তামাবিল কাস্টমসে নিলাম নিয়ে ছাত্রদল-শ্রমিক সংঘর্ষ

প্রকাশিত: ১১:২৯ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ২৮, ২০২৫

তামাবিল কাস্টমসে নিলাম নিয়ে ছাত্রদল-শ্রমিক সংঘর্ষ

সিলেটের তামাবিল কাস্টমসে জব্দকৃত পণ্যের নিলাম নিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মী ও শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। বুধবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় গোয়াইনঘাট থানায় তামাবিল স্থলবন্দর শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়নের পক্ষে সাংগঠনিক সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে ৮ জনের নামোল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০-১২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, প্রতিপক্ষের হামলায় ট্রেড ইউনিয়নের সভাপতি মনির হোসেনসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন। হামলাকারীরা প্রায় দেড় লাখ টাকা লুটে নেওয়ারও অভিযোগ করা হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, তামাবিল শুল্ক স্টেশনে বুধবার ভারতীয় মোটরসাইকেলসহ জব্দকৃত অন্যান্য মালামালের নিলাম ছিল। এ সময় পার্শ্ববর্তী জৈন্তাপুর উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক বদরুল আলম শাওন, সদস্য সচিব এম শাহীন আলম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ ইলিয়াস উপস্থিত হয়ে নিলামের নিয়ন্ত্রণ নিতে চাইলে ব্যবসায়ী-জনতার সাথে তাদের বাদানুবাদ বাধে।

খবর পেয়ে উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক সুলেমান আহমেদ ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে ঘটনাস্থলে গেলে সংঘর্ষ বাধে। এতে ট্রেড ইউনিয়নের সভাপতি মনির হোসেনসহ উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন।

গোয়াইনঘাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় শ্রমিকদের পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে।

জৈন্তাপুর উপজেলা ছাত্রদলের বদরুল আলম শাওন গণমাধ্যমকে জানান, ৫ আগস্টের পরও তামাবিল স্থলবন্দর নিয়ন্ত্রণ করছে আওয়ামী লীগের দোসররা। নূর উদ্দীন ও জালাল উদ্দীনরা মিলে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ওই নিয়ন্ত্রণের চাবিকাঠি নাড়েন।

শাওন বলেন, আমরা নিলামে অংশ নিতে গেলে নূর উদ্দীনরা আমাদের বাঁধা দেয়। বাকবিতন্ডায় লিপ্ত হন তারা। পরে আপোস মিমাংসায় বসা হলে শ্রমিক নেতা মনির উদ্দীন টেবিলে থাপ্পড় দিয়ে কীসের আপোস বলে উসকে দেন।

ছাত্রদলের এই নেতার অভিযোগ নূর উদ্দীন, জালাল উদ্দীন ও মনির উদ্দীনদের লোকজন আমাদের উপর হামলা চালায়। আমরা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।


 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট