|
প্রকাশিত: ৭:১০ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৩, ২০২৬
বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ চলাকালে হাসপাতালের কর্মচারীদের ওপর বহিরাগতদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরের দিকে সিলেটের পার্কভিউ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা সকাল থেকে বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে কর্মবিরতি পালন করে হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নেন। দুপুরের দিকে সেখানে যান সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ সময় আন্দোলনকারীদের কয়েকজন ইমদাদ হোসেন চৌধুরীকে লক্ষ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেন। পরে কয়েকজন কর্মচারীকে হাসপাতালের কনফারেন্স হলে নিয়ে যাওয়া হয়। এক কর্মচারীকে পুলিশ আটক করে। পরে তিনি ইমদাদ হোসেন চৌধুরীর কাছে ক্ষমা চান।
কর্মচারীদের অভিযোগ, ওই কর্মচারী ক্ষমা চাওয়ার সময় কয়েকজন বহিরাগত তাকে মারধর করেন। কক্ষ থেকে বের হওয়ার পর লিফটের সামনেও তাকে মারধর করা হয়। হামলাকারীরা বিএনপির নেতাকর্মী বলে অভিযোগ করেন তারা। এ ঘটনায় দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কি হয়।
হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মী আহমদ আলী বলেন, ‘‘ভুল করেছি, তাই ক্ষমাও চেয়েছি। বের হওয়ার সময় পেছন থেকে একদল লোক আমার ওপর চড়াও হয়। তারা আমাকে মারধর করেন।’’ তার দাবি, হামলায় নারীসহ প্রায় ১০ জন কর্মচারী আহত হয়েছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মচারী বলেন, ‘‘আমি ১৭ বছর বিএনপি করেছি। আজ বিএনপির লোকজনই আমার ওপর হামলা করেছে।’’ স্লোগান দেওয়ার জন্য ক্ষমা চাওয়ার পর আক্তার নামে এক বহিরাগত তাকে মারধর করেছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এদিকে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির কারণে প্রায় দুই ঘণ্টা হাসপাতালের ভেতরে আটকা পড়েন ইমদাদ হোসেন চৌধুরীসহ অনেকে। বিকেল তিনটার পর তিনি বের হওয়ার সময় আবার ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেওয়া হয়। এ সময়ও দুই পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়।
ইমদাদ হোসেন চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘আন্দোলনরত কর্মচারীদের কয়েকজন বহিরাগত মারধর করেছে বলে শুনেছি। তবে এতে বিএনপির কেউ জড়িত নয়। আমি বিষয়টি সমাধান করে এসেছি। কর্মচারীরাও আন্দোলন স্থগিত করেছেন।’’
তিনি বলেন, ‘‘আন্দোলনের সময় কর্মচারীরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে উদ্দেশ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিয়েছিলেন।’’ আলাপ আলোচনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বেতন বাড়াতে সম্মত হয়েছে বলে তিনি জানান।
সিলেট কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. মঈনুল জাকির বলেন, ‘‘বেতন বৃদ্ধির দাবিতে কর্মচারীরা আন্দোলন করছিলেন। এ সময় তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’’

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D