১৬ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২রা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১২:৫০ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ২৫, ২০১৭
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যে সংগঠনের ত্যাগ আছে সেই সংগঠনকে কেউ কোনো দিন নিশ্চিহ্ন করতে পারবে না। তাই আওয়ামী লীগকেও কোনো দিন নিশ্চিহ্ন করা যাবে না।
মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৬৯ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনটির সাবেক নেতাকর্মীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করা ছাত্রলীগের মতো আদর্শিক সংগঠন থাকলে কেউ বাংলাদেশকে ধ্বংস করতে পারবে না বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু আন্দোলন-সংগ্রামে প্রথম নির্দেশ দিতেন ছাত্রলীগকে। বাংলাদেশের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে আর ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে ছাত্রলীগ।
অন্যায়ের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, দেশের সব সংগ্রামে ছাত্রলীগের ভূমিকার রয়েছে। প্রতিটি অর্জনে ছাত্রলীগের নাম জড়িয়ে রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষকে শিক্ষিত করতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। দেশে বিনামূল্যে বই দেয়া হচ্ছে। নতুন নতুন বিদ্যালয় ও কলেজ তৈরি করা হচ্ছে। দেশের প্রতিটি জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় করা হবে।
তিনি বলেন, পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর মিরজাফর মোসতাক ক্ষমতায় গিয়ে তিন মাসও টিকতে পারেনি। তার পেছন থেকে এসে ক্ষমতায় নিল জিয়াউর রহমান। জিয়াউর রহমান ছিলেন মেট্রিক পাস। তার স্ত্রী খালেদা জিয়া ছিলেন মেট্রিক ফেল। তাদের সময়ে শিক্ষার হার কমেছিল, সাক্ষরতার হার কমেছিল।
স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, যিনি দেশকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন, তাকে কেন রক্ত দিতে হয়, তাকে কেন জীবন দিতে হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন জাতি হবে তা পাকিস্তানিরা মানতে পারেনি। তাদের এ দেশের দোসররা তা মানতে পারেনি। তাই তারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিল। এরপর আমরা দেখেছি দেশের একের পর এক কত হত্যা হয়েছে।
বঙ্গবন্ধু হত্যার পর বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের টিকে থাকার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পঁচাত্তরের পর পাকিস্তানি শাসকচক্র ও এদেশে তাদের দোসররা ভেবেছিল বাংলাদেশে আর আওয়ামী লীগ আর দাঁড়াতে পারবে না, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নষ্ট করবে, স্বাধীনতার স্বপ্ন ধূলিস্যা’ করে দেবে। কিন্তু তারা পারেনি। কারণ বঙ্গবন্ধু আদর্শ রেখে গেছেন, ছাত্রলীগের মতো সংগঠন রেখে গেছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতাকে হত্যার মধ্য দিয়ে একাত্তরের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিয়েছিল আলবদরের দোসররা।’ ৭৫-এর পর মেধাবী ছাত্রদের হাতে অস্ত্র তুলে দেয়া হয়।
মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ২টার দিকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিকেল ৩টা ৩৫ মিনিটে সেখানে উপস্থিত হন। প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের নতুন-পুরনো সব নেতাকর্মীকে অভিনন্দন জানান।
ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগের সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরো বক্তৃতা করেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, এস এম জাকির হোসেইন প্রমুখ।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D