১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১১:৫৫ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৫, ২০১৯
শিক্ষার্থীদের অবরোধের মুখে বিশ্ববিদ্যালয় হতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তাদের বাসসহ, অন্যান্য যানবাহন প্রবেশ এবং বের হতে বাধা দেওয়া হয়। এতে যান চলাচলে অসুবিধা তৈরি হয়। এর আগে পূর্বঘোষণা অনুযায়ী সাধারণ শিক্ষার্থীরা বেলা ১১টায় একত্র হয়। দুপুর আড়াইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ইসলাম এবং ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা অধ্যাপক ড.রাশেদ তালুকদারের সাথে আলোচনা করতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ৭সদস্যের প্রতিনিধি দল দেখা করেন। দাবি আদায়ে আলোচনার সমাধান না হওয়ায় এই অবরোধ কর্মসূচির ডাক দেয়া হয়। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আন্দোলনের অবরোধ কর্মসূচি এবং আন্দোলনকারী প্রতিনিধিদের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়েরর কোষাধ্যক্ষের আলোচনা চলছে।
গত ২৭ নভেম্বর (বুধবার) ১৬ দাবি সামনে নিয়ে এসে প্রশাসনকে দুইভাগে আল্টিমেটাম আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের ১৬ দফা দাবির মধ্যে ৬টি আশু দাবি বুধবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টার মধ্যে মেনে নেওয়ার জন্য প্রশাসনকে আল্টিমেটাম দেয় শিক্ষার্থীরা। এছাড়া আরও ১০টি দীর্ঘমেয়াদী দাবি আগামী বছরের ২৬ মার্চ এর মধ্যে বাস্তবায়নের আল্টিমেটাম বেধে দিয়েছেন তারা। কিন্তু আশু দাবি সমূহের আল্টিমেটামের সময় শেষ হয়ে যাওয়ায় এবং দাবি না মানায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত আবারও সময় বেঁধে দেয়। পরবর্তীতে এই আন্দোলনের সু্ষ্ঠু সমাধান না আশায় এই এই অবরোধ কর্মসূচির ডাক দেয়া হয়।
প্রসঙ্গত, ৮ জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় সমাবর্তনকে কেন্দ্র করে গত ১৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় ডিসেম্বরের শীতকালীন ছুটি পিছিয়ে আগামী বছরের ৫ থেকে ১৬ জানুয়ারি করা হয়। একই সাথে ছুটিতে আবাসিক হলসমূহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। হল বন্ধের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে গত ২০ নভেম্বর ক্যাম্পাসে মানববন্ধনের চেষ্টা করেন শিক্ষার্থীরা। কিন্তু মানববন্ধনের অনুমতি না নেওয়ায় প্রক্টরিয়াল বডি এসে তা পন্ড করে দেওয়ার অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা। মানববন্ধনে এক পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা ও প্রক্টর বাকবিতন্ডতায় জড়িয়ে পড়েন। মানববন্ধনে প্রক্টরিয়াল বডির বাধার প্রতিবাদে ও হল বন্ধের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে পরদিন বৃহস্পতিবার ফের মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন শিক্ষার্থীরা। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবে বিক্ষোভ, সম্মিলিত প্রতিবাদী গান, মশাল মিছিল ও রোড পেইন্টিং করে আসছেন তারা। এছাড়া অর্বাচীন নামে প্রতিবাদী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল শিক্ষার্থীরা। এই দাবিগুলো দ্রুত মেনে নেওয়ার দাবিতে গত রোববার (১ ডিসেম্বর) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বরাবর লিখিত স্মারকলিপি দিয়েছেন তারা।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D