৭ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৮:১৪ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৮, ২০২৫
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার নভাগিকান্দির কাদির মিয়ার মেয়ে দিলারা বেগমের সাথে সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের পুর্ব দারগাখালি গ্রামের আল আমিনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে সাংসারিক জীবনে তাদের মধ্যে বনিবনা হচ্ছিল না। যৌতুকের জন্য বারবার বোনকে নির্যাতন করতো তার স্বামী। বোনের নির্যাতনের বদলা নিতে তার স্বামী আল আমিনকে কুপিয়ে হত্যা করেছে ভাইয়েরা। এই ঘটনায় থানাপুলিশ এক জনকে আটক করেছে।
বুধবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে ছাতক উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের পুর্ব দারগাখালি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত আল আমিন ও দিলারা দম্পতির দুই সন্তান রয়েছে।
জানা যায়, ১০ বছর আগে কোম্পানীগঞ্জের নভাগিকান্দির কাদির মিয়ার মেয়ে দিলারা বেগমের সঙ্গে আল আমিনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে সাংসারিক জীবনে তাদের মধ্যে বনিবনা হচ্ছিল না। আল আমিন যৌতুকের জন্য বারবার তার স্ত্রীকে নির্যাতন করতেন। এই বিষয় নিয়ে স্থানীয়রা মিলে বেশ কয়েকবার সমাধান করে দেন। কিন্তু তারপরও আল আমিন ফের যৌতুকের জন্য মারধর করেন। ঘটনার দিন বুধবার (২৭ আগস্ট) সকালে আল আমিন তার স্ত্রী দিলারাকে খুব মারধর করেন। মারধরের পর দিলারা তার বাপের বাড়িতে নির্যাতনের বিষয়ে তার ভাইদের অবগত করেন। খবর পেয়ে দিলারার মা ময়মুন নেছা, ভাই আব্দুল্লাহ ও আব্দুর রহমান বিকালে দিলারার স্বামীর বাড়িতে উপস্থিত হন। দিলারার ভাইয়েরা আল আমিনকে ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আল আমিন তাদের সাথে বাকবিতণ্ডা শুরু করেন। একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে মারামারির সৃষ্টি হয়। মারামারির একপর্যায়ে আল আমিনের দায়ের কোপে তার শাশুড়ি ময়মুন নেছার একটি হাতের কনুই থেকে কব্জি পর্যন্ত কেটে যায়। এসময় আহত হন দিলারার দুই ভাই আব্দুর রহমান ও আব্দুল্লাহ। পরে তাদের পাল্টা মারধর এবং দায়ের কোপে গুরুতর আহত হন আল আমিন। পরবর্তীতে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে আহত আল আমিনকে উদ্ধার করে প্রথমে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) ভোররাত ৩টার দিকে আল আমিন মারা যান।
ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ছাতকের ইসলামপুর ইউনিয়নের পুর্ব দারগাখালি গ্রামে বোনকে নির্যাতনের ঘটনায় ভাইয়েরা তাদের বোনজামাইকে কুপিয়ে হত্যা করে। এই ঘটনায় থানাপুলিশ এক জনকে আটক করেছে। অন্যদের গ্রেফতারে ও আইনগত ব্যবস্থা নিতে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে।।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D