পুলিশের গুলিতে হতাহতের দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে : জি এম কাদের

প্রকাশিত: ৬:৪৫ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৯, ২০২১

পুলিশের গুলিতে হতাহতের দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে : জি এম কাদের

দেশে সাম্প্রতিক সময়ে চলমান সহিংসতা, সংঘাত ও হানাহানির ফলে প্রাণহানির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি। জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় এই উপনেতা বলেছেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং জাতির পিতার জন্মশত বার্ষিকী উদযাপনের মধ্যে পুলিশের গুলিতে যে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে-তার দায়িত্ব সরকারকেই গ্রহণ করতে হবে।
গতকাল সোমবার এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন জাতীয় পাটির চেয়ারম্যান।

জিএম কাদের বলেন, সরকারের সাথে যদি কোনো মহলের মধ্যে মতবিরোধ সৃষ্টি হয়- তার মিমাংসা রক্তাক্ত পথে হতে পারে না। সরকারের নীতি, কর্মকান্ড এবং আচরণের বিরুদ্ধে যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে-সাম্প্রতিক সময়ের আন্দোলনে তারই বহি:প্রকাশ ঘটেছে। এই কয়েকদিনের বিক্ষোভে বিপুল সংখ্যক হতাহতের ঘটনা ঘটে গেছে। এটা অনভিপ্রেত, অনাকাঙ্খিত এবং নিন্দনীয়। তিনি সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, অনতিবিলম্বে চলমান বিরোধ ও সংঘাতময় পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে হবে। এ ক‘দিনের ঘটনায় যারা নিহত বা আহত হয়েছেন- তাদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। সরকারকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে-দমন-পীড়নে সংকট আরো ঘণিভূত হয়। তিনি বলেন, আমি আশা প্রকাশ করি- সরকারের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে।

মানুষের বাক ও ব্যক্তি স্বাধীনতা নেই

জাতীয় পার্টি মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু বলেছেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর সময়ে দেশের মানুষের বাক ও ব্যক্তি স্বাধীনতা নেই। অন্যায়-অবিচারে দেশের মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। চাঁদাবাজী ও টেন্ডারবাজীতে অসহায় হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ। দেশের মানুষ আওয়ামী লীগ ও বিএনপির শাসন আর দেখতে চায় না। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির হাত থেকে মুক্তি চায়। একবুক আশা নিয়ে জাতীয় পার্টির দিকে তাকিয়ে আছে দেশের মানুষ। তারা জাতীয় পার্টিকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় দেখতে চায়। তাই জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতেই জাতীয় পার্টি এগিয়ে যাচ্ছে।

সোমবার বিকেলে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানমালা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের এক প্রস্তুতি সভায় সভাপতির বক্তৃতায় জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন- জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহিদুর রহমান টেপা, সুনীল শুভরায়, এস.এম. ফয়সল চিশতী, মীর আব্দুস সবুর আসুদ, শফিকুল ইসলাম সেন্টু, এডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, মচেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জহিরুল আলম রুবেল, হেনা খান পন্নি, ভাইস চেয়ারম্যান এইচ এম আসিফ শাহরিয়ার, যুগ্ম মহাসচিব মো. বেলাল হোসেন প্রমুখ।


এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট