|
প্রকাশিত: ৩:৫৭ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১১, ২০২৬
সিলেটের বিশ্বনাথে বাপ-দাদার বসতভিটা থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা, মারধর, বাড়িঘর ভাঙচুর ও হুমকির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন পৌরসভার মিরেরচর গ্রামের মৃত কবির উদ্দিনের ছেলে আকমল আলী।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুর ২টায় সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তার পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আকমল আলীর ছোটভাই তোয়াহিদ আলী। এ সময় তিনি ও তার পরিবারের বসতভিটা রক্ষা এবং নিরাপত্তার জন্য প্রশাসন ও পুলিশের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
লিখিত বক্তব্যে বলেন, মীরেরচর গ্রামের মৃত জবান উল্লাহর ছেলে বশির আহমদ ও তার সন্তানদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বসতভিটা থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা করছেন। বাড়ির জায়গা ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার জন্য তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এতে রাজি না হওয়ায় মারধর, বাড়িঘর ভাঙচুর এবং বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, তাদের দাদা মৃত আজর আলী ১৯৫৪ সালের ১৩ নভেম্বর উত্তর মীরেরচরের রহমত উল্লাহর ছেলে ইদ্রিছ আলীর কাছ থেকে ৪৩৭৩ নম্বর দলিলের মাধ্যমে বসতভিটার জমি ক্রয় করে বাড়িঘর তৈরি করে বসবাস করে আসছেন। এসএ ও বিএস রেকর্ডেও ৬ পরিবারের সদস্যদের নামে জমির রেকর্ড রয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, ২০১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ভোরে বশির আহমদের ছেলে ও ভাড়াটিয়া লোকজন অস্ত্র নিয়ে তাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও পরিবারের কয়েকজনকে গুরুতর আহত করেন। এ ঘটনায় বিশ্বনাথ থানায় দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে কার্যত অচল অবস্থায় রয়েছে বলেও তারা অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, বশির আহমদের সাত ছেলের অনেকেই যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে প্রবাসী এবং অর্থবিত্তের মালিক। আমাদের পূর্বপুরুষের রেখে যাওয়া একমাত্র সম্বল বসতবাড়িটি তারা নিজেদের করে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। তাদের অর্থের মাধ্যমে লোকজন এনে আমাদের পরিবারের সদস্যদের উচ্ছেদের হুমকিসহ নানাভাবে হয়রানি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।
আকমল আলী বলেন, তার দাদা মৃত আজর আলী উত্তর মীরেরচরের রহমত উল্লাহর ছেলে ইদ্রিছ আলীর কাছ থেকে ১৯৫৪ সালে ৪৩৭৩ নম্বর দলিলমূলে বসতভিটার জমি ক্রয় করেন। পরে সেখানে বাড়িঘর নির্মাণ করে বসবাস শুরু করেন। তার দাবি, বাকি জমিও তাদের মৌরসি সম্পত্তি।
পরিবারের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়, স¤প্রতি তাদের চাচা গেদাব আলী মারা যাওয়ার পর নিজেদের জায়গায় তাঁর লাশ দাফনেও বাধা দেওয়া হয়। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে দাফন সম্পন্ন করা হয়। একই দিন রাতে মীরেরচর গ্রামের আহাদ, নুরুল হোসেন ও মিজান নামে কয়েকজন তাদের বাড়িঘর ভাঙচুর এবং বাধা দেওয়ায় মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেওয়া হলেও মামলা রেকর্ড হয়নি বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, তারা দীর্ঘদিন ধরে ওই বসতভিটায় বসবাস করছেন। কিন্তু প্রভাবশালী ব্যক্তিদের চাপ ও হুমকির কারণে বর্তমানে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। যেকোনো সময় তাদের বাড়িঘর দখলের চেষ্টা হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা। এ সময় তারা বাপ-দাদার বসতভিটায় শান্তিপূর্ণভাবে বসবাসের অধিকার নিশ্চিত করা, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এবং পরিবারের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান। এ বিষয়ে অভিযুক্ত বশির আহমদ ও তার পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D