাধারণকে হোম ফ্রন্ট কমান্ডের নির্দেশাবলী অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। এ সময়, ইসরায়েলি বিমান বাহিনী হুমকি মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনে প্রতিহত এবং প্রত্যাঘ্যাত করতে কাজ করছে।

ইরানের রাজধানী তেহরানসহ অন্তত পাঁচটি প্রধান শহরে আমেরিকা ও ইসরায়েলের যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর তেহরান এখন ভয়ংকর প্রতিশোধের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছে দেশটির উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা।

ইরানের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এই হামলার জবাব হবে ‘অত্যন্ত কঠোর’ এবং শত্রুপক্ষ কল্পনাও করতে পারবে না এমন চরম মূল্য তাদের দিতে হবে।

তেহরানসহ ইরানের পাঁচটি প্রধান শহরে আমেরিকা ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক ভয়ংকর ঘোষণা দিয়েছেন।

ট্রাম্প অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ভাষায় জানিয়েছেন, ইরানকে দমাতে এবং তাদের সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করতে যুক্তরাষ্ট্র এখন বড় ধরনের যুদ্ধে লিপ্ত হতে যাচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে এক ভয়াবহ মোড় নিয়ে ইরানজুড়ে সমন্বিত সামরিক হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।  এই অভিযানের ঠিক আগমুহূর্তে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে শুরু হওয়া এই যৌথ অভিযানকে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ ‘আগাম প্রতিরোধমূলক হামলা’ বা প্রি-এম্পটিভ অ্যাটাক হিসেবে অভিহিত করেছেন।

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই হামলার অন্যতম প্রধান লক্ষ্যবস্তু হলো তেহরানে অবস্থিত ইরানের প্রেসিডেন্ট ভবন। এর পাশাপাশি ইরানি বিরোধী সূত্রগুলোর দাবি অনুযায়ী, দেশটির শীর্ষ নেতাদের বাসভবন এবং যেসব সামরিক সাইট থেকে ইসরায়েলে আক্রমণ চালানো হতে পারে, সেই অবস্থানগুলোকেও নিখুঁত নিশানায় রেখে হামলা চালানো হচ্ছে।