সোনাতলা থেকে লামারগাও রাস্তার বেহাল দশা, দেখার যেন কেউ নেই

প্রকাশিত: ১০:১৫ অপরাহ্ণ, জুন ১২, ২০২২

সোনাতলা থেকে লামারগাও রাস্তার বেহাল দশা, দেখার যেন কেউ নেই

বিশেষ প্রতিবেদক : নিজাম উদ্দিন জায়গীরদার


সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাও ইউনিয়নের সোনাতলা বাজার হতে লামারগাও যোগাযোগের একমাত্র রাস্তাটি বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। এক পশলা বৃষ্টি হলেই কর্দমাক্ত হয়ে পড়ায় চলার অনুপযোগী হয়ে পরে। যা দেখার কেউ নেই।



জানা গেছে, কান্দিগাও ইউনিয়নের অন্যতম জনবসতিপূর্ণ একটি গ্রাম। নবাব খালি রোডের সোনাতলা হইতে লামার গাওয়ের শত শত পরিবার বাস করে। সব মৌসুমে তাদের যাতায়াতের জন্য একমাত্র রাস্তা এটি।

সোনাতলা থেকে লামারগাওয়ের দূরত্ব কমপক্ষে ৩ কিলোমিটার হবে। এই কাচা রাস্তাটির প্রধান যানবাহন হচ্ছে ফোর স্ট্রোক, টমটম ও রিকশা। এই রাস্তার বর্তমানে বেহাল অবস্থার কারণে ঠিকমতো কোনো রিকশা, গাড়ি চলাচল করতে পারছে না। ফলে হাজার মানুষের ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হচ্ছে।

জরুরি কোনো রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট জেলা শহরে বা উপজেলা সদরে নিতে চাইলে দুই-তিন কিলোমিটার রাস্তা হেটে আসতে হবে যা সেই রোগীর জন্য অসম্ভব। এমনকি যথাসময়ে রোগীকে হাসপাতালে নিতে না পারলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।


লামারগাও গ্রামের আব্দুস সালাম বলেন বলেন, ‘রাস্তা ভেঙে এমন অবস্থা হইছে, মানুষই চলতে পারে না, গাড়ি চলবে কেমনে? রাস্তার কোথাও ইট বা কার্পেটিং নাই। আবার কোথাও বড় বড় গর্ত।


সোনাতলা নিবাসী ডাঃ তাজ উদ্দিন বলেন, ১৭ বছরেও সরকারি কোনো লোকজন ভাঙা রাস্তাটি দেখতেও আসেনি। পুরো রাস্তায় কোথাও কার্পেটিং পাওয়া যাবে না, উঠে গেছে রাস্তার কার্পেটিং। রাস্তা ভেঙে খানাখন্দে ভরে গেছে। ঠিক মতো কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারে না। হাঁটা ছাড়া রাস্তাটি দিয়ে চলাচলের আর কোনো উপায় নেই। এতে আমাদের সীমাহীন দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে।


স্থানীয় মহিলা সালমা খানম বলেন, বর্ষা মৌসুমে এই রাস্তাটি পানিতে তলিয়ে যায় আর শুকনো মৌসুমে এই রাস্তা দিয়ে আমরা হেঁটে কিংবা রিকশা, টমটম বা ফোর স্ট্রোকে যাতায়াত করি। একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তাটি কর্দমাক্ত হয়ে চলার অনুপযোগী হয়ে পরে। আমরা বর্তমান উন্নয়ন বান্ধব সরকারের কাছে আবেদন জানাই অতি দ্রুত রাস্তাটি সংস্কার করা হোক।