জাবিতে দুই হলের মধ্যবর্তী দেয়াল অপসারণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

প্রকাশিত: ৮:১৭ অপরাহ্ণ, মার্চ ৬, ২০২৪

জাবিতে দুই হলের মধ্যবর্তী দেয়াল অপসারণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শেখ রাসেল হল ও শহীদ রফিক-জব্বার হলের মধ্যবর্তী দেয়াল অপসারণ নিয়ে দুই হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে শহীদ রফিক জব্বার হলের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে শেখ রাসেল হলের কয়েকটি রুম ভাঙচুর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অপরদিকে ঢিল ছোঁড়ার পাল্টা অভিযোগ করেছেন শহীদ রফিক জব্বার হলের শিক্ষার্থীরা।

শহীদ রফিক-জব্বার হলসংলগ্ন রাস্তায় গত বছরের জানুয়ারিতে স্থায়ী দেয়াল নির্মাণ করা হয়। ফলে যাতায়াতে অসুবিধাসহ বিভিন্ন ধরনের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছিল শেখ রাসেল হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের। সর্বশেষ গত ৪ মার্চ সোমবার থেকে দেয়ালটি ভাঙার দাবিতে গণস্বাক্ষর গ্রহণ কর্মসূচি শুরু করেন শেখ রাসেল হলের শিক্ষার্থীরা। বিষয়টি জানাজানি হলে ৫ মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে দেয়ালটিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গ্রাফিতি অঙ্কনের চেষ্টা করেন রফিক-জব্বার হলের শিক্ষার্থীরা। সে সময় শেখ রাসেল হলের শিক্ষার্থীরা দেয়ালে বঙ্গবন্ধুর গ্রাফিতি অঙ্কনে বাধা দেয়।

এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে শেখ রাসেল হলের শিক্ষার্থীরা রফিক-জব্বার হলের শিক্ষার্থীদের ধাওয়া দিলে তাঁরা হলের ভেতরে চলে যান। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে কয়েক দফায় ইটপাটকেল নিক্ষেপ, পটকা ফোটানো ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় উভয় পক্ষের শিক্ষার্থীদের হাতে লাঠিসোঁটাসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দেখা গেছে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত সাতজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

শেখ রাসেল হলের শিক্ষার্থী মোস্তাফিজ বলেন ” হলের পাশে স্থায়ী দেয়াল নির্মাণের কারণে অতিরিক্ত প্রায় এক কিলোমিটার পথ ঘুরে বটতলায় খাবার খেতে যেতে হয়। আসন্ন রমজান মাসে এই ভোগান্তি কমাতে একাধিকবার প্রশাসনের কাছে দেয়াল ভাঙার দাবি জানিয়েছি। বিষয়টি জানতে পেরে রফিক-জব্বার হলের শিক্ষার্থীরা বঙ্গবন্ধুর গ্রাফিতি আঁকা শুরু করে যাতে কেউ দেয়াল ভাঙতে না পারে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, দুই হলের রাস্তার মধ্যবর্তী একটি দেয়ালকে কেন্দ্র করে মূলত সংঘর্ষের শুরু। প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যরা শিক্ষার্থীদের থামানোর চেষ্টা করেন, তবে তাঁদের থামানো যাচ্ছিল না। পরে পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

পরবর্তীতে ৬ই মার্চ সকালে রফিক জব্বার হলের সামনের রাস্তায় ক্রেন দিয়ে মাটি খনন করতে দেখা যায়।


 

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট