৩রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ৭, ২০১৯
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক রাখা হচ্ছে না। দলীয় প্রতীকে এ নির্বাচন অনুষ্ঠানের চার বছর পার না হতেই এমন সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার। এ নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হওয়া নিয়ে নানা বিতর্ক ও সমালোচনা দেখা দেওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিকালে দলীয় প্রতীকে উপজেলাসহ বিভিন্ন স্থানীয় নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি না থাকায় এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে বলেই মনে করেন অনেকে। এ বিষয়ে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারের একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। : এ বিষয়ে জানতে চাইলে শনিবার (৬ এপ্রিল) ওই মন্ত্রী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকছে না। এটি পরিবর্তন হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত। তবে আমরা অফিসিয়ালি এখন বলতে পারবো না। এ বিষয়ে আমরা নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ : জানা গেছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন উন্মুক্তভাবে হওয়ার ধারা ভেঙে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার দলীয় প্রতীকে সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেয়। এজন্য ২০১৫ সালে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন-সংক্রান্ত পাঁচটি আইন সংশোধন করা হয়। দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের শুরুটা হয়েছে সিটি ও পৌরসভার মেয়র নির্বাচন দিয়ে। সর্বশেষ এটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রয়োগ করা হয়। তবে এ নির্বাচন শেষ হওয়ার পর আইনগুলো সংশোধন করে আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বিষয়টি আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে জাতীয় সংসদে সংশোধনের পর কার্যকর করা হবে। : এদিকে সরকারের এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে যাওয়াকে স্বাগত জানিয়েছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করে আমাদের তৃণমূল পর্যন্ত মারামারি পৌঁছে গেছে। এর ফলে মনোনয়ন বাণিজ্য এমন পর্যায়ে গেছে, জেলা পরিষদ নির্বাচনেও এমন কোনও ব্যক্তি খুঁজে পাওয়া যাবে না যে অর্থ ছাড়া ভোট দিয়েছে। পুরো প্রক্রিয়াটি কলুষিত হয়ে গেছে। এতে আমাদের অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে।’ : আইনটি যখন পরিবর্তন করা হয়েছে তখন কি এসব বিষয় সরকার বিবেচনা করেনি কিংবা কোনও বিশেষজ্ঞ মতামত নেওয়া হয়নি? জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বহুবার বলেছি। আমাদের কোনও মতামতই সরকার আমনে নেয়নি। হয় আবেগ কিংবা একটা চিন্তা করেই হুট করে সরকার এই আইন পরিবর্তন করেছে। সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D