স্কলার্সহোম শাহী ইদগাহে বাংলা নববর্ষ উদযাপন

প্রকাশিত: ২:১০ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৫, ২০২২

স্কলার্সহোম শাহী ইদগাহে বাংলা নববর্ষ উদযাপন

স্কলার্সহোম শাহী ইদগাহ শাখার অধ্যক্ষ লে. কর্ণেল মুনীর আহমেদ কাদেরী (অব.) বলেছেন, বাংলা নববর্ষ বাঙালির প্রাণের উৎসব, সাংস্কৃতিক জাগরণের উৎসব। কৃষিকাজ ও খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে বাংলা সন চালু হলেও একসময় তা হয়ে উঠে বাঙালির অর্থনৈতিক মুক্তির উৎসব। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর বাঙালির চেতনার প্রতীকে পরিণত হয় দিবসটি। উৎসবের পাশাপাশি বিভিন্ন অপশক্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদও এসেছে পহেলা বৈশাখ থেকেই। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমাদের শতভাগ খাঁটি বাঙালি হতে হবে। বাঙালিয়ানার সাজ কিংবা বোধ একদিনেই যেন সীমাবদ্ধ না থাকে।

স্কলার্সহোম শাহী ইদগাহ ক্যাম্পাস আয়োজিত বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে লোকজ মেলা এবং ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জা, কুইজ প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার (১৪ এপ্রিল) সকালে বাংলা নববর্ষ ১৪২৯-কে স্বাগত জানাতে কলেজ ক্যাম্পাসে ছিলো সাজ সাজ রব। পবিত্র মাহে রমজান মাসের পবিত্রতা রক্ষা করে স্বল্প পরিসরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফারজানা মোর্শেদের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন উপাধ্যক্ষ আশরাফ হোসেন চৌধুরী। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শিক্ষকদের মধ্যে ‘বাঙালি সংস্কৃতির ধারক ও বাহক নববর্ষ’ শীর্ষক বক্তব্য রাখেন হাসান মাহমুদ, কবির চৌধুরী রচিত পহেলা বৈশাখ প্রবন্ধ পাঠ করেন রুমিয়া সুলতানা, বৈশাখের গান পরিবেশন করেন মীনাক্ষি সাহা ও কবিতা পাঠ করেন কামরুল হক জুয়েল।

শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে জমে উঠে লোকজ মেলা ও ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জা। বাঙালির লোকজ ঐতিহ্যের মাটির তৈরি বিভিন্ন জিনিসপত্র প্রর্দশনের পাশাপাশি কেউ কেউ সাজেন বাঙলার চিরাচরিত কৃষক কিংবা বধূ, আবার কেউ কেউ নিরেট বাঙালি। অন্যদিকে কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারিদের মধ্যে বিজয়ী হয় নাগরদোলা এবং রানার্সআপ হয় নকশিকাঁথা দল।


 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট