১০ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৭শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ৩০, ২০২২
মোহাম্মদ অলিদ সিদ্দিকী তালুকদার
জাত সাংবাদিক, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদের জন্মদিন আজ। তিনি আমার কাছে সাংবাদিকতার দিকপাল। কেবল এ দিনেই নয়, বরাবরই তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি। সব মত-পথ এমন কি বিরোধীমতের কাছেও প্রিয়জন তিনি। অথচ রাজনৈতিকভাবে প্রতিপক্ষের হওয়ার অপরাধে ৮৭ মামলার আসামি, মাসের পর মাস টানা কারাভোগী শওকত ভাই। যা এদেশের রাজনৈতিক ট্র্যাজেডি। ভালো মানুষদের রাজনীতিতে আসার পথে বাধার জ্বলন্ত উদাহরণ। মাঝেমধ্যে মনে হয়েছে রাজনীতিতে না এলে এ অবস্থা হতো না তার। নক্ষত্র হয়েই থাকতেন সাংবাদিকতার আকাশে। কিন্তু, ভক্তি-শ্রদ্ধার কারণে কখনো তাকে বলতে পারিনি কথাটা।
শওকত মাহমুদ জন্ম ২৯ জুলাই ১৯৫৯ সালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮০ সালে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে শিক্ষা সম্পন্নের অনেক আগে থেকেই জড়িয়ে যান সাংবাদিকতায়। সাড়া জাগানো অনেক রিপোর্ট-কলাম এসেছে তার কলম থেকে। সেইসঙ্গে সম্পাদনায় নিজস্ব একটি স্টাইল তারই জন্ম দেয়া। শওকত ভাই বরাবরই গণতন্ত্র ,গনমাধ্যমের স্বাধীনতা আর সুশাসনের জন্য সাংবাদিক সমাজকে তাদের মেধা ও লেখনী দিয়ে জনগনের লড়াইয়ে শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছেন। নইলে সাংবাদিকরাও হবে বহুমূখি জুলুমের শিকার। আজ অক্ষরে-অক্ষরে বাস্তব হয়েছে তার সেই শঙ্কা।
জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক-সভাপতি মিলিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ৫ বারের নেতা । প্রতিবারই গেলবারের চেয়ে বেশি জনপ্রিয়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ছিলেন। পরে হন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান। তার মেধা-সততার সাক্ষর সবখানেই।
আমার জানা মতে, শওকত ভাইর মতো লেখার হাত, এ যুগে কম সাংবাদিকেরই আছে। সাংবাদিকতার শিক্ষক, বরেণ্য প্রয়াত সাংবাদিক আতাউস সামাদ স্যার শওকত মাহমুদকে বলতেন, অজাত প্রতিভা নিয়ে আসা সাংবাদিক। তার সাংবাদিকতায় অভিষেক রিপোর্টিং দিয়ে। জাদরেল রিপোর্টার যাকে বলে। সম্পাদনায় আরেক বিশেষত্ব তার। তার সহকর্মীরা বলে থাকেন, স্ট্রং-সুপার এডিটিংয়ের এই গুন আল্লাহ বোধ হয় সবাইকে দেনও না। সেইসঙ্গে সংগঠক হিসেবে ঈর্ষনীয় উচ্চতা। তার উদারতার সীমানা অনেকটাই অসীম পর্যায়ে। জাতীয় প্রেসক্লাবে ভিন্ন মতালম্বিদের এতো সদস্যপদ দেয়া তার নিজের মতের লোকদেরও ব্যথিত করেছে। যা তার উচ্চতা বুঝতে না পারার কারণেই।
শওকত মাহমুদের স্নেহভাজন হতে পেরে নিজেকে যারপরনাই সৌভাগ্যবান মনে করছি নিজেকে। গত সোমবার সড়ক দুর্ঘটনায় গত ক’দিন শয্যাশায়ী আমি। আমার পাশে এসেছেন, অভয় দিয়েছেন। কাছে যাবার সুযোগ পাওয়ায় তার গুন, বিশেষত্ব জানার কারণে আমার মনে হয়, তিনি ক্ষণজন্মা। এতো জানার পরও গরিমা নেই। জানেওয়ালার ভাব নেই। আমি নিশ্চিৎ তার জন্মদিনে আমার লেখাটি তার হাতে পড়লে পছন্দ হবে না। এমন লেখা তার হাতে পড়লে শব্দ-বাক্য কেটেছেটে অন্যরকম একটি লেখনি তৈরি করে ফেলার সম্পাদক তিনি। আমার এই শত পাঁচেক শব্দকে অর্ধেকে নিয়ে আসবেন তিনি। যার মাঝে প্রকাশ পাবে আমার বলতে না পারা হাজারো শব্দের বার্তা। তাই লেখার মান নয়, আমার শ্রদ্ধা ও অব্যক্ত কথাগুলো মার্জনার সঙ্গে উপলব্ধির আহ্বান আপনার কাছে।
শব্দ-বাক্য, ব্যাকরণ, তথ্য সব মিলিয়ে সাংবাদিকতার এই কারিগরকে আল্লাহ নেক হায়াত দিন। সাংবাদিকতায়, রাজনীতিতে এবং ব্যক্তিগত জীবনেও সময়ের এ সাহসী, সৎ, বিচক্ষণ ব্যক্তিকে আল্লাহ নসীব করুন সুখি, সুন্দর ভবিষ্যৎ। শতায়ু হোন প্রিয় অগ্রজ। বছর কয়েক আগে কায়মন বাক্যে এমন দোয়া করেছিলাম তার অসুস্থতার সময়। কী হয়েছিল তখনও জানি না। কেবল শুনেছি, তিনি হঠাৎ অসুস্থ। রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি, ব্যাংককে নেয়া হবে। পরে জানা হয় হার্ট অ্যাটাকে ফুসফুসে সংক্রমন। এছাড়া নিউমোনিয়ার কারণে শ্বাসকষ্টেও ভুগছিলেন। আল্লাহ আমাদের দোয়া কবুল করেছেন। শওকত ভাই সুস্থ হয়ে ফিরেছেন দেশে। আছেন আমাদের সঙ্গে। আমরাও তার সঙ্গে। শওকত ভাইর মতো মেধাবী না হই, তার সহযাত্রী হতে নিশ্চয়ই বাধা নেই। তার কাছ থেকে দুচার কলম শেখার সুযোগও অবারিত। সেই সুযোগটা আমি নিয়মিত নেয়ার চেষ্টা করি।
পরিশেষে শ্রদ্ধাভাজন বড়ভাই শওকত মাহমুদের শত দীর্ঘায়ু কামনা করছি আল্লাহ তায়ালা যেন তাহাকে পরিপূর্ণ ভাবে সুস্থ অবস্থায় বাঁচিয়ে রাখেন আমিন ।
শুভ শুভ শুভ জন্মদিন – শুভেচ্ছা ও আন্তরিক শুভেচ্ছা ।
সেই সাথে আমি আমার এই লেখাটি মাধ্যমে দেশবাসী বন্ধু বান্ধব সহ সকলের নিকট দোয়া চাই আমার জন্য দোয়া করবেন। গত ২৫ জুলাই সোমবার রাত সাড়ে এগারোটায় রাজধানীর সাইন্সল্যাবের মোড়ে এক্সিডেন্ট পরবর্তী হাসপাতাল চিকিৎসা নিয়ে আপাতত বিশ্রামের মধ্যে আছি । একদম কোনো ভাবেই উঠা বসা নাড়াচাড়া করার মত আমার কোনো শক্তি নেই । ডান পায়ের হাঁটুর নিচে হাড্ডি ভেঙ্গে দুই ভাগ হয়ে গেছে । এছাড়াও শারীরিক অবস্থা খারাপ । এই অবস্থায় আজ ( ২৯ জুলাই ২০২২- শুক্রবার-) হঠাৎ করে সোস্যাল মিডিয়ার মধ্যে নজর পড়ল যে তাহার জন্মদিন । সেই হিসেবে সকাল ১১ টায় এই লেখাটি বিছানায় শুয়ে শুয়ে তৈরি করলাম, ঘন্টা দুয়েক এরমধ্যে শেষ সমাপনী করলাম আলহামদুলিল্লাহ । এই কিংবদন্তির বিষয়ে লেখা তৈরি করা আমার কোনো যোগ্যতা নেই । যা লেখা হয়েছে নিজের মন থেকে মত প্রকাশ করলাম ।
এরমধ্যে সবার নিকট আমি আমার জীবনের পথচলা শুরু পথে আলোর প্রতীক হিসেবে যে দুজন বিশিষ্টজন আমার বটবৃক্ষ স্বরূপ অভিভাবক হিসেবে ছিলেন, সেই কিংবদন্তি হচ্ছেন দেশবরেণ্য শিক্ষাবিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য, প্রফেসর ডক্টর এমেরিটাস এমাজউদ্দীন আহমদ ও বাংলাদেশ পরিবেশ সাংবাদিকতার জনক সিনিয়র সাংবাদিক শ্রদ্ধাভাজন বড়ভাই মাহফুজ উল্লাহসহ তাদের এই দুজন কে মহান আল্লাহ তায়ালা যেন বিনা হিসেবে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন আমীন সেই দোয়া চাই সকলের নিকট ।।
লেখক:- বাংলাদেশ জ্ঞান সৃজনশীল প্রকাশক |√| ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও প্রকাশক বাংলা পোস্ট |√| বিশেষ প্রতিনিধি নয়াদেশ |√|

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D