১৬ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২রা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১১:৫৭ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৪, ২০১৬
একটি গণতান্ত্রিক সরকার পাঁচ বছর দেশ শাসন করতে পারবে কিন্তু স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে পারবে না। এটা রাজনীতিবিদদের জন্য দেউলিয়াপনা।
ত্রয়োদশ সংশোধনী আইন রাষ্ট্রের মূলভিত্তি জনগণের সার্বভৌমত্ব, রাষ্ট্রের প্রজাতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক পরিচয় খর্ব করায় দেশের সর্বোচ্চ আদালত তা অসাংবিধানিক ও অবৈধ বলে ঘোষণা করেন।
শনিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জাতীয় বিচার বিভাগীয় সম্মেলন-২০১৬’ উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা।
তিনি বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি আসার পর বিচারপতিদের নিয়ে রাজনীতি আরম্ভ হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে সাবেক প্রধান বিচারপতিরা দায়িত্ব পালনের কারণে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। ত্রয়োদশ সংশোধনীর ফলে অগণতান্ত্রিক তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতির মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচনকে একটি মহলের খেয়ালখুশিমতো পরিচালনার ব্যবস্থা হয়েছিল’।
এস কে সিনহা বলেন, ‘পুরাতন হাইকোর্ট ভবন থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করা হলেও এর কোনো অগ্রগতি পরিলক্ষিত হয়নি’।
তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রের প্রতিটি সংস্থা অন্য সংস্থার ওপর আধিপত্য বিস্তারের প্রতিযোগিতায় লিপ্ত। শুধু সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানগুলোই নয়, রাষ্ট্রের বিভাগগুলোও এ প্রতিযোগিতার বাইরে নেই। শুধু বিচার বিভাগই এর ব্যতিক্রম। বিচার বিভাগ এ প্রতিযোগিতায় কখনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেনি এবং করবেও না’।
বিচারক-স্বল্পতা প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি বলেন, বর্তমানে আপিল বিভাগে নয়জন বিচারক, তাদের মধ্যে একজন অসুস্থ। হাইকোর্ট বিভাগের ৮৯ জন বিচারকের মধ্যে ৩ জন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দায়িত্ব পালন করছেন। অন্য ৭ জন অবসর নিচ্ছেন। ফলে বেঞ্চ গঠনে প্রধান বিচারপতিকে হিমশিম খেতে হচ্ছে প্রতিদিন।
বিশেষ আদালতগুলোতে স্থান সংকুলানের তীব্র অভাবের কথা তুলে ধরে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বলেন, প্রায়ই সরকার নতুন আইন করে বিভিন্ন ধরনের ট্রাইব্যুনাল গঠন করছে। এসব ট্রাইব্যুনালের জন্য পৃথক আদালত ভবন, পরিকাঠামো নির্মাণ, রেকর্ড রুম ও বসার জায়গা অপরিহার্য হলেও সরকার এ বিষয়ে সব সময় উদাসীন।
সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার হোসনে আরার সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে সাবেক প্রধান বিচারপতি মাহমুদুল আমীন চৌধুরী, আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা, ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, রেজিস্ট্রার জেনারেল সৈয়দ আমিনুল ইসলাম, মনোনীত জেলা জজ হিসেবে প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের সদস্য গোলাম মর্তুজা মজুমদার, এটুআই প্রকল্পের পলিসি অ্যাডভাইজার আনীর চৌধুরী বক্তব্য দেন।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D